নড়াইলের
লোহাগড়ায় বিএনপি মনোনীত চারজন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে
দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তৃণমূল বিএনপির সুপারিশ পরিবর্তন করে দিঘলিয়া
ইউনিয়নে কেন্দ্রীয় বিএনপি অন্য একজনকে প্রার্থী মনোনীত করায় তাঁরা ক্ষুব্ধ
হয়েছেন। গত শনিবার সকালে লোহাগড়ার রামনারায়ণ পাবলিক লাইব্রেরি মার্কেট
চত্বরে সংবাদ সম্মেলন করে তাঁরা এ ঘোষণা দেন। তাঁরা দিঘলিয়া ইউনিয়নে তৃণমূল
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. ইউসুফ আলীর মনোনয়ন
পুনর্বহালের দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মো. ইউসুফ আলী,
মল্লিকপুর ইউনিয়নের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এস এম মাসুদ রানা, জয়পুর
ইউনিয়নের প্রার্থী মো. শাহীন মাহমুদ, কাশিপুর ইউনিয়নের প্রার্থী মো. শাহ
আলম ও ইতনা ইউনিয়নের প্রার্থী মো. খলিলউল্লাহ। ২৮ মে দিঘলিয়া, মল্লিকপুর,
জয়পুর, কাশিপুর ও ইতনা ইউনিয়নে নির্বাচন হবে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে,
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মনোনয়ন দিতে লোহাগড়া
উপজেলায় তৃণমূল পর্যায়ে ছয় সদস্যের মনোনয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। এ বোর্ডের
সদস্য হলেন উপজেলা বিএনপির তিনজন যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের
সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক। এ বোর্ড ইতনা, মল্লিকপুর,
জয়পুর, কাশিপুর ও দিঘলিয়া ইউনিয়নের একজন করে প্রার্থী মনোনীত করে তাঁদের
মনোনয়ন দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের কাছে সুপারিশ করে। এর মধ্যে দিঘলিয়া ইউনিয়নে
ইউসুফ আলীর মনোনয়ন পরিবর্তন করে শেখ রবিউল ইসলাম ওরফে পলাশকে মনোনয়ন দেওয়া
হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মনোনয়নবঞ্চিত মো. ইউসুফ আলী অভিযোগ করেন, ‘তৃণমূল মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে পরিবর্তন হয়েছে।’ মল্লিকপুর ইউনিয়নের বিএনপির প্রার্থী এস এম মাসুদ রানা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘দিঘলিয়া ইউনিয়নের মনোনয়ন ৩ মের মধ্যে পুনর্বহাল না করলে আমরা অন্য চার ইউনিয়নের প্রার্থীরা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব।’ অন্য প্রার্থীরাও তাঁদের বক্তব্যে একই ঘোষণা দেন। এ সময় অন্য তিন প্রার্থী হাতে হাত মিলিয়ে এ বক্তব্যে সমর্থন দেন। উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও তৃণমূল বিএনপি মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য মো. টিপু সুলতান বলেন, ‘তৃণমূল পর্যায়ে গঠিত মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা ঠিক হয়নি। সংবাদ সম্মেলনের দাবি মোতাবেক ওই মনোনয়ন পুনর্বহাল করা হোক।’ সংবাদ সম্মেলন চলাকালে সেখানে উপস্থিত হন বিএনপির কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন পাওয়া শেখ রবিউল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ওয়ার্ড বিএনপির ১২ জন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে লিখিত মতামত ও বিগত দিনে দলের প্রতি আমার ত্যাগের কারণে কেন্দ্রীয় বিএনপি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় বিএনপির বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ করা ধৃষ্টতা ছাড়া আর কিছু নয়।’
সংবাদ সম্মেলনে মনোনয়নবঞ্চিত মো. ইউসুফ আলী অভিযোগ করেন, ‘তৃণমূল মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে পরিবর্তন হয়েছে।’ মল্লিকপুর ইউনিয়নের বিএনপির প্রার্থী এস এম মাসুদ রানা সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘দিঘলিয়া ইউনিয়নের মনোনয়ন ৩ মের মধ্যে পুনর্বহাল না করলে আমরা অন্য চার ইউনিয়নের প্রার্থীরা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াব।’ অন্য প্রার্থীরাও তাঁদের বক্তব্যে একই ঘোষণা দেন। এ সময় অন্য তিন প্রার্থী হাতে হাত মিলিয়ে এ বক্তব্যে সমর্থন দেন। উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও তৃণমূল বিএনপি মনোনয়ন বোর্ডের সদস্য মো. টিপু সুলতান বলেন, ‘তৃণমূল পর্যায়ে গঠিত মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা ঠিক হয়নি। সংবাদ সম্মেলনের দাবি মোতাবেক ওই মনোনয়ন পুনর্বহাল করা হোক।’ সংবাদ সম্মেলন চলাকালে সেখানে উপস্থিত হন বিএনপির কেন্দ্র থেকে মনোনয়ন পাওয়া শেখ রবিউল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ওয়ার্ড বিএনপির ১২ জন সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে লিখিত মতামত ও বিগত দিনে দলের প্রতি আমার ত্যাগের কারণে কেন্দ্রীয় বিএনপি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় বিএনপির বিরুদ্ধে মনোনয়ন বাণিজ্যের অভিযোগ করা ধৃষ্টতা ছাড়া আর কিছু নয়।’

No comments:
Post a Comment