মিয়ানমারের
গণতন্ত্রপন্থী নেত্রী অং সান সু চির জন্য রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা পদমর্যাদায়
নতুন একটি মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট। এতে
সরকারে ক্ষমতাধর জান্তার প্রভাবের বিপরীতে সু চির প্রভাব বাড়বে বলে ধারণা
করা হচ্ছে। দেশটির গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আজ শুক্রবার এএফপির খবরে এ কথা
জানানো হয়। গত নভেম্বরে সু চির দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি বিপুল ভোটে
জয়ী হয়। তবে সু চির স্বামী ও দুই সন্তান ব্রিটিশ নাগরিক হওয়ায় মিয়ানমারের
সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় তিনি প্রেসিডেন্ট হতে পারেননি। নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু
থিন কিউকে প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুযোগ দিয়েছেন। ক্ষমতাসীন হওয়ার পর
প্রেসিডেন্ট থিন কিউ লাওসে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে সু চিকে নিয়ে যান।
ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসি ক্ষমতায় যাওয়ার পর সু চি রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা
হিসেবে তাঁর ভূমিকা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, গত এপ্রিলে অনেক
রাজনৈতিক বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদপত্র গ্লোবাল
নিউ লাইট অব মিয়ানমারের খবরে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রীয় সংহতি, অভ্যন্তরীণ
শান্তি, জাতীয় উন্নয়ন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে সু চির ভূমিকাকে
জোরালো করবে—এমন একটি মন্ত্রণালয় গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। আগামী
সপ্তাহে বিষয়টি পার্লামেন্টে উঠবে। বিরোধী আইনপ্রণেতাদের অনেকে অবশ্য এমন
প্রস্তাবের সমালোচনা করেছেন। আরাকান ন্যাশনাল পার্টির বা সেইন বলেন, জাতীয়
সংহতি ও শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য নতুন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন নেই।
তবে তিনি প্রস্তাবটির বিরোধিতা করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। অবশ্য
বিরোধী আইনপ্রণেতাদের বিরোধিতা এই প্রস্তাব পাস করার ক্ষেত্রে কোনো
বাধা নয়। কারণ, সু চির দলের একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে যেকোনো আইন পাস করার
বিষয়ে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment