ইন্ডিয়ানায়
দলীয় প্রাইমারিতে বিজয়ী হয়ে অন্যদের জন্য মনোনয়ন ‘সিল’ করে দিয়েছেন
রিপাবলিকান দলের ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা
দিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী টেড ক্রুজ। তবে অপর প্রতিদ্বন্দ্বী জন কাসিচ এখনও
অনড়। এরই মধ্যে রিপাবলিকান দলের প্রধান রেইনসে প্রিয়েবাস ঘোষণা দিয়েছেন
ডোনাল্ড ট্রাম্প দলের ‘গৃহীত মনোনীত’ প্রার্থী। এর সঙ্গে সঙ্গে ডেমোক্রেট
দলের হিলারি ক্লিনটন থামাও প্রচারণা শুরু হয়ে গেছে। প্রিয়েবাস এক টুইটে
এমনটাই বলেছেন। তিনি লিখেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প হবেন রিপাবলিকান দলের গৃহীত
মনোনীত প্রার্থী। আমাদের সবার উচিত ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং এখন মনোনিবেশ করতে
হবে হিলারি ক্লিনটনকে পরাজিত করার বিষয়ে। ইন্ডিয়ানায় হিলারি ক্লিনটন তার
প্রতিদ্বন্দ্বী বার্নি স্যান্ডার্সের কাছে হারলেও তাদের দু’জনের ডেলিগেটের
ব্যবধান অনেক বেশি। সেই ব্যবধান বাকি প্রাইমারি বা ককাসগুলোতে স্যান্ডার্স
পূরণ করতে পারবেন বলে মনে করেন না রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। হিলারি যদি এখন
বাকি রাজ্যগুলোর কোনটিতেও না জেতেন তাহলেও তিনি দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার
সম্ভাবনা উজ্বল। কারণ, বাকি রাজ্যের একটিতেও তিনি না জিতলেও ডেলিগেট ভাগ
হবে। তা থেকে তিনি প্রয়োজনীয় ২৩৮৩টি ডেলিগেটের বেশি অর্জন করতে পারবেন। নিউ
ইয়র্ক টাইমসের মতে, তার এখন সংগ্রহে রয়েছে ২২২০টি ডেলিগেট। ফলে তাকে আর
মাত্র ১৬৩টি ডেলিগেট পেতে হবে। এখনও দলের বাকি রাজ্যগুলোতে রয়েছে ১১১৪টি
ডেলিগেট। সেখান থেকে অনায়াসেই তিনি ১৬৩টি ডেলিগেট পেয়ে যাবেন। ফলে
বিশ্লেষকরা ধরেই নিয়েছেন আগামী ৮ই নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হচ্ছে
হিলারি ক্লিনটন ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে। তার দু’জনেই নিউ ইয়র্কের। এবার
মার্কিনিরা কাকে বেছে নেন তাই দেখার পালা। হিলারির মনোনয়ন নিশ্চিত হলে তিনি
হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম নারী হিসেবে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী।
আর যদি তিনি নির্বাচিত হয়ে হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করতে পারেন তাহলে তা হবে
ইতিহাসের নতুন একটি অধ্যায়। তাই ইন্ডিয়ানায় বিজয়ী হয়ে ট্রাম্প সরাসরি তীর
ছুড়েছেন হিলারির দিকে। তিনি বলেছেন, আমরা এবার হিলারির পিছনে লাগবো। তিনি
একজন ভাল প্রেসিডেন্ট হবেন না। তিনি নির্বাচিত হলে হবেন একজন দুর্বল
প্রেসিডেন্ট। তিনি বাণিজ্য বোঝেন না।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment