আন্তঃব্যাংক
লেনদেনের বৈশ্বিক সংগঠন সুইফট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংক ও
সোনালী ব্যাংকের কয়েকশ’ কোটি টাকা হ্যাক করার পর এখন বিশ্বব্যাপী আরো অন্তত
১২টি ব্যাংকের সুইফট নেটওয়ার্কে হ্যাকারদের হানা দেয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ইতোমধ্যেই এ নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। সুইফট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশ
ব্যাংকের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি নিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচনার মধ্যে এ খবর
জানা গেল। বার্তা সংস্থা ব্লুমবার্গ জানায়, বাংলাদেশ বাংকের নিরাপত্তা
ব্যবস্থার দায়িত্ব পাওয়া ফায়ারআইয়ের সাথে এসব ব্যাংক যোগাযোগ করছে। একজন
কর্মকর্তা জানান, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এসব ব্যাংকগুলো আশঙ্কা করছে, তাদের
নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশ করেছে হ্যাকাররা। এর মধ্যে ফিলিপাইন ও নিউজিল্যান্ডের
ব্যাংকও রয়েছে। তবে পশ্চিম ইউরোপ কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ব্যাংক নেই।
তবে এসব ব্যাংকের কোনো অর্থ চুরি হয়েছে কিনা তা এখনো স্পষ্ট নয়। আরো ১২টি
ব্যাংকের সাইবার হামলার তদন্ত শুরু সম্পর্কে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি
ক্যালিফোর্নিয়া ভিত্তিক ফায়ারআই। ফেব্রুয়ারির শুরুতে নিউইয়র্কের ফেডারেল
রিজার্ভ ব্যাংকে সঞ্চিত বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরির চারমাস পর এবার তদন্ত
আরো বিস্তৃত হলো। বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরিকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় চুরির
ঘটনা বলা হচ্ছে। বাংলাদেশে রিজার্ভ চুরিতে নিজেদের নেটওয়ার্কের কোনো
ত্রুটির কথা অস্বীকার করেছে সোসাইটি ফর ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারব্যাংক
ফাইন্যান্সিয়াল টেলিকমিউনিকেশন (সুইফট) কর্তৃপক্ষ। তবে সুইফট কর্তৃপক্ষ
সম্প্রতি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্বের ২০টিরও
বেশি কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইফট নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে, যার সঙ্গে মুদ্রা
আদান-প্রদানে আরো যুক্ত রয়েছে ১১ হাজারেরও বেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment