চীনা
রসুনের দাম এক দিনে এক লাফে ৭০ টাকা বেড়ে গত শনিবার কেজিতে ২৫০ টাকায়
বিক্রি হয়েছে। চীনা রসুনের পাশাপাশি দেশি রসুনের দামও কেজিতে ২০ থেকে ৩০
টাকা বেড়ে দাম হয়েছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। হঠাৎ করে রসুনের বাজার অস্থির হয়ে
ওঠার পেছনের কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে চীনা রসুনের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।
বিক্রেতারা বলছেন, তবে এটা স্থায়ী হবে না, শিগগিরই দাম কমে যাবে। তবে
রোজার মাস সামনে রেখে বিভিন্ন পণ্যের দাম বাড়া যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে।
রমজান মাস আসতে এখন এক মাসও বাকি নেই। মাসটিকে সামনে রেখে এই অস্বাভাবিক
মূল্যবৃদ্ধি নয় তো! এরই মধ্যে বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। রমজান মাসে
যেসব পণ্যের চাহিদা বাড়ে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কোনো কারণ ছাড়াই সেসব
পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। তাই পবিত্র রমজান মাসে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে
রাখতে সরকারকে এখন থেকেই কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে। ডাল, ছোলা, তেল, চিনিসহ
অন্যান্য পণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে হবে। চাহিদার প্রাক্কলন
এবং চাহিদা ও জোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ
নিতে হবে। আমদানি পণ্যের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক দর বিবেচনায় নিয়ে সর্বোচ্চ
বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া যায়। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বসে আলাপ-আলোচনার
মাধ্যমেও বিষয়টি ঠিক করা যায়। কিছু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে বাজার নিয়ন্ত্রণ
ও নানা ধরনের কারসাজি করেন। খেয়াল রাখতে হবে এ ধরনের কোনো তৎপরতা যেন
রোজার আগে না ঘটে। সরকারকে এমন নীতি গ্রহণ করতে হবে যেন অন্য ব্যবসায়ীরাও
বাজারে আসতে পারেন। তাহলে একটা প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে। পণ্যের মূল্য
কমানোর ক্ষেত্রে এটা একটা প্রভাবক হতে পারে। সরকারি বাণিজ্য সংস্থা ট্রেডিং
করপোরেশন অব বাংলাদেশকে (টিসিবি) শক্তিশালী ও এই মাত্রায় সক্রিয় থাকতে
হবে, যাতে এ ধরনের সিন্ডিকেটের যেকোনো অপচেষ্টা রুখতে প্রয়োজনে বাজারে
হস্তক্ষেপ করা যায়।
Monday, May 9, 2016
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment