![]() |
| ওসামা বিন লাদেন |
আল-কায়েদার
নেতা ওসামা বিন লাদেন হত্যার পাঁচ বছর পরও যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা শক্তিকে
সন্ত্রাসবাদ তাড়া করছে। বিন লাদেন-পরবর্তী জঙ্গিবাদ নতুনভাবে মোকাবিলা
করতে হচ্ছে এখন। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর টুইন টাওয়ারে নারকীয় হামলার পর
আল-কায়েদাপ্রধান বিন লাদেন হয়ে উঠেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের চোখে শীর্ষ
সন্ত্রাসী। বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্র ধসে পড়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে তিন
হাজারের বেশি মানুষের হত্যাকাণ্ডের দায় চাপে বিন লাদেনের ওপর। পশ্চিমা
বিশ্ব এক হয়ে লাদেন ও সন্ত্রাসবাদ দমনে নামে। ২০১১ সালের ১ মে মার্কিন
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সদর্পে ঘোষণা দেন, বিন লাদেনকে হত্যা করা হয়েছে।
তবে বিন লাদেন হত্যার পরও থেমে থাকেনি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। পরবর্তী সময়ে
উত্থান ঘটেছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস)। বিন লাদেনের সংগঠন
আল-কায়েদার জঙ্গি ভাবাদর্শে উদ্বুদ্ধ আবু বকর আল বাগদাদিকে খলিফা ঘোষণা
করে আইএস আত্মপ্রকাশ করে। সিরিয়া ও ইরাকের বেশ কিছু অঞ্চল দখল করে নেয়
জঙ্গি এ সংগঠনটি। বিন লাদেনের অনুসারীরা সিরিয়ায় সংগঠিত হয়ে জাবাত আল
নুসরা নামের জিহাদি সংগঠন গড়ে তোলে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক
বিশেষজ্ঞ ব্রুস হাফম্যান এনবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, জাবাত আল
নুসরা আইএস থেকে ভয়ংকর সংগঠন। এদিকে বিন লাদেন হত্যার পঞ্চম বার্ষিকীতে
টুইটারে তা প্রকাশে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) সমালোচনা
হয়েছে। ওই ঘটনা এমনভাবে টুইট করা হয়েছে যেন এদিনই এ ঘটনা ঘটেছে। এক
টুইটার ব্যবহারকারী এ ঘটনাকে ‘কিম্ভূত এবং বিরক্তিকর’ বলে মন্তব্য করেছেন।

No comments:
Post a Comment