![]() |
| ভূমধ্যসাগরে বিধ্বস্ত ইজিপ্টএয়ারের খোঁজে মিসরের নৌ হাজাজ। ছবিটি একটি মিসরের সামরিক বাহিনীর পাঠানো একটি ভিডিও ফুটেজ থেকে নেওয়া। ছবি: রয়টার্স |
ভূমধ্যসাগরে
বিধ্বস্ত ইজিপ্ট এয়ারের বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পেয়েছে মিসরের উদ্ধারকারী
দল। দলটির মুখপাত্র জানান, মিসরের উপকূলীয় শহর আলেকজান্দ্রিয়া থেকে ২৯০
কিলোমিটার উত্তরে সাগরে বিধ্বস্ত বিমানটির যাত্রীদের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ও
এয়ারবাস এ-৩২০–এর কিছু অংশ ভাসতে দেখা গেছে। ফ্রান্সের প্যারিস থেকে ৬৬
জন আরোহী নিয়ে মিসরের কায়রো যাওয়ার পথে বিধ্বস্ত হয় মিসরের ওই
যাত্রীবাহী বিমানটি। উড়োজাহাজটি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর কয়েক ঘণ্টা
অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটে। পরে ভূমধ্যসাগরে কারপাথোস দ্বীপের কাছে এর
ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেল। গত বুধবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৯ মিনিটে বিমানটি
প্যারিসের শার্ল দ্য গল বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। মিসরের স্থানীয়
সময় বুধবার দিবাগত ভোররাত ৩টা ১৫ মিনিটে কায়রো পৌঁছানোর কথা ছিল এটির।
মিসরের বিমান পরিবহনমন্ত্রী গতকাল বৃহস্পতিবার বলেন, বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার
পেছনে যান্ত্রিক ত্রুটির চেয়ে সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কাই বেশি করছেন। তবে
ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন মার্ক আয়রাল্ট বলেন, কেন ফ্লাইটটি নিচে
নেমে এল তার ‘সুনির্দিষ্ট কোনো ইঙ্গিত’ নেই। তিনি অ্যানটেনা টেলিভিশনকে
বলেন, ‘আমরা সব ধরনের আশঙ্কা খতিয়ে দেখছি। কেননা আমাদের কাছে সুস্পষ্ট
কোনো ইঙ্গিত নেই।’ গ্রিসের বেসামরিক বিমান পরিবহনমন্ত্রী কনসটানটিনোস
লিতজেরাকোস বলেন, বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার আগে সর্বশেষ পাইলট যখন যোগাযোগ
করেছিলেন, তখনো কোনো সমস্যা নেই বলে জানিয়েছিলেন; ফ্লাইটটি নির্দিষ্ট
গতিপথেই ছিল। তিনি বলেন, ‘ফ্লাইট কন্ট্রোলার যখন পাইলটের সঙ্গে যোগাযোগ
করেন, তখন বিমানটি ৩৭ হাজার ফুট (এথেন্সের কাছে) ওপরে ছিল...তিনি কোনো
সমস্যার কথা বলেননি।’ মিসর ও গ্রিসের উদ্ধারকারী দল বিমান ও নৌ জাহাজের
মাধ্যমে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে তাদের সহায়তা করতে
যুক্তরাষ্ট্র একটি বিমান পাঠিয়েছে। তারা আশা করছে ফ্রান্সও তাদের সঙ্গে
যোগ দেবে। এর আগে গত ২৯ মার্চ ইজিপ্ট এয়ারের একটি বিমান ছিনতাই করে
সাইপ্রাসে নিয়ে যান এক ব্যক্তি। সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতেই তিনি ওই
কাণ্ড ঘটান বলে পরে জানা গিয়েছিল।

No comments:
Post a Comment