![]() |
| রাজধানীর একটি হোটেলে গত সোমবার সনদধারী সিএ ফার্ম কেপিএমজি আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা l ছবি: কেপিএমজি |
বাংলাদেশ
ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরির ঘটনা দেশের পুরো
আর্থিক খাতের জন্য একটি ওয়েকআপ কল বা সতর্কবার্তা। এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে
আর্থিক খাতের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করছে।
সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা
বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মো. রাজি হাসান। সনদধারী
হিসাববিদ (সিএ) ফার্ম কেপিএমজি রাজধানীর একটি হোটেলে গত সোমবার এ
সেমিনারের আয়োজন করে। কেপিএমজি বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ অংশীদার আদিব এইচ খান
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন। সেমিনারে সাইবার ঝুঁকির প্রবণতা, সাইবার
সুশাসনের বিভিন্ন বিষয়ে উপস্থাপনা দেন কেপিএমজি ইন্ডিয়ার কর্মকর্তা কুনাল
পাণ্ডে ও অতুল গুপ্তা এবং কেপিএমজি বাংলাদেশের শাহেদুর রহমান। সাইবার
সুশাসনের বিষয়ে উপস্থাপনায় বলা হয়, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের যুগে ব্যাংক
ব্যবস্থাপনায় সাইবার ঝুঁকির বিষয়টি মেনে নিয়েই কাজ করতে হবে। বর্তমান সময়ের
পাশাপাশি ভবিষ্যতের সাইবার হামলার ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা অর্জন করাও
জরুরি। উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সাইবার ঝুঁকি শনাক্ত করতে কী
ধরনের অবকাঠামোগত পরিবর্তন ব্যাংক খাতের প্রয়োজন, সে বিষয়টিও উপস্থাপনায়
তুলে ধরা হয়।
আবু হেনা মো. রাজি হাসান বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কর্মকাণ্ড, ভাবমূর্তি ও আইনগত বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত। সেই নিরাপত্তা কোনো কারণে ভেঙে পড়লে প্রতিষ্ঠানকে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকে যে ঘটনা ঘটেছে, সেটি পুরো আর্থিক খাতের জন্যই একটি সতর্কবার্তা। আর্থিক খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের অধীনে একটি সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।
আদিব এইচ খান বলেন, জনগণের কষ্টার্জিত আমানতের রক্ষক হিসেবে ব্যাংক খাতের জন্য সাইবার নিরাপত্তা একটি বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানির প্রতিনিধি ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।
আবু হেনা মো. রাজি হাসান বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কর্মকাণ্ড, ভাবমূর্তি ও আইনগত বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টি জড়িত। সেই নিরাপত্তা কোনো কারণে ভেঙে পড়লে প্রতিষ্ঠানকে বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকে যে ঘটনা ঘটেছে, সেটি পুরো আর্থিক খাতের জন্যই একটি সতর্কবার্তা। আর্থিক খাতের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের অধীনে একটি সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলছে।
আদিব এইচ খান বলেন, জনগণের কষ্টার্জিত আমানতের রক্ষক হিসেবে ব্যাংক খাতের জন্য সাইবার নিরাপত্তা একটি বড় মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানির প্রতিনিধি ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment