মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে (জানুয়ারি-মার্চ) ৫১ কোটি
বর্গমিটারের সমপরিমাণ কাপড়ের তৈরি পোশাক রপ্তানির মাধ্যমে ১৪৫ কোটি ডলার আয়
করেছে বাংলাদেশ। এই আয় গত বছরের একই সময়ে অর্জিত ১৩৯ কোটি ডলারের চেয়ে ৪
দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি। অবশ্য চলতি বছরের জানুয়ারিতে বাজারটিতে বাংলাদেশের
পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ১১ দশমিক ৩১ শতাংশ। ফেব্রুয়ারি শেষে তা
কমে ৮ দশমিক ৪৬ শতাংশে নেমে আসে। তার মানে, জানুয়ারির চেয়ে মার্চে এসে
প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ কমে গেছে। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের অফিস অব
টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা) গত সপ্তাহে বিভিন্ন দেশ থেকে
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক আমদানির হালনাগাদ এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। এতে
দেখা যায়, চলতি ২০১৬ সালের প্রথম তিন মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে
যুক্তরাষ্ট্রের ব্র্যান্ড ও ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানগুলো ৬৩৪ কোটি বর্গমিটারের
সমপরিমাণ কাপড়ের পোশাক আমদানি করেছে, যার মূল্য ১ হাজার ৯৩০ কোটি ডলার। তবে
অর্থের হিসাবে ২০১৫ সালের জানুয়ারি-মার্চ সময়ের ১ হাজার ৯৭২ কোটি ডলারের
চেয়ে এবার ২ দশমিক ১৪ শতাংশ পোশাক কম আমদানি করেছে দেশটি। যুক্তরাষ্ট্রে
শীর্ষ পাঁচ পোশাক রপ্তানিকারক দেশের মধ্যে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে আছে।
প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে যথাক্রমে চীন ও ভিয়েতনাম। এর মধ্যে চীন বছরের
প্রথম তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ৬০৯ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি
করেছে। আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে তাদের রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক, ৫
দশমিক ৯৪ শতাংশ। একই সময়ে ভিয়েতনাম রপ্তানি করেছে ২৫৭ কোটি ডলারের পোশাক।
তাদের রপ্তানি অবশ্য গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ বেশি।
জানতে চাইলে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি ফারুক
হাসান গত সপ্তাহে প্রথম আলোকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবৃদ্ধি
কিছুটা কম হলেও শঙ্কার কোনো কারণ দেখছি না। সব বাজারেই পোশাক রপ্তানি
ওঠানামার মধ্যে থাকে। এটি স্বাভাবিক।’
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভিয়েতনাম ধারাবাহিকভাবে ভালো করলেও বাংলাদেশ কেন পারছে না—এমন প্রশ্নের উত্তরে ফারুক হাসান বলেন, ‘ভিয়েতনামের সঙ্গে পারছি না, এটি সত্য। তবে অন্য একটি বিষয় আছে এখানে। ভিয়েতনামের পোশাক খাতের অধিকাংশ উদ্যোক্তাই চীনের। তাই মুনাফার একটি বড় অংশই কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভিয়েতনাম থেকে চীনে চলে যায়। অন্যদিকে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের অধিকাংশ ব্যবসায়ীই দেশি। ফলে খাতটি থেকে অর্জিত মুনাফা দেশেই থাকে।’ যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে আছে যথাক্রমে ইন্দোনেশিয়া ও ভারত। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া আলোচ্য তিন মাসে রপ্তানি করেছে ১২৫ কোটি ডলারের পোশাক। তাদের প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক। ভারতের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ১০৭ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে এবার দেশটির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। ষষ্ঠ অবস্থানে মেক্সিকো, রপ্তানি করেছে ৮০ কোটি ডলারের পোশাক। এ ছাড়া শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান গত জানুয়ারি-মার্চ সময়ে যথাক্রমে ৫৩ ও ৩০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। দুই দেশেরই প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক।
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভিয়েতনাম ধারাবাহিকভাবে ভালো করলেও বাংলাদেশ কেন পারছে না—এমন প্রশ্নের উত্তরে ফারুক হাসান বলেন, ‘ভিয়েতনামের সঙ্গে পারছি না, এটি সত্য। তবে অন্য একটি বিষয় আছে এখানে। ভিয়েতনামের পোশাক খাতের অধিকাংশ উদ্যোক্তাই চীনের। তাই মুনাফার একটি বড় অংশই কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভিয়েতনাম থেকে চীনে চলে যায়। অন্যদিকে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের অধিকাংশ ব্যবসায়ীই দেশি। ফলে খাতটি থেকে অর্জিত মুনাফা দেশেই থাকে।’ যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে আছে যথাক্রমে ইন্দোনেশিয়া ও ভারত। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া আলোচ্য তিন মাসে রপ্তানি করেছে ১২৫ কোটি ডলারের পোশাক। তাদের প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক। ভারতের পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ১০৭ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ের চেয়ে এবার দেশটির প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ। ষষ্ঠ অবস্থানে মেক্সিকো, রপ্তানি করেছে ৮০ কোটি ডলারের পোশাক। এ ছাড়া শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান গত জানুয়ারি-মার্চ সময়ে যথাক্রমে ৫৩ ও ৩০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। দুই দেশেরই প্রবৃদ্ধি ঋণাত্মক।

No comments:
Post a Comment