![]() |
| গোলের পর সুয়ারেজের উচ্ছ্বাস |
গতকালের
আগে এই শতাব্দীতে স্প্যানিশ ফুটবলে এ কীর্তিটা ছিল শুধু লিওনেল মেসি আর
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর। লা লিগায় এক মৌসুমে ৩৫ বা এর চেয়ে বেশি গোল তাঁরা
দুজনেই করেছেন তিনবার করে। এর আগে একবার করে এ কীর্তি গড়েছেন সাবেক রিয়াল
মাদ্রিদ স্ট্রাইকার হুগো সানচেজ, অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বালতাজার ও
অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের তেলমো জারা। কাল রিয়াল বেটিসের বিপক্ষে গোল করে
অভিজাত এই তালিকায় নাম উঠালেন লুইস সুয়ারেজও। এ মৌসুমে লা লিগায় ৩৩ ম্যাচে
৩৫ গোল হলো উরুগুইয়ান স্ট্রাইকারের। মেসির পর দ্বিতীয় বার্সা খেলোয়াড়
হিসেবে লিগে এক মৌসুমে ৩৫ গোল করলেন সুয়ারেজ, সব মিলিয়ে লা লিগায় ষষ্ঠ।
সুয়ারেজের আগে ইভান রাকিতিচের আরও এক গোল মিলিয়ে বেটিসের বিপক্ষে ম্যাচটাও
বার্সেলোনা জিতেছে ২-০ ব্যবধানে। যদিও দেপোর্তিভো বা স্পোর্টিং গিজনের
বিপক্ষে সর্বশেষ দুই ম্যাচে যে বিধ্বংসী বার্সাকে দেখা গিয়েছিল এ ম্যাচে
তার ধারে–কাছেও ছিল না তারা। তবে ৩৬ ম্যাচে ৮৫ পয়েন্ট নিয়ে শিরোপার খুব
কাছে চলে এসেছে লুইস এনরিকের দল। আরও কাছে, তবে একটুও স্বস্তিতে নেই
বার্সা। একই রাতে রিয়াল মাদ্রিদ ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ নিজেদের ম্যাচ দুটো
জেতায় শিরোপা লড়াইয়ে গায়ে গা লেগে আছে তিনটি দলেরই। সমান ম্যাচে ৮৫ পয়েন্ট
অ্যাটলেটিকোরও, তবে মুখোমুখি লড়াইয়ে বার্সার চেয়ে পিছিয়ে তারা। ৮৪ পয়েন্ট
নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ অপেক্ষা করছে অন্যদের পা ফসকানোর। এত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
হচ্ছে বলেই কি শেষ মুহূর্তে এসে বার্সেলোনার চাপটা একটু বেড়ে গেল? লুইস
এনরিকে কিন্তু তা মনে করেন না। বরং এখন সবকিছুই বার্সেলোনার হাতে বলে মনে
করেন তিনি, ‘তিনটি দলেরই এখনো শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা আছে। আমার মনে হয় না
অন্য দুটি দল ভুল করবে। সুতরাং সেই অপেক্ষায় না থেকে আমাদেরই নিজেদের কাজটা
করতে হবে।’ অন্য দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে এদিন বেটিসের মাঠে
বার্সেলোনাকেই একটু বেশি ক্লান্ত লেগেছে। ৩৫ মিনিটেই দ্বিতীয় হলুদ কার্ড
দেখে মাঠ ছেড়ে যেতে হয়েছে বেটিস ডিফেন্ডার হেইকো ওয়েস্টারমানকে। কিন্তু
প্রতিপক্ষ ১০ জনের দল হয়ে যাওয়ার পরও খুব একটা সুযোগ নিতে পারেনি বার্সা।
কোচ লুইস এনরিকে অবশ্য ক্লান্তির গুজব-টুজব সব উড়িয়ে দিয়েছেন, ‘এখন তো দেখা
যাচ্ছে বার্সেলোনা ৮-০ গোলে না জিতলেই বলা হচ্ছে, আমরা খারাপ খেলেছি!
আমাদের তো এটা মনে রাখতে হবে, এটা খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ একটা লিগ।’
এএফপি।

No comments:
Post a Comment