ভারতের
প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকারের আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ
আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, সে দেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা। সে সময় অনেকে বলেছিলেন, ভারত থেকে দেশে ফিরলে বিভিন্ন কথা হবে।
কিন্তু শেখ হাসিনা বলেছেন, না। মুক্তিযুদ্ধে এ দেশ আমাদের পাশে ছিল। সুতরাং
লন্ডন থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে ফিরবো এবং তিনি সেটাই করেছেন। তাই ভারতের
প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে হবে।
মঙ্গলবার শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, ঘাতকরা যখন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে তখন শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা জার্মানি ছিলেন। এরপর তিনি (শেখ হাসিনা) লন্ডনে আসেন। আওয়ামী লীগ তখন ছিল ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন। সে সময় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সুশৃঙ্খল হয়।
শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিলো। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু নির্মাণে হাত দিয়েছেন। এ সেতুর নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে। আসলে শেখ হাসিনা বাপের বেটি। তিনি ভাঙবেন, তবু মচকাবেন না।
শেখ সেলিম আরো বলেন, তিনি (শেখ হাসিনা) অসম্ভব কাজকে সম্ভব করে যাচ্ছেন। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি কার্যকর না করার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরি শেখ হাসিনাকে ফোন করেছিলেন। তারপরও শেখ হাসিনা ফাঁসি কার্যকর করেছেন।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে নানা আয়োজন: এদিকে দেশব্যাপি মিলাদ মাহফিল, শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।
দিবসটিতে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে ছাত্রলীগ। সকালে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ও আশেপাশের এলাকা পদক্ষিণ শেষে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল বাছেদ গালিব, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক লালন, সাংগঠনিক শরিফুল ইসলাম ফারুক, দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শাহাজাদা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি বায়েজিদ আহমেদ খান, ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ আরাফাত, গোলাম মোস্তফা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের কনফারেন্স রুমে ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
সংগঠনের সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুলের সভাপতিত্বে বুদ্ধিজীবীরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা শেষে শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও দেশ-জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এ কথা বলেন। দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিমের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, ঘাতকরা যখন বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে তখন শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানা জার্মানি ছিলেন। এরপর তিনি (শেখ হাসিনা) লন্ডনে আসেন। আওয়ামী লীগ তখন ছিল ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন। সে সময় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সুশৃঙ্খল হয়।
শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছিলো। সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু নির্মাণে হাত দিয়েছেন। এ সেতুর নির্মাণ কাজ ইতিমধ্যে অনেক দূর এগিয়েছে। আসলে শেখ হাসিনা বাপের বেটি। তিনি ভাঙবেন, তবু মচকাবেন না।
শেখ সেলিম আরো বলেন, তিনি (শেখ হাসিনা) অসম্ভব কাজকে সম্ভব করে যাচ্ছেন। যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি কার্যকর না করার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরি শেখ হাসিনাকে ফোন করেছিলেন। তারপরও শেখ হাসিনা ফাঁসি কার্যকর করেছেন।
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে নানা আয়োজন: এদিকে দেশব্যাপি মিলাদ মাহফিল, শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সংগঠন।
দিবসটিতে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করে ছাত্রলীগ। সকালে ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে শোভাযাত্রাটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ও আশেপাশের এলাকা পদক্ষিণ শেষে টিএসসির রাজু ভাস্কর্যের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
শোভাযাত্রায় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আব্দুল বাছেদ গালিব, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক লালন, সাংগঠনিক শরিফুল ইসলাম ফারুক, দপ্তর সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন শাহাজাদা, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি বায়েজিদ আহমেদ খান, ছাত্রলীগ নেতা সৈয়দ আরাফাত, গোলাম মোস্তফা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদ বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদের কনফারেন্স রুমে ‘জননেত্রী শেখ হাসিনা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে।
সংগঠনের সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুলের সভাপতিত্বে বুদ্ধিজীবীরা আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা শেষে শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও দেশ-জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

No comments:
Post a Comment