রায়ান
আর সায়ান দুই ভাই। দুই বছরের ছোট বড় এই ছেলেকে নিয়ে ওদের বাবা-মা সারাক্ষণ
ব্যস্ত তো থাকেনই, উদ্বিগ্নও থাকেন। কারণ দুই ভাই সারাক্ষণ দুষ্টুমি করে
বাড়ি মাতিয়ে রাখে। ওদের পড়াশোনা, কোচিং, খেলাধুলা নিয়ে সারা দিন ছুটতে তো
হয়ই, সেই সাথে দুষ্টুমিও সামলাতে হয়। এর মধ্যে রায়ান একটু শান্ত কিন্তু
সায়ান খুব অস্থির। শিশুরা সবাই এক রকম হয় না তাই প্রতিটি শিশুর আচরণের ওপর
নির্ভর করে, তাদের ওপর কতটা মনোযোগ দিতে হবে। কিভাবে ওদের মনোজগতের
পরিচর্যা করতে হবে। শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য অভিভাবকদের যতœশীল হতে হবে।
এর জন্য একক কোনো মানদণ্ড নেই। শিশুর মনোস্তত্ত্ব অনুযায়ী, তাকে সবকিছু
শেখাতে হবে। তবে শিশুর মানসিক বিকাশের জন্য কয়েকটি বিষয়ের দিকে লক্ষ রাখা
প্রয়োজন। হ কোন বিষয়ে শিশুর আগ্রহ সেটি প্রথমেই বুঝতে হবে। তারা যা করতে
পছন্দ করে সেভাবেই করতে দিতে হবে। নিজের ইচ্ছে অনিচ্ছা জোর করে শিশুর ওপর
চাপিয়ে দেয়া থেকে অভিভাবকদের বিরত থাকতে হবে। বরং ওরা যেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে
তাদের কাজগুলো করতে পারে সে জন্য সহযোগিতা করুন। শিশুরা বাড়িতে আনন্দ
নিয়ে আসে। বাবা মায়ের জীবনকে আনন্দে ভরিয়ে দেয়।
তাই তাদের জীবনকেও স্নেহ ও আনন্দে ভরিয়ে রাখার চেষ্টা করার দায়িত্ব অভিভাবকদের। ওদের জন্য বাড়ির পরিবেশকে সুন্দর ও নিরাপদ করে তুলুন। শিশুদের বেশি আদর দিলে তারা বখে যায়Ñ এমন কথা অনেকেই বলেন কিন্তু বাস্তবটা হলো স্নেহের কোনো বিকল্প নেই। স্নেহ দিয়ে ওদের বোঝাতে হবে কোনটা তারা করবে আর কোনটা করবে না। সেই সাথে চাওয়া মাত্র কোনো কিছু দেয়া থেকে বিরত থাকুন। শিশুদের শিশুর মতোই থাকতে দিন। এটাতেই ওদের স্বাভাবিকতা বজায় থাকবে। কথাবার্তা, আচরণ, পোশাক সবকিছুতেই শিশুসুলভ অভ্যাস যেন গড়ে ওঠে সেদিকে লক্ষ রাখুন। শিশুরা দুষ্টুমি করবেই। কিন্তু সেজন্য যেন কারো ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ রাখুন।
সে ব্যাপারে তাকে সচেতন করে দেয়াটাও আপনার কাজ। আর যদি কখনো অন্যায় কিছু করেও ফেলে তার জন্য ওকে ক্ষমা চেয়ে নিতে শেখান। শিশুরা প্রতিদিন যেন কিছুটা ছুটোছুটি করে খেলতে পারে সে ব্যবস্থা করে দিন। কারণ খেলাধুলা করাটা যেমন ওদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তেমনি খেলাধুলায় থাকলে শিশুরা দুষ্টুমি কম করবে। সব সময় শিশুদের শাসন করবেন না। এতে শিশুরা বেশি জেদি হয়ে যায়। তাই ওদের বুঝিয়ে বলুন, ওদের ভুলগুলো শুধরে দিন। ছোটবেলা থেকে শিশুকে বাড়ির ছোটখাটো কাজ শেখান। ও যতটুকু কাজ করুক, তার জন্য ওকে প্রশংসা করুন। ছোটখাটো পুরস্কারও দিতে পারেন। এভাবে শিশুর মধ্যে দায়িত্ববোধ গড়ে তুললে সহজে ওরা ক্ষতিকর কোনো কাজ করবে না। ছোটবেলা থেকেই শিশুকে ভালো ম্যানার্স শিক্ষা দিন। সময়ের কাজ সময়ে করা, বড়দের সম্মান করা, নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখা, অন্যদের সাথে ভালো ব্যবহার করা এসব বিষয় ছোট থেকেই শিশুদের শেখান তাহলেই ওরা সুন্দরভাবে বড় হয়ে উঠবে।
তাই তাদের জীবনকেও স্নেহ ও আনন্দে ভরিয়ে রাখার চেষ্টা করার দায়িত্ব অভিভাবকদের। ওদের জন্য বাড়ির পরিবেশকে সুন্দর ও নিরাপদ করে তুলুন। শিশুদের বেশি আদর দিলে তারা বখে যায়Ñ এমন কথা অনেকেই বলেন কিন্তু বাস্তবটা হলো স্নেহের কোনো বিকল্প নেই। স্নেহ দিয়ে ওদের বোঝাতে হবে কোনটা তারা করবে আর কোনটা করবে না। সেই সাথে চাওয়া মাত্র কোনো কিছু দেয়া থেকে বিরত থাকুন। শিশুদের শিশুর মতোই থাকতে দিন। এটাতেই ওদের স্বাভাবিকতা বজায় থাকবে। কথাবার্তা, আচরণ, পোশাক সবকিছুতেই শিশুসুলভ অভ্যাস যেন গড়ে ওঠে সেদিকে লক্ষ রাখুন। শিশুরা দুষ্টুমি করবেই। কিন্তু সেজন্য যেন কারো ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ রাখুন।
সে ব্যাপারে তাকে সচেতন করে দেয়াটাও আপনার কাজ। আর যদি কখনো অন্যায় কিছু করেও ফেলে তার জন্য ওকে ক্ষমা চেয়ে নিতে শেখান। শিশুরা প্রতিদিন যেন কিছুটা ছুটোছুটি করে খেলতে পারে সে ব্যবস্থা করে দিন। কারণ খেলাধুলা করাটা যেমন ওদের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো, তেমনি খেলাধুলায় থাকলে শিশুরা দুষ্টুমি কম করবে। সব সময় শিশুদের শাসন করবেন না। এতে শিশুরা বেশি জেদি হয়ে যায়। তাই ওদের বুঝিয়ে বলুন, ওদের ভুলগুলো শুধরে দিন। ছোটবেলা থেকে শিশুকে বাড়ির ছোটখাটো কাজ শেখান। ও যতটুকু কাজ করুক, তার জন্য ওকে প্রশংসা করুন। ছোটখাটো পুরস্কারও দিতে পারেন। এভাবে শিশুর মধ্যে দায়িত্ববোধ গড়ে তুললে সহজে ওরা ক্ষতিকর কোনো কাজ করবে না। ছোটবেলা থেকেই শিশুকে ভালো ম্যানার্স শিক্ষা দিন। সময়ের কাজ সময়ে করা, বড়দের সম্মান করা, নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখা, অন্যদের সাথে ভালো ব্যবহার করা এসব বিষয় ছোট থেকেই শিশুদের শেখান তাহলেই ওরা সুন্দরভাবে বড় হয়ে উঠবে।

No comments:
Post a Comment