ডায়রিয়ায়
বড়দের চেয়ে শিশুরাই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শিশুরা দিনে তিনবার বা তার বেশি
পাতলা পায়খানা করলে বোঝা যায় তার ডায়রিয়া হয়েছে। শিশুদের শরীরে পানির
পরিমাণ বড়দের চেয়ে বেশি। তাই ডায়রিয়ায় পানিস্বল্পতা দূর করতে হয় দ্রুত।
বাংলাদেশের শিশুরা যে কয়টি মারাত্মক রোগে শৈশবে মারা যায় তার মধ্যে ডায়রিয়া
প্রধান। এ দেশে একটি শিশু বছরে গড়ে পাঁচ-সাতবার এ রোগে আক্রান্ত হয়। ১
ঘণ্টার মধ্যে কয়েকবার পাতলা পায়খানা হলে কিংবা পায়খানার সাথে রক্ত গেলে
শিশুর জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ১ ঘণ্টার মধ্যে কয়েকবার পায়খানা এবং
সাথে বমি হলে তা কলেরার লক্ষণ। কলেরা হলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই শিশু মারা
যায়। ধারণা রয়েছে তরল খাবার খেলে ডায়রিয়া বাড়ে। এ ধারণা ভুল এবং শিশুর
জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ডায়রিয়া বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত শিশুকে ঘন ঘন তরল
খাবার খাওয়াতে হবে। এ সময় শিশুকে দেয়া পানি নিরাপদ হতে হবে। পানি নিরাপদ না
হওয়ার আশঙ্কা থাকলে তা ফুটিয়ে বা ফিল্টারে ছেঁকে দিতে হবে। মা শিশুকে
স্বাভাবিকের চেয়ে একটু ঘন ঘন বুকের দুধ দেবেন। এ ছাড়া চামচে করে স্যুপ,
ভাতের মাড়, টাটকা ফলের রস, অল্প চিনি দিয়ে পাতলা চা, ডাবের পানি দেবেন। এর
সাথে খাবার স্যালাইন অবশ্যই দেবেন কিছু সময় পর পর। বমি করে ফেলে দিলে
কিছুক্ষণ পরে আবার দেবেন। ঘরে তৈরি স্যালাইনে চিনি ও লবণ মেশানোর পরিমাণ
অবশ্যই সঠিক মাত্রায় হতে হবে। এ ক্ষেত্রে এক লিটার নিরাপদ পানিতে চার চা
চামচ চিনি ও আধা চা চামচ লবণ ভালো করে গুলে স্যালাইন তৈরি করা যায়। খাবার
স্যালাইন দেয়ার পরিমাণের ক্ষেত্রেও খেয়াল রাখতে হবে।
- ছোট শিশুকে যত বেশি সম্ভব তত বেশি খাওয়ানো যায়।
- দুই বছরের কম বয়সী শিশুকে প্রতিবার পাতলা পায়খানা করার পর বড় কাপের কমপক্ষে ১/৪ কাপ থেকে ১/২ কাপ।
- দুইয়ের বেশি বয়সী শিশুকে প্রতিবার পাতলা পায়খানা করার পর বড় কাপের কমপক্ষে আধা কাপ থেকে ১ কাপ পর্যন্ত স্যালাইন খাওয়াতে হবে। ডায়রিয়া সাধারণত তিন-চার দিনে থেমে যায়; কিন্তু এক সপ্তাহ পরও ডায়রিয়া বন্ধ না হলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী বা ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ট্যাবলেট, অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য ওষুধ দেয়া যেতে পারে। ডায়রিয়া বন্ধ হওয়ার পর শিশুকে পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য পরবর্তী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত স্বাভাবিকের চেয়ে কিছু বাড়তি খাবার দিতে হবে। ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ খাবার শিশুকে সুস্থ হয়ে উঠতে সাহায্য করে বলে বুকের দুধ, দুগ্ধজাত খাদ্য, মাছ, কলিজা, ফলের রস, সবুজ শাকসবজি (১/২ চামচ তেল দিয়ে রেধে) দিনে পাঁচ-ছয়বার দিতে হবে।
- ছোট শিশুকে যত বেশি সম্ভব তত বেশি খাওয়ানো যায়।
- দুই বছরের কম বয়সী শিশুকে প্রতিবার পাতলা পায়খানা করার পর বড় কাপের কমপক্ষে ১/৪ কাপ থেকে ১/২ কাপ।
- দুইয়ের বেশি বয়সী শিশুকে প্রতিবার পাতলা পায়খানা করার পর বড় কাপের কমপক্ষে আধা কাপ থেকে ১ কাপ পর্যন্ত স্যালাইন খাওয়াতে হবে। ডায়রিয়া সাধারণত তিন-চার দিনে থেমে যায়; কিন্তু এক সপ্তাহ পরও ডায়রিয়া বন্ধ না হলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মী বা ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে ট্যাবলেট, অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য ওষুধ দেয়া যেতে পারে। ডায়রিয়া বন্ধ হওয়ার পর শিশুকে পরিপূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য পরবর্তী দুই সপ্তাহ পর্যন্ত স্বাভাবিকের চেয়ে কিছু বাড়তি খাবার দিতে হবে। ভিটামিন এ ক্যাপসুল এবং অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ উপাদান সমৃদ্ধ খাবার শিশুকে সুস্থ হয়ে উঠতে সাহায্য করে বলে বুকের দুধ, দুগ্ধজাত খাদ্য, মাছ, কলিজা, ফলের রস, সবুজ শাকসবজি (১/২ চামচ তেল দিয়ে রেধে) দিনে পাঁচ-ছয়বার দিতে হবে।

No comments:
Post a Comment