নারায়ণগঞ্জের
পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে
লাঞ্ছিত করার ঘটনায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রশাসন গঠিত তদন্ত কমিটির
প্রতিবেদন ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। আগামী ৮ই জুনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক তদন্ত
প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এ সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা
দিতে না পারলে ব্যবস্থা নেয়ার কথাও জানিয়েছে হাইকোর্ট। আজ বিচারপতি মইনুল
ইসলাম চৌধুরী ও ইকবাল কবিরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। গত ১৮ই মে ওই ঘটনা
তদন্তে পৃথক দুটি কমিটি গঠন করে তদন্ত করতে স্বপ্রণোদিত রায় দিয়েছিল
হাইকোর্ট। এর ভিত্তিতে গত ২৬শে মে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত কমিটি
প্রতিবেদন জমা দেয়। এতে বলা হয়, শ্যামল কান্তি ধর্ম অবমাননা করেছেন তার কোন
প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে আজ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট
থানার ওসির পক্ষ থেকে প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়। এ প্রতিবেদনে অসন্তোষ প্রকাশ
করে আদালত বলেছে, শিক্ষক লাঞ্ছনায় কি ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে তা জানিয়ে আগামী
৮ই জুনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। এ প্রতিবেদন পেলে ৯ই জুন
এর ওপর শুনানি হবে। শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার
অভিযোগ এনে তাকে কান ধরে উঠবস করান সদর আসনের এমপি সেলিম ওসমান। তার দাবি
জনতার রোষ থেকে শ্যামল কান্তিকে বাঁচাতে তিনি এ কাজ করেছেন। শ্যামল কান্তি
ধর্ম অবমাননা করেছেন এর প্রমাণ আছে বলেও দাবি করেন সেলিম ওসমান। ঘটনার জন্য
দুঃখ প্রকাশ করলেও তিনি ক্ষমা চাইবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। এদিকে
এমপি সেলিম ওসমানের পক্ষ নিয়ে স্থানীয় ওলামা পরিষদ শিক্ষক শ্যামল কান্তির
ফাঁসি দাবি করেছে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment