![]() |
| সংস্কারের জন্য দক্ষিণখানের প্রধান সড়কটি এভাবে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। ছবি: প্রথম আলো |
আবদুল্লাহপুর
থেকে উত্তরখান যাওয়ার মূল সড়কের আঁটিপাড়া থেকে মাস্টারবাড়ী পর্যন্ত অংশ
সম্পূর্ণ বন্ধ করে সড়ক সংস্কারের কাজ হচ্ছে। ফলে বিকল্প পথে যাতায়াতে বাড়তি
দূরত্ব পেরোতে হচ্ছে। অলিগলি ও ভাঙাচোরা বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করায় চরম
দুর্ভোগে পড়েছে এলাকাবাসী। ঠিকাদারদের দাবি, দ্রুত কাজ করার সুবিধার্থে
সম্পূর্ণ সড়ক বন্ধ রাখা হয়েছে। রাস্তা সংস্কারের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইপিক
বিল্ডার্সের সাব কন্ট্রাক্টর মো. নাগর প্রথম আলোকে বলেন, মাস্টারবাড়ী থেকে
আঁটিপাড়া পর্যন্ত ১ হাজার ৫১০ মিটার, কলাবাগানে ২০০ মিটার এবং তৈয়রমুখে ১৫০
মিটার পথ ৫ দশমিক ৫ মিটার প্রস্থের ৭৫ সিসি এবং ২৫০ আরসিসি ঢালাইয়ের
মাধ্যমে সংস্কারের কাজ চলছে। ইতিমধ্যে কলাবাগান ও তৈয়রমুখে সংস্কারের কাজ
শেষ। সম্পূর্ণ সড়ক বন্ধ করে কেন কাজ করা হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কাজ
করার সুবিধার্থে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এতে করে খুব দ্রুত আমরা
সংস্কারের কাজ শেষ করতে পারব।’ এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিকল্প সড়ক দিয়ে
আবদুল্লাহপুর যেতে প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ বেশি ঘুরতে হয়। ফলে ১৫ টাকার
রিকশা ভাড়া বেড়ে হয়েছে ২৫ টাকা। মো. ইব্রাহিম নামের এক বাসিন্দা বলেন,
একবার যাওয়া-আসা করলেই বাড়তি ২০ টাকা খরচ হচ্ছে। তা ছাড়া বিকল্প রাস্তাটি
অনেক খারাপ।
রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ভাঙাচোরা, গর্ত। এ ছাড়া কোথাও কোথাও
রাস্তা অনেক সরু। রাস্তা বন্ধ করায় সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন মাস্টারবাড়ী
ও আঁটিপাড়ার বাসিন্দারা। তাঁরা বলেন, আগে গলি থেকে বের হয়ে মূল সড়কে এলেই
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পাওয়া যেত। রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ার কারণে কোথাও
যেতে চাইলে মাস্টারবাড়ী অথবা আঁটিপাড়া মোড় পর্যন্ত হেঁটে যেতে হচ্ছে।
এলাকার এক শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগে সাইকেলে করে স্কুলে যেতাম।
এখন এত দূর রাস্তা হেঁটে যেতে হয়। রাস্তা এমনভাবে বন্ধ করা হয়েছে যে হাঁটতে
পর্যন্ত কষ্ট হয়।’ মাস্টারবাড়ী এলাকার বাসিন্দা বাতেন মিয়া বলেন, তারা
নিজেদের কাজের সুবিধার জন্য রাস্তা বন্ধ করে কাজ করছে। তাতে এলাকাবাসীর যে
ভোগান্তিতে পড়েছে, সেদিকে কারও খেয়াল নেই। রাস্তার প্রস্থ অনেক, রাস্তাটিকে
দুই ভাগে ভাগ করে কাজ করতে পারত। এ বিষয়ে মো. নাগর বলেন, ‘রাস্তা
সংস্কারের কাজ চলছে, একটু তো কষ্ট করতেই হবে। তা ছাড়া এক সপ্তাহের মতো আমরা
এ বিষয়ে মাইকিং করেছি।’ তিনি বলেন, সড়ক সংস্কারের কাজ শেষ হতে মাস খানেক
সময় লাগবে।

No comments:
Post a Comment