![]() |
| ডিএনএ |
হাজার
হাজার বছর যাতে তথ্য নিরাপদে সংরক্ষণ করে রাখা যায়, এর ব৵ বস্থা নিচ্ছে
প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট। ডিএনএর মধ্যে তথ্য সংরক্ষণ করে রাখার
পদ্ধতি ব্যবহার করতে যাচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম সফটওয়্যার নির্মাতা
প্রতিষ্ঠানটি। ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড বা ডিএনএ হচ্ছে একটি নিউক্লিক
এসিড, যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান টুইস্ট বায়োসায়েন্সের কাছ
থেকে ১০ মিলিয়ন দীর্ঘ অলিগোনিউক্লিওটাইডস (ডিএনএ ও আরএনএ অণু) কিনেছে।
ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ার্সের মতে,
মাইক্রোসফট তাদের তথ্য ডিএনএ নিউক্লিওটাইসে রূপান্তর করেছে। আর টুইস্ট
সিকোয়েন্সযোগ্য ১০ মিলিয়ন সিনথেটিক ডিএনএ তন্তু তৈরি করেছে। তবে এই তথ্যে
টুইস্টের ঢোকার কোনো ক্ষমতা নেই কারণ, এর কি বা চাবি শুধু মাইক্রোসফটের
কাছেই থাকবে। ডিএনএন সিকোয়েন্সিং করে কেবল মাইক্রোসফট এ তথ্য উদ্ধার করতে
পারবে। মাইক্রোসফটের সহযোগী আর্কিটেক্ট ডগ ক্যামেরন বলেন, শুরু হওয়ার
প্রাথমিক ধাপ হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি ডিজিটাল ডেটা থেকে সিনথেটিক ডিএনএতে
শতভাগ তথ্য এনকোড ও পুনরুদ্ধার করতে পারবে। এ নিয়ে বাণিজ্যিক কোনো পণ্য
তৈরির আগে আরও পথ পাড়ি দিতে হবে। গবেষকেরা দীর্ঘদিন ধরেই ডিএনএকে ডেটা
স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০১২ সালে স্ট্যানফোর্ড
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জীবন্ত কোষের মধ্যে রিরাইট করা যায়—এমন ডিএনএন
স্টোরেজ তৈরি করেছিলেন। সে বছর হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা এক
গ্রাম ডিএনএতে ৭০৪ টেরাবাইট তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম হন। তথ্যসূত্র:
এনগ্যাজেটস, আরসটেকনিকা।

No comments:
Post a Comment