যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা তৎপরতার নতুন
একটি দিক উন্মোচিত হয়েছে। দেশটির মাদক দমন বিভাগের গোপন একটি বিশেষ দল সড
নানা তদন্ত সংস্থা থেকে দেশটির নাগরিকদের ব্যাপারে সব ধরনের তথ্য ও বিপুল
পরিমাণ টেলিফোনে আড়ি পেতে কথাবার্তা সংগ্রহ করছে। তবে এসব সংগ্রহের পদ্ধতি
গোপন রাখা হচ্ছে। এতে দেশটির নাগরিকদের সুবিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হওয়ার
আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সডের দাবি, তাদের সংগৃহীত তথ্য দেশটির অপরাধ
নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার করা হবে। তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের কাছে আসা
কিছু তথ্য বিশ্লেষণ করে গতকাল সোমবার একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে,
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে এসব সংগৃহীত তথ্যে কোনো
সংশ্লিষ্টতা নেই। আর সবচেয়ে আশঙ্কার বিষয় হলো, এসব তথ্য কীভাবে সংগ্রহ
করা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য নেই। গোপন দলটির সদস্যদের পদ্ধতি ও উৎস
গোপন রেখে তথ্য সংগ্রহের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এমনকি তথ্য
সংগ্রহের জন্য ব্যবহারের পদ্ধতিটি না বলে বানোয়াট একটি পদ্ধতির কথা বলা
হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একজন বিবাদী তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে
না পারলে তাঁকে চ্যালেঞ্জ করে সুবিচার পাওয়ার পথ তাঁর থাকে না।
গোয়েন্দারা কোনো ব্যক্তিকে ফাঁদে ফেলেও তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে পারে। এ
বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক বিচারক ও হার্ভার্ড ল স্কুলের অধ্যাপক
ন্যান্সি গার্টনার বলেন, তাঁর কাছে বিষয়টি সম্পূর্ণ নতুন। যুক্তরাষ্ট্রের
প্রচলিত আইনেরও এটি পরিপন্থী। রয়টার্স।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment