![]() |
| ডোনাল্ড ট্রাম্প |
একসময় তাঁরা ছিলেন ১৭ জন। এক এক করে সব
ঝরে গিয়ে এখন একমাত্র যে প্রার্থী মাঠে দাঁড়িয়ে, তাঁর নাম ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মঙ্গলবার ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের প্রাইমারিতে ধরাশায়ী হয়ে বিদায় নিয়েছিলেন
সিনেটর টেড ক্রুজ। এক দিন পর, বুধবার, সেই একই পথ ধরলেন জন কেইসিক। নিজ
রাজ্য ওহাইওর রাজধানী কলম্বাসে এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে কেইসিক রিপাবলিকান
দলের প্রেসিডেন্ট পদের জন্য তাঁর লড়াই শেষ করার কথা ঘোষণা করেন। কেন সরে
দাঁড়াচ্ছেন, তার কোনো ব্যাখ্যা দেননি। শুধু বলেছেন, ঈশ্বরে তাঁর অগাধ
আস্থা, নিশ্চয় তাঁর জন্য ঈশ্বরের নিজস্ব কোনো পরিকল্পনা আছে। টেড ক্রুজও
ঈশ্বরে তাঁর অগাধ আস্থার কথা বলেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত জিতে গেলেন এমন
একজন, যাঁর ঈশ্বরে ভক্তি নিয়ে নানা মহলে সন্দেহ রয়েছে। তিন-তিনবার বিবাহিত
ডোনাল্ড ঠিক আদর্শ রক্ষণশীল ও ধার্মিক রিপাবলিকান প্রার্থী নন। ডোনাল্ড
ট্রাম্প নিজেই বলেছেন, তিনি কখনো নিজের পাপের জন্য ক্ষমা ভিক্ষা করেন না,
যে কথা অন্য কেউ বললে এককথায় দৌড় থেকে ছিটকে যেতেন।
অধিকাংশ বিশ্লেষক একমত, তৃণমূল পর্যায়ের রিপাবলিকান ভোটাররা শুধু ওবামা প্রশাসনের প্রতি ক্রুদ্ধ নন, তাঁরা ক্ষমতায় আছেন এমন সব রিপাবলিকানের ওপরও বিরক্ত। তাঁদের অভিযোগ, কংগ্রেসের উভয় কক্ষে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও ওবামার এজেন্ডা তাঁরা আটকাতে পারেননি। একজন ‘বাইরের লোক’ হিসেবে ট্রাম্প তাঁদের ক্ষোভকে সফলভাবে ব্যবহার করেছেন। তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী, নিজেই নিজের প্রচার অভিযানের অর্থ জোগাচ্ছেন, কারও কাছে তাঁর কোনো দেনা-পাওনা নেই। সাধারণ রিপাবলিকান ভোটাররা এই ব্যাপারটিও ভালো চোখে দেখেছেন। গত বছর জুন মাসে ট্রাম্প যখন নিজেকে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন, দলের অধিকাংশ নেতা-কর্মী ব্যাপারটাকে হাস্যকর ভেবেছিলেন। ফ্লোরিডার সাবেক গভর্নর জেব বুশ তাঁকে উন্মাদ বলতেও দ্বিধা করেননি। ক্রুজ তাঁকে ‘ডাহা মিথ্যুক’ বলেছিলেন। তিনি নীরবে মঞ্চ ত্যাগ করবেন না বোঝার পর দলের প্রধান দাতারা ‘ট্রাম্প ঠেকাও’ অভিযান শুরু করেছিলেন। এই কাজে টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে কমপক্ষে ২০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। ট্রাম্পকে ঠেকানো যায়নি।
এখন অন্য কোনো পথ নেই জেনে রিপাবলিকান পার্টির কর্তাব্যক্তিরা ট্রাম্পের পক্ষ নেওয়া শুরু করেছেন। বাছাই পর্বের প্রচারণায় দলে তিক্ততার সৃষ্টি হয়েছে, যা মেটানো সম্ভব না হলে নভেম্বরের নির্বাচনে শুধু হোয়াইট হাউসে নয়, সম্ভবত সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারাবেন। এই ভয় থেকে তাঁরা ট্রাম্পের প্রার্থিতার সমর্থনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেওয়া শুরু করেছেন। মঙ্গলবারই দলের চেয়ারম্যান প্রিবাস সে কথা বলেছিলেন। ডেমোক্রেটিক পার্টিতে এখনো মনোনয়নের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি। ইন্ডিয়ানায় সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের চমৎকার বিজয়ের পর যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। সবাই একমত, কোনো অঘটন না ঘটলে হিলারি ক্লিনটনকে ঝেড়ে ফেলা স্যান্ডার্সের পক্ষে অসম্ভব হবে। স্যান্ডার্সের নির্বাচনী প্রচার বিভাগের ব্যবস্থাপক জেফ উইভার বলেছেন, ‘অঙ্কের হিসাব আমাদের পক্ষে নয়, তবে সুপার ডেলিগেটরা যদি জিততে চান, তাহলে তাঁদের উচিত হবে বার্নিকে সমর্থন করা।’ অধিকাংশ জনমত জরিপে হিলারির তুলনায় স্যান্ডার্সই ডেমোক্র্যাটদের অধিক পছন্দ, উইভার সে বিষয়েই ইঙ্গিত করছিলেন।
অধিকাংশ বিশ্লেষক একমত, তৃণমূল পর্যায়ের রিপাবলিকান ভোটাররা শুধু ওবামা প্রশাসনের প্রতি ক্রুদ্ধ নন, তাঁরা ক্ষমতায় আছেন এমন সব রিপাবলিকানের ওপরও বিরক্ত। তাঁদের অভিযোগ, কংগ্রেসের উভয় কক্ষে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও ওবামার এজেন্ডা তাঁরা আটকাতে পারেননি। একজন ‘বাইরের লোক’ হিসেবে ট্রাম্প তাঁদের ক্ষোভকে সফলভাবে ব্যবহার করেছেন। তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী, নিজেই নিজের প্রচার অভিযানের অর্থ জোগাচ্ছেন, কারও কাছে তাঁর কোনো দেনা-পাওনা নেই। সাধারণ রিপাবলিকান ভোটাররা এই ব্যাপারটিও ভালো চোখে দেখেছেন। গত বছর জুন মাসে ট্রাম্প যখন নিজেকে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেন, দলের অধিকাংশ নেতা-কর্মী ব্যাপারটাকে হাস্যকর ভেবেছিলেন। ফ্লোরিডার সাবেক গভর্নর জেব বুশ তাঁকে উন্মাদ বলতেও দ্বিধা করেননি। ক্রুজ তাঁকে ‘ডাহা মিথ্যুক’ বলেছিলেন। তিনি নীরবে মঞ্চ ত্যাগ করবেন না বোঝার পর দলের প্রধান দাতারা ‘ট্রাম্প ঠেকাও’ অভিযান শুরু করেছিলেন। এই কাজে টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে কমপক্ষে ২০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। ট্রাম্পকে ঠেকানো যায়নি।
এখন অন্য কোনো পথ নেই জেনে রিপাবলিকান পার্টির কর্তাব্যক্তিরা ট্রাম্পের পক্ষ নেওয়া শুরু করেছেন। বাছাই পর্বের প্রচারণায় দলে তিক্ততার সৃষ্টি হয়েছে, যা মেটানো সম্ভব না হলে নভেম্বরের নির্বাচনে শুধু হোয়াইট হাউসে নয়, সম্ভবত সিনেটের নিয়ন্ত্রণ হারাবেন। এই ভয় থেকে তাঁরা ট্রাম্পের প্রার্থিতার সমর্থনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেওয়া শুরু করেছেন। মঙ্গলবারই দলের চেয়ারম্যান প্রিবাস সে কথা বলেছিলেন। ডেমোক্রেটিক পার্টিতে এখনো মনোনয়নের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি। ইন্ডিয়ানায় সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্সের চমৎকার বিজয়ের পর যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। সবাই একমত, কোনো অঘটন না ঘটলে হিলারি ক্লিনটনকে ঝেড়ে ফেলা স্যান্ডার্সের পক্ষে অসম্ভব হবে। স্যান্ডার্সের নির্বাচনী প্রচার বিভাগের ব্যবস্থাপক জেফ উইভার বলেছেন, ‘অঙ্কের হিসাব আমাদের পক্ষে নয়, তবে সুপার ডেলিগেটরা যদি জিততে চান, তাহলে তাঁদের উচিত হবে বার্নিকে সমর্থন করা।’ অধিকাংশ জনমত জরিপে হিলারির তুলনায় স্যান্ডার্সই ডেমোক্র্যাটদের অধিক পছন্দ, উইভার সে বিষয়েই ইঙ্গিত করছিলেন।

No comments:
Post a Comment