জিয়া
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি
চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ধার্য তারিখ আগামীকাল ২
জুন আদালতে যাচ্ছেন। তার পক্ষে আইনজীবী এডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া
সংবাদমাধ্যমকে আজ এ কথা জানান। গত ১৯ মে বেগম খালেদা জিয়াকে জিয়া
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ফের পিছিয়ে কাল ২
জুন ধার্য করে দেয় আদালত। ঢাকার বকশীবাজার এলাকার উমেষ দত্ত রোডে আলিয়া
মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে স্থাপিত অস্থায়ী বিশেষ আদালতের বিচারক আবু আহমেদ
জমাদারের আদালত এ আদেশ দেয়। এ মামলায় খালেদা জিয়াকে কাল হাজির থাকার
নির্দেশ দিয়ে আদালত জানায় হাজির না হলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হবে। গত
১৯ মেও খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের দিন ধার্য ছিল। তবে তিনি ওইদিন
আদালতে হাজির হননি। তার পক্ষে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে মামলার কার্যক্রম
পেছাঁতে সময়ের আবেদন জানান তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। শুনানি শেষে আবেদন
মঞ্জুর করে কাল ২ জুন মামলার তারিখ পুননির্ধারণ করে আদেশ দেয় আদালত। এ
মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বাদী দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর রশিদসহ ৩২
জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন
কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ অগাস্ট পাঁচজনের
বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
খালেদা
জিয়া ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী,
হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএ-এর নৌ-নিরাপত্তা ও
ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক
মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। এছাড়াও জিয়া অরফানেজ
ট্রাস্টের নামে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় দুদক
মামলা দায়ের করে। এ মামলায় ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক অভিযোগপত্র দাখিল করে।
২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। গত ১৯
মার্চ উল্লেখিত দুই মামলায় খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস
চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করে
ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩। এদিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার বাদী ও প্রথম
সাক্ষী দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশিদকে আসামিপক্ষের জেরা চলছে।

No comments:
Post a Comment