একটি
উড়ো চিঠি পাল্টে দিয়েছে রাজধানীর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের স্বাভাবিক পরিবেশ।
পুরোহিত ও সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিরাজ করছে আতঙ্ক। প্রধান ফটকে আরোপ করা
হয়েছে কড়া নিয়ন্ত্রণ। যে ক’জন ভক্ত ও দর্শনার্থী মিশনে আসছেন তাদের মাঝেও
চাপা আতঙ্ক। মিশন এলাকার প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাভাবিক কার্যক্রমও কিছুটা কমে
গেছে। নিত্য ব্যস্ত মিশনের ভেতরে এখন অন্যদিনের মতো স্বাভাবিক ব্যস্ততা
নেই। বিরাজ করছে নিস্তব্ধতা। প্রধান ফটকের ভেতরে অবস্থান নিয়েছে
আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। গত বুধবার পুরোহিত
সেবানন্দকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে লেখা ওই চিঠি মিশনে পৌঁছানোর পর থেকে
পুলিশ সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছে। তবে পুরোহিত বা সংশ্লিষ্টরা
গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।
গতকাল দুপুরে সরজমিন দেখা যায়, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রধান ফটক ভেতর থেকে বন্ধ। পকেট গেটও ভেতর থেকে বন্ধ রেখে একাধিক যুবক তা নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। কিছুক্ষণ পর পর পূজা ও দর্শনার্থীরা কড়া নাড়লেও তা খুলে দেয়া হচ্ছিল না। ভেতর থেকে জানিয়ে দেয়া হচ্ছিল ‘ভেতরে যাওয়া যাবে না। সকালে বা বিকালে দু’বেলায় আসুন’। প্রধান ফটকের ভেতরে মাঠে বসে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছিলেন কয়েকজন পুুলিশ ও আনসার সদস্য। মিশন এলাকায় অবস্থিত রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়, রামকৃষ্ণ মিশন চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র, রামকৃষ্ণ মিশন ট্রেনিং সেন্টার, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং পাঠাগারও বন্ধ দেখা গেছে। মিশন অফিসে দেখা হয় পুরোহিত সত্যাশ্চর্য্যের সঙ্গে। এ সময় তাকে বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। হুমকি ও নিরাপত্তার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি মানবজমিনকে বলেন, ‘এসব বিষয়ে কোন কথাই বলা যাবে না। নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়ারি থানার সঙ্গে কথা বলতে পারেন।’ সেখানে দায়িত্বরত ওয়ারি থানার উপ পরিদর্শক সুশান্ত মানবজমিনকে বলেন, হুমকির পর থেকে পুলিশ এখানে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। এখন পুলিশ ও আনসার সদস্যরা যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই নিরাপত্তা অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলা সদর থেকে বাংলাদেশে আসা ব্যবসায়ী সন্দ্বীপ রায় গতকাল রামকৃষ্ণ মিশন দেখতে আসেন। তার আত্মীয় ঢাকার বাসিন্দা অমূল্য সরকারকে নিয়েই মিশনে আসেন তিনি। প্রধান ফটক বন্ধ পেয়ে তারা ভেতরে ঢুকতে পারেন নি। কয়েকবার ডাকাডাকিতেও খুলে দেয়া হয়নি ফটক। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অমূল্য সরকার বলেন, ‘১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত এই মিশনে আসছি। কিন্তু এমনটা কখনও হয়নি। আমাদের তো ধর্ম-কর্মের অধিকার আছে। হুমকি বা হামলার আশঙ্কা থাকলে নিরাপত্তা জোরদার করে তল্লাশির মাধ্যমে ঢুকানোর ব্যবস্থা করতে পারে। পূজা বা দর্শনার্থীদের এভাবে বিরত রাখা হবে কেন?’
হুমকির ঘটনায় ওয়ারি থানায় করা জিডির তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া উপ-পরিদর্শক মাহমুদুল হাসান মানবজমিনকে বলেন, পুলিশ কর্মকর্তারা প্রতিদিনই রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শন করছেন। এসএ পরিবহনের নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী পুরোহিতকে হুমকি দিয়ে লেখা চিঠিটি দিয়ে গেলেও সে যে কুরিয়ারকর্মী নয় তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। চিঠিটিতে কুরিয়ার সার্ভিসের নয়, রাষ্ট্রীয় ডাক বিভাগের অধীন ওয়ারি ডাকঘরের সিল রয়েছে। আবার ওই ডাকঘরে ব্যবহৃত সিলের সঙ্গে চিঠির খামের সিলমোহরেরও মিল নেই। এতে সন্দেহটা বেড়েছে। হুমকিদাতার খোঁজে সম্ভাব্য কয়েকটি স্থানে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। তা অব্যাহত রয়েছে।
গতকাল দুপুরে সরজমিন দেখা যায়, রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রধান ফটক ভেতর থেকে বন্ধ। পকেট গেটও ভেতর থেকে বন্ধ রেখে একাধিক যুবক তা নিয়ন্ত্রণ করছিলেন। কিছুক্ষণ পর পর পূজা ও দর্শনার্থীরা কড়া নাড়লেও তা খুলে দেয়া হচ্ছিল না। ভেতর থেকে জানিয়ে দেয়া হচ্ছিল ‘ভেতরে যাওয়া যাবে না। সকালে বা বিকালে দু’বেলায় আসুন’। প্রধান ফটকের ভেতরে মাঠে বসে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছিলেন কয়েকজন পুুলিশ ও আনসার সদস্য। মিশন এলাকায় অবস্থিত রামকৃষ্ণ মিশন উচ্চ বিদ্যালয়, রামকৃষ্ণ মিশন চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র, রামকৃষ্ণ মিশন ট্রেনিং সেন্টার, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং পাঠাগারও বন্ধ দেখা গেছে। মিশন অফিসে দেখা হয় পুরোহিত সত্যাশ্চর্য্যের সঙ্গে। এ সময় তাকে বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। হুমকি ও নিরাপত্তার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি মানবজমিনকে বলেন, ‘এসব বিষয়ে কোন কথাই বলা যাবে না। নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়ারি থানার সঙ্গে কথা বলতে পারেন।’ সেখানে দায়িত্বরত ওয়ারি থানার উপ পরিদর্শক সুশান্ত মানবজমিনকে বলেন, হুমকির পর থেকে পুলিশ এখানে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। এখন পুলিশ ও আনসার সদস্যরা যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত এই নিরাপত্তা অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
এদিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুর্শিদাবাদ জেলা সদর থেকে বাংলাদেশে আসা ব্যবসায়ী সন্দ্বীপ রায় গতকাল রামকৃষ্ণ মিশন দেখতে আসেন। তার আত্মীয় ঢাকার বাসিন্দা অমূল্য সরকারকে নিয়েই মিশনে আসেন তিনি। প্রধান ফটক বন্ধ পেয়ে তারা ভেতরে ঢুকতে পারেন নি। কয়েকবার ডাকাডাকিতেও খুলে দেয়া হয়নি ফটক। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অমূল্য সরকার বলেন, ‘১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত এই মিশনে আসছি। কিন্তু এমনটা কখনও হয়নি। আমাদের তো ধর্ম-কর্মের অধিকার আছে। হুমকি বা হামলার আশঙ্কা থাকলে নিরাপত্তা জোরদার করে তল্লাশির মাধ্যমে ঢুকানোর ব্যবস্থা করতে পারে। পূজা বা দর্শনার্থীদের এভাবে বিরত রাখা হবে কেন?’
হুমকির ঘটনায় ওয়ারি থানায় করা জিডির তদন্তের দায়িত্ব পাওয়া উপ-পরিদর্শক মাহমুদুল হাসান মানবজমিনকে বলেন, পুলিশ কর্মকর্তারা প্রতিদিনই রামকৃষ্ণ মিশন পরিদর্শন করছেন। এসএ পরিবহনের নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী পুরোহিতকে হুমকি দিয়ে লেখা চিঠিটি দিয়ে গেলেও সে যে কুরিয়ারকর্মী নয় তা নিশ্চিত হওয়া গেছে। চিঠিটিতে কুরিয়ার সার্ভিসের নয়, রাষ্ট্রীয় ডাক বিভাগের অধীন ওয়ারি ডাকঘরের সিল রয়েছে। আবার ওই ডাকঘরে ব্যবহৃত সিলের সঙ্গে চিঠির খামের সিলমোহরেরও মিল নেই। এতে সন্দেহটা বেড়েছে। হুমকিদাতার খোঁজে সম্ভাব্য কয়েকটি স্থানে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। তা অব্যাহত রয়েছে।

No comments:
Post a Comment