সংবাদ বিজ্ঞপ্তি: কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের
বর্তমান চেয়ারম্যান নুরুল হকের বিরুদ্ধে সংবাদ সংগ্রহের ইসুকে কেন্দ্র করে
চেয়ারম্যান নুরুল হক কর্তৃক চরম দুর্ব্যবহার ও হুমকি দিয়েছেন কক্সবাজার
জেলা উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি স.ম ইকবাল বাহার চৌধুরীকে। এ ধরনের
দুর্ব্যহার ও হুমকির ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়ে কক্সবাজার জেলা উপকূলীয়
সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ার করেছেন ভবিষ্যতে কোন সাংবাদিকদের
সঙ্গে এ ধরনের অসদাচরণ করলে তা কোন অবস্থাতেই বরদাশত করা হবে না। একই সঙ্গে
এ ধরনের আচরণ সাংবাদিক সমাজ কারো কাছ থেকে আশা করেনা। এর পর যদি কেউ
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করার ধৃষ্ঠতা দেখান তাহলে সমুচিত জবাব
দেওয়া হবে লেখনির মাধ্যমে। প্রসঙ্গত এ ধরনের কথিত প্রভাবশালী ব্যক্তিরা
কে, কোথায়, কখন, কিভাবে চলাফেরা করেন তা সাংবাদিক সমাজের নখদর্পনে।

উল্লেখ্য
শাপলাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের পক্ষ হয়ে তার লেলিয়ে দেয়া
মাস্তানদের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলা উপকুলীয় সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি
স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরীকে ব্যবহ্নত মোবাইল নম্বরে ফোন করে এই প্রাণনাশের
হুমকি দেন। ০১৭৪১-৫৮২৮৩০/০১৮৩০৬৯০৭২৮ নং মুঠোফোন থেকে প্রাণ নাশের হুমকি
দেওয়ায় হয়েছে বলে স.ম. ইকবাল বাহার চৌধুরী জানিয়েছেন।
তার এ হুমকি আবার প্রমান করলো জামাতের রাজনীতি সন্ত্রাসের রাজনীতি। সন্ত্রাস করে সাংবাদিকদের কলমকে স্তব্ধ করা যাবেনা। তার বিরুদ্ধে পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্প (এলজিএসপি, টিআর ও কাবিখা) দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত, ভিজিএফ এ অনিয়ম, কর্মসৃজন প্রকল্পের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত এমনকি বয়স্ক ও বিধবা ভাতায় স্বজনপ্রীতি এবং তার নেতৃত্বে তার বাসায় জামায়াতের প্রোগ্রাম করে নাসকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ সহ তার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্ণীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মহেশখালী থানার ওসি, উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারক লিপি প্রদানের কর্মসূচী গ্রহন করা হচ্ছে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ.এম হোবাইব সজীব স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমে প্রেরিত বিবৃতিদাতারা হলেন, কক্সবাজার জেলা উপকুলীয় সাংবাদিক ফোরামের সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম কাজল, সহ-সভাপতি এসকে লিটন কুতুবী, যুগ্ম সম্পাদক ওবাইদুল হক আবু চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, সহ-সাধারণ সম্পাদক এম এম দিদারুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম নোবেল, অর্থ সম্পাদক এম রমজান আলী, দপ্তর সম্পাদক আবু হেনা সাগর, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক। জিয়া উদ্দিন ফারুক, মুকুল কান্তি দাশ, আতিকুর রহমান মানিক, সরওয়ার আলম শাহীন, মাহমুদুল হক বাবুল, আমান উল্লাহ আমান, অর্পণ বড়–য়া-নিবার্হী সদস্য। আবদুল মালেক সিকদার, কামাল শিশির , মারজান আহমদ চৌধুরী, সৈয়দ মোস্তফা আলী, রেজাউল করিম, আমিনুল কবির, রকিয়ত উল্লাহ ছোটন, সরওয়ার কামাল, এফ. এম সুমন, এম নজরুল ইসলাম, মোঃ দিদার, আবদুল গফুর সদস্য। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দরা সাংবাদিক ইকবাল বাহার চৌধুরীর সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার ও গুম করার জন্য হাকাবাঁকা করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ ধরণের হুমকিমূলক আচরণ সমাজের কোন ভাল মানুষের কাছ থেকে আশা করা যায়না। এর ফলে বস্তু-নিষ্ট সংবাদ পরিবেশনে জাতীর বিবেক সাংবাদিকদের বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রশাসনের তদন্ত সাপেক্ষে কথিত এসব প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে বিহীত ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান।
তার এ হুমকি আবার প্রমান করলো জামাতের রাজনীতি সন্ত্রাসের রাজনীতি। সন্ত্রাস করে সাংবাদিকদের কলমকে স্তব্ধ করা যাবেনা। তার বিরুদ্ধে পরিষদের বিভিন্ন প্রকল্প (এলজিএসপি, টিআর ও কাবিখা) দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত, ভিজিএফ এ অনিয়ম, কর্মসৃজন প্রকল্পের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত এমনকি বয়স্ক ও বিধবা ভাতায় স্বজনপ্রীতি এবং তার নেতৃত্বে তার বাসায় জামায়াতের প্রোগ্রাম করে নাসকতার পরিকল্পনা করার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ সহ তার বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্ণীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মহেশখালী থানার ওসি, উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারক লিপি প্রদানের কর্মসূচী গ্রহন করা হচ্ছে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এ.এম হোবাইব সজীব স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমে প্রেরিত বিবৃতিদাতারা হলেন, কক্সবাজার জেলা উপকুলীয় সাংবাদিক ফোরামের সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম কাজল, সহ-সভাপতি এসকে লিটন কুতুবী, যুগ্ম সম্পাদক ওবাইদুল হক আবু চৌধুরী, সহ-সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, সহ-সাধারণ সম্পাদক এম এম দিদারুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আলিম নোবেল, অর্থ সম্পাদক এম রমজান আলী, দপ্তর সম্পাদক আবু হেনা সাগর, প্রচার সম্পাদক আবু বক্কর ছিদ্দিক। জিয়া উদ্দিন ফারুক, মুকুল কান্তি দাশ, আতিকুর রহমান মানিক, সরওয়ার আলম শাহীন, মাহমুদুল হক বাবুল, আমান উল্লাহ আমান, অর্পণ বড়–য়া-নিবার্হী সদস্য। আবদুল মালেক সিকদার, কামাল শিশির , মারজান আহমদ চৌধুরী, সৈয়দ মোস্তফা আলী, রেজাউল করিম, আমিনুল কবির, রকিয়ত উল্লাহ ছোটন, সরওয়ার কামাল, এফ. এম সুমন, এম নজরুল ইসলাম, মোঃ দিদার, আবদুল গফুর সদস্য। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দরা সাংবাদিক ইকবাল বাহার চৌধুরীর সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার ও গুম করার জন্য হাকাবাঁকা করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। এ ধরণের হুমকিমূলক আচরণ সমাজের কোন ভাল মানুষের কাছ থেকে আশা করা যায়না। এর ফলে বস্তু-নিষ্ট সংবাদ পরিবেশনে জাতীর বিবেক সাংবাদিকদের বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রশাসনের তদন্ত সাপেক্ষে কথিত এসব প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে বিহীত ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান।
No comments:
Post a Comment