মহেশখালী
প্রতিনিধিঃ গতকাল মহেশখালী উপজেলার মাতার বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে
হৃত-দরিদ্রদের জন্য আসা ঈদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে চরম অনিয়মের অভিযোগ
উঠেছে। জানা যায় ৩১৮০জন হৃত-দরিদ্র মানুষের জন্য প্রতি জন বিশ কেজি করে
(চাল) সর্বমোট ৬৩৬০০ কেজি চাল বরাদ্ধ পায়। যা গত ঈদুল ফিতরের সময় দেওয়ার
কথা । কিন্তু নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানের অদক্ষতা ও প্রাকৃতিক দুযোগের কারনে
সে সময় ভিজিএফ এর চাল যথাসময়ে বিতরন করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন পর হলেও
গতকাল বিতরন হলেও বিশ কেজি‘র স্থলে ১৪/১৫ কেজি চাল বিতরন করে বলে জানান
উপকারভোগিরা। এ প্রতিবেদক গতকাল দুপুরে চাল নিয়ে বের হওয়ার সময় তিতামাঝির
পাড়া এলাকার ইসলাম মিয়ার স্ত্রী ছেমন খাতুন সহ দু‘তিন জনের চাল স্থানিয়
দোকানে পরিমাপ করে দেখে যে ১৪/১৫ কেজি‘র উপরে কারো নেই। আবার চাল বিতরণ
শেষে মিয়াজিপাড়ার মৃত নজির আহমদের পুত্র আবু মুছা, আবুল শামার পুত্র রিফাজ
উদ্দিন, তিতামাঝির পাড়া এলাকার ইসলাম মিয়ার পুত্র সাহাব উদ্দিন ও নুর আলমের
পুত্র নাজেম উদ্দিন সহ ২০/২৫ জন লোক তাদেরকে দেয়া কার্ড নিয়ে এসে এ
প্রতিবেদককে বলেন তারা সকাল থেকে কার্ড নিয়ে বসে থেকে এখন চাল ফুরিয়ে গেছে
বলে জবাব দেন। এখন ফিরে যাচ্ছি। সাথে আ‘লীগের ইউনিয়ন সাধারন সম্পাদক
স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপজেলা নেতা আব্দুল কাদের বলেন – প্রতিজন থেকে ৫ কেজি
করে চাল কেটে নেওয়া হলেও ৩১০০ উপকার ভোগির কাছ থেকে ১৫৫০০ কেজি চাল গেল
কোথায়? আর তাছাড়া আরো প্রায় ২০০ কার্ডধারীর চালও কোথায় গেল? এ বিষয়ে
মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্ম্দ উল্লাহ‘র সাথে যোগাযোগ করা
হলে তিনি বলেন- দুপুরে একটি দাওয়াতে যাওয়ায় ৩০ জন লোককে চাল দেওয়া হয়নি।
কাল (আজ) সকালে দেওয়া হবে। তবে সাধারন মানুষের প্রশ্ন- ৩১৮০ জনের মধ্যে
শুধুমাত্র ৩০ জনের জন্য চাল রেখে চেয়ারম্যানের দাওয়াত খাওয়ার বিশ্বাস
যোগ্যতায় চেদ পড়েকি ? Thursday, August 11, 2016
মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে ভিজিএফ এর চাল বিতরনে চরম অনিয়ম,
মহেশখালী
প্রতিনিধিঃ গতকাল মহেশখালী উপজেলার মাতার বাড়ী ইউনিয়ন পরিষদে
হৃত-দরিদ্রদের জন্য আসা ঈদের ভিজিএফ এর চাল বিতরনে চরম অনিয়মের অভিযোগ
উঠেছে। জানা যায় ৩১৮০জন হৃত-দরিদ্র মানুষের জন্য প্রতি জন বিশ কেজি করে
(চাল) সর্বমোট ৬৩৬০০ কেজি চাল বরাদ্ধ পায়। যা গত ঈদুল ফিতরের সময় দেওয়ার
কথা । কিন্তু নব নির্বাচিত চেয়ারম্যানের অদক্ষতা ও প্রাকৃতিক দুযোগের কারনে
সে সময় ভিজিএফ এর চাল যথাসময়ে বিতরন করা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘদিন পর হলেও
গতকাল বিতরন হলেও বিশ কেজি‘র স্থলে ১৪/১৫ কেজি চাল বিতরন করে বলে জানান
উপকারভোগিরা। এ প্রতিবেদক গতকাল দুপুরে চাল নিয়ে বের হওয়ার সময় তিতামাঝির
পাড়া এলাকার ইসলাম মিয়ার স্ত্রী ছেমন খাতুন সহ দু‘তিন জনের চাল স্থানিয়
দোকানে পরিমাপ করে দেখে যে ১৪/১৫ কেজি‘র উপরে কারো নেই। আবার চাল বিতরণ
শেষে মিয়াজিপাড়ার মৃত নজির আহমদের পুত্র আবু মুছা, আবুল শামার পুত্র রিফাজ
উদ্দিন, তিতামাঝির পাড়া এলাকার ইসলাম মিয়ার পুত্র সাহাব উদ্দিন ও নুর আলমের
পুত্র নাজেম উদ্দিন সহ ২০/২৫ জন লোক তাদেরকে দেয়া কার্ড নিয়ে এসে এ
প্রতিবেদককে বলেন তারা সকাল থেকে কার্ড নিয়ে বসে থেকে এখন চাল ফুরিয়ে গেছে
বলে জবাব দেন। এখন ফিরে যাচ্ছি। সাথে আ‘লীগের ইউনিয়ন সাধারন সম্পাদক
স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপজেলা নেতা আব্দুল কাদের বলেন – প্রতিজন থেকে ৫ কেজি
করে চাল কেটে নেওয়া হলেও ৩১০০ উপকার ভোগির কাছ থেকে ১৫৫০০ কেজি চাল গেল
কোথায়? আর তাছাড়া আরো প্রায় ২০০ কার্ডধারীর চালও কোথায় গেল? এ বিষয়ে
মাতারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্ম্দ উল্লাহ‘র সাথে যোগাযোগ করা
হলে তিনি বলেন- দুপুরে একটি দাওয়াতে যাওয়ায় ৩০ জন লোককে চাল দেওয়া হয়নি।
কাল (আজ) সকালে দেওয়া হবে। তবে সাধারন মানুষের প্রশ্ন- ৩১৮০ জনের মধ্যে
শুধুমাত্র ৩০ জনের জন্য চাল রেখে চেয়ারম্যানের দাওয়াত খাওয়ার বিশ্বাস
যোগ্যতায় চেদ পড়েকি ?
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment