উত্তর কোরিয়ার পঞ্চম পরমাণু পরীক্ষার
বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র,
রাশিয়া, জাপান, ফ্রান্স ও চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। উত্তর কোরিয়ার এ
ধরনের কর্মকাণ্ডের পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে সতর্ক করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট
বারাক ওবামা। আসিয়ান সম্মেলন থেকে ফিরেই দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের
সঙ্গে তিনি টেলিফোনে কথা বলেছেন বলে জানিয়েছে ব্লুহাউস কর্তৃপক্ষ। পরমাণু
পরীক্ষাকে উত্তরের নেতা কিম জং উনের ‘উন্মত্ত হঠকারিতা’ বলে উল্লেখ করেছেন
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট পার্ক জিউন হাই। এএফপি জানায়, উত্তর কোরিয়ার
বিরুদ্ধে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব বাস্তবায়ন হওয়া জরুরি বলে
উল্লেখ করেছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ। এ পরীক্ষার বিরুদ্ধে
ক্ষোভ জানিয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে বলেন, ‘উত্তর কোরিয়া যদি
পরমাণু পরীক্ষা চালিয়ে থাকে তবে আমরা তা একেবারেই উপেক্ষা করতে পারি না।
আমাদেরকে কঠোরভাবে প্রতিবাদ করতে হবে।’
উত্তর কোরিয়ার পঞ্চম পরমাণু বোমার পরীক্ষাকে গভীর সমস্যা এবং অনুশোচনীয় কর্ম বলে আখ্যা দিয়েছে জাতিসংঘ। এএফপি জানায়, শুক্রবার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক প্রধান ইউকিয়া আমানো জানান, এর ফলে জাতিসংঘের একাধিক নিয়ম ভেঙেছে পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়াকে অবশ্যই সব পরমাণু অস্ত্র পরিত্যাগ করতে হবে এবং শিগগিরই বন্ধ করতে হবে পরমাণু গবেষণা। খুব দ্রুত উত্তরের পরমাণু প্রকল্প পরিদর্শনের ব্যবস্থা করার দাবি জানান আমানো। মিত্র দেশ চীনও উত্তর কোরিয়ার পরমাণু পরীক্ষার নিন্দা জানিয়েছে। চীন সতর্ক করে বলেছে, এর মধ্য দিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়বে। এদিকে এ ইস্যু মোকাবেলার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ফ্রান্স। নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরগেন ব্রেন্ডে পরমাণু পরীক্ষার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড গভীর উদ্বেগ এবং শান্তির জন্য হুমকি তৈরি করে।’ ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনকালে শুক্রবার সকালে উত্তর কোরিয়ায় ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
উত্তর কোরিয়ার পঞ্চম পরমাণু বোমার পরীক্ষাকে গভীর সমস্যা এবং অনুশোচনীয় কর্ম বলে আখ্যা দিয়েছে জাতিসংঘ। এএফপি জানায়, শুক্রবার জাতিসংঘের পরমাণু পর্যবেক্ষক প্রধান ইউকিয়া আমানো জানান, এর ফলে জাতিসংঘের একাধিক নিয়ম ভেঙেছে পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়াকে অবশ্যই সব পরমাণু অস্ত্র পরিত্যাগ করতে হবে এবং শিগগিরই বন্ধ করতে হবে পরমাণু গবেষণা। খুব দ্রুত উত্তরের পরমাণু প্রকল্প পরিদর্শনের ব্যবস্থা করার দাবি জানান আমানো। মিত্র দেশ চীনও উত্তর কোরিয়ার পরমাণু পরীক্ষার নিন্দা জানিয়েছে। চীন সতর্ক করে বলেছে, এর মধ্য দিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়বে। এদিকে এ ইস্যু মোকাবেলার জন্য নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ফ্রান্স। নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বরগেন ব্রেন্ডে পরমাণু পরীক্ষার নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘এ ধরনের কর্মকাণ্ড গভীর উদ্বেগ এবং শান্তির জন্য হুমকি তৈরি করে।’ ৬৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনকালে শুক্রবার সকালে উত্তর কোরিয়ায় ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
আর এর পর
পরই দক্ষিণ কোরিয়া দাবি করে, এ ভূকম্পনটি কৃত্রিম। পরমাণু পরীক্ষা চালানোর
সময়ই এ কম্পন অনুভূত হয়েছে। কয়েক ঘণ্টা পর উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয়
সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ‘উত্তর কোরিয়া এখন ব্যালাস্টিক রকেটে পারমাণবিক
যুদ্ধাস্ত্র ছুড়তে সক্ষম।’ শুক্রবারের পরমাণু পরীক্ষাসহ এ পর্যন্ত পাঁচটি
পরমাণু পরীক্ষা চালিয়েছে উত্তর কোরিয়া। এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে
সর্বশেষ পরমাণু পরীক্ষা চালিয়েছিল দেশটি। আর এ পরীক্ষার প্রতিক্রিয়ায় ২
মার্চ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ সর্বসম্মতিক্রমে উত্তর কোরিয়ার ওপর এক
কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী পরমাণু ও ব্যালাস্টিক
ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে উত্তর কোরিয়া। একনজরে ২০১৬
সালে পরমাণু কর্মসূচি
৬ জানুয়ারি : চতুর্থ পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা, যেটাকে হাইড্রোজেন বোমা বলে দাবি করেছে উত্তর কোরিয়া।
৭ ফেব্রুয়ারি : ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষা হিসেবে স্যাটেলাইট বহনকারী রকেট উৎক্ষেপণ করে।
৯ মার্চ : ক্ষুদ্র মাত্রার থার্মো নিউক্লিয়ার টরপেডোর সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করেন প্রেসিডেন্ট কিম জং উন।
১৫ এপ্রিল : দেশটির প্রতিষ্ঠাতা নেতা কিম সাং ইলের জন্মদিন উপলক্ষে মাঝারিপাল্লার মিসাইল পরীক্ষা চালানো হলে তা ব্যর্থ হয়।
২৩ এপ্রিল : সাবমেরিনে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালানো হয়।
৬ জুলাই : উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনকে কালো তালিকাভুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র।
৮ জুলাই : উন্নত মিসাইল প্রতিরক্ষা পদ্ধতি ‘থাড’ (টার্মিনাল হাই আল্টিচিউড এরিয়া ডিফেন্স) স্থাপনের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া।
৩ আগস্ট : প্রথমবারের মতো জাপান নিয়ন্ত্রিত জলসীমানার কাছে ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালানো হয়।
২৪ আগস্ট : সাবমেরিন উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যালিস্টিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালানো হয়। যেটি দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়াকে টক্কর দিতে সক্ষম।
৫ সেপ্টেম্বর : বিশ্বনেতারা চীনের জি-২০ সম্মেলনে বৈঠকে বসার প্রক্কালে পরপর তিনটি ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। এএফপি।
৬ জানুয়ারি : চতুর্থ পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা, যেটাকে হাইড্রোজেন বোমা বলে দাবি করেছে উত্তর কোরিয়া।
৭ ফেব্রুয়ারি : ব্যালিস্টিক মিসাইল পরীক্ষা হিসেবে স্যাটেলাইট বহনকারী রকেট উৎক্ষেপণ করে।
৯ মার্চ : ক্ষুদ্র মাত্রার থার্মো নিউক্লিয়ার টরপেডোর সফল পরীক্ষা চালানোর দাবি করেন প্রেসিডেন্ট কিম জং উন।
১৫ এপ্রিল : দেশটির প্রতিষ্ঠাতা নেতা কিম সাং ইলের জন্মদিন উপলক্ষে মাঝারিপাল্লার মিসাইল পরীক্ষা চালানো হলে তা ব্যর্থ হয়।
২৩ এপ্রিল : সাবমেরিনে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালানো হয়।
৬ জুলাই : উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনকে কালো তালিকাভুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র।
৮ জুলাই : উন্নত মিসাইল প্রতিরক্ষা পদ্ধতি ‘থাড’ (টার্মিনাল হাই আল্টিচিউড এরিয়া ডিফেন্স) স্থাপনের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া।
৩ আগস্ট : প্রথমবারের মতো জাপান নিয়ন্ত্রিত জলসীমানার কাছে ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালানো হয়।
২৪ আগস্ট : সাবমেরিন উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যালিস্টিক মিসাইলের সফল পরীক্ষা চালানো হয়। যেটি দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক মহড়াকে টক্কর দিতে সক্ষম।
৫ সেপ্টেম্বর : বিশ্বনেতারা চীনের জি-২০ সম্মেলনে বৈঠকে বসার প্রক্কালে পরপর তিনটি ব্যালিস্টিক মিসাইলের পরীক্ষা চালায় উত্তর কোরিয়া। এএফপি।

No comments:
Post a Comment