যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন
উপলক্ষে সোমবার (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার) ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী
হিলারি ক্লিনটন এবং রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রথম
টেলিভিশন বিতর্কে অবতীর্ণ হচ্ছেন। এর আগে দুই প্রার্থী একে অপরের প্রতি
মিথ্যা দোষারোপের ডালি সাজালেও একই মঞ্চে মুখোমুখি হননি। প্রথম বিতর্ককে
ঘিরে তাই টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে দুই শিবিরে। ফলে সবার চোখ এখন
টেলিভিশন বিতর্কের দিকে। মার্কিন রাজনীতির ইতিহাসে বৃহৎ সংখ্যা প্রায় ১০
কোটি দর্শক এ টিভি বিতর্ক দেখবেন। এ ছাড়া ১৯৬০ সালের পর কোনো নারী
প্রেসিডেন্ট প্রার্থী টিভি বিতর্কে অংশ নেননি- এ কারণেও এ বিতর্ক খুবই
আকর্ষণীয় হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। খবর এএফপি’র। সোমবার প্রথম টিভি
বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে স্থানীয় সময় রাত ৯টায় (বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ভোর
৩টা)।
নিউইয়র্কের হেম্পস্টেড শহরের
হফস্ট্রা ইউনিভার্সিটিতে দেড় ঘণ্টার এ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে
হফস্ট্রায় ২০০৮ ও ২০১২ সালের নির্বাচনে বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রথম এ
বিতর্কে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকবেন এনবিসির সন্ধ্যাকালীন খবর পরিবেশক
লেস্টার হল্ট। জানুয়ারিতে ডেমোক্রেটিক দলের একটি বিতর্ক পরিচালনা করেছিলেন
তিনি। এ বিতর্কের পর দ্বিতীয় ও তৃতীয় বিতর্ক অনুষ্ঠিত হবে যথাক্রমে ৯ ও ১৯
অক্টোবর। ৯০ মিনিটের এ বিতর্কটি ১৫ মিনিট করে মোট ৬টি পর্বে বিভক্ত। বিতর্ক
চলাকালীন কোনো বিজ্ঞাপন পরিবেশিত হবে না। আমেরিকা পরিচালনা, সম্মৃদ্ধি
অর্জন ও আমেরিকার নিরাপত্তা- এ তিন ইস্যুতে প্রশ্ন পর্বে জড়াবেন দুই
প্রার্থী। প্রতিটি বিষয়ের ওপর ৩০ মিনিট করে আলোচনা হবে। বিতর্ক
মধ্যস্থতাকারী প্রতিটি পর্ব প্রশ্ন দিয়ে শুরু করবেন। প্রত্যেক প্রার্থী তার
জবাবের জন্য ২ মিনিট সময় পাবেন। পরবর্তী সময়ে সে বিষয়ের পুনরাবৃত্তি করার
সুযোগ থাকবে উভয় প্রার্থীর।
নির্বাচনে এই বিতর্ক বড় ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করছেন নির্বাচনী বিশ্লেষকরা। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিতর্ক বিষয়ের বিশ্লেষকরা বলছেন, হিলারি ও ট্রাম্পের দুর্বলতা ও শক্তি উভয়ই রয়েছে। কারণ হিলারির স্বামী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন বা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মতো ভোটারদের আকর্ষণ করার মতো যোগ্যতা তার নেই বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক। তবে ‘আয়রন লেডি’ খ্যাত মার্গারেট থ্যাচারের মতো নারী অধিকার নিয়ে সোচ্চার হলে হিলারি বড় অংশের ভোটারদের মন জয় করতে পারবেন। বিতর্কের মধ্যে আগামী দিনগুলোতে হিলারি বর্তমানের চেয়ে কী ভিন্নতা আনতে পারেন, সে বিষয়ে তাকে স্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। অন্যদিকে ট্রাম্পকে তার সমালোচকদের আশ্বস্ত করতে হবে যে, তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য যোগ্য।
মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক যোগাযোগ বিভাগের অধ্যাপক মিশেল ম্যাককিনি বলেন, টেলিভিশন দর্শকদের জন্য বিতর্কটি স্মরণীয় করে রাখার মতো হলে তা নির্বাচনে ভালো প্রভাব ফেলে। এ জন্য বিতর্ক পর্বে প্রশ্নের উত্তর হতে হবে খুবই সাধারণ, সাবলীল ও সুস্পষ্ট। কারমিনে গ্যালো নামক আরেক বিশেষজ্ঞ বলেন, ভোটারদের আবেগকে আঘাত করে বিতর্কে এমন ইস্যুগুলো উপস্থাপন করাই জয়ের জন্য সহায়ক। গ্যালো আরও বলেন, আবেগের দিক দিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার ভোটারদের একটা দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে। এ বিতর্ক দুই প্রতিদ্বন্দ্ব^ীর মানুষের মন জিতে নেয়ার একটা বড় সুযোগ। তাদের শরীরের ভাষাও এখানে পুংখানুপুংখভাবে বিশ্লেষণ করবেন দর্শক তথা ভোটাররা। ব্রেট ও’ডোনেল নামের এক বিতর্ক প্রশিক্ষক বলেন, ‘উপস্থাপনার বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৪ সালের নির্বাচনে জর্জ ডব্লিউ বুশকে বিতর্কে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন ব্রেট।
টেড ক্রুজের ইউটার্ন : যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার লড়াইয়ে হেরে গেলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই সমর্থন দিয়েছেন টেড ক্রুজ। মনোনয়নের প্রাইমারি লড়াইয়ের সময় বেফাঁস মন্তব্যের জন্য অসংখ্যবার সংবাদ শিরোনাম হওয়া ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আক্রমণাÍক কথাবার্তায় নাজেহাল হতে হয়েছে টেক্সাসের সিনেটর ক্রুজকে। খবর বিবিসির ফেসবুক পাতায় প্রকাশিত লেখায় ক্রুজ জানিয়েছেন, রিপাবলিকান দল যাকেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়ন দেবে তাকেই ভোট দেবেন বলে যে অঙ্গীকার করেছিলেন তিনি তা পূরণ করবেন তিনি। ফলে হিলারিকে বেছে নেয়া হবে ‘নিতান্তই অগ্রহণযোগ্য’। ক্রুজ বলেন, ‘আমাদের ইতিহাসে এ নির্বাচন অন্য যে কোনো সময়ের নির্বাচন থেকে ভিন্ন। অন্য অনেক ভোটারের মতো আমিও এই সাধারণ নির্বাচনে কাকে ভোট দেব তা নিয়ে দ্বিধান্বিত ছিলাম।
নির্বাচনে এই বিতর্ক বড় ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করছেন নির্বাচনী বিশ্লেষকরা। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের বিতর্ক বিষয়ের বিশ্লেষকরা বলছেন, হিলারি ও ট্রাম্পের দুর্বলতা ও শক্তি উভয়ই রয়েছে। কারণ হিলারির স্বামী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন বা প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার মতো ভোটারদের আকর্ষণ করার মতো যোগ্যতা তার নেই বলে মনে করেন অনেক বিশ্লেষক। তবে ‘আয়রন লেডি’ খ্যাত মার্গারেট থ্যাচারের মতো নারী অধিকার নিয়ে সোচ্চার হলে হিলারি বড় অংশের ভোটারদের মন জয় করতে পারবেন। বিতর্কের মধ্যে আগামী দিনগুলোতে হিলারি বর্তমানের চেয়ে কী ভিন্নতা আনতে পারেন, সে বিষয়ে তাকে স্পষ্ট ধারণা দিতে হবে। অন্যদিকে ট্রাম্পকে তার সমালোচকদের আশ্বস্ত করতে হবে যে, তিনি প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য যোগ্য।
মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক যোগাযোগ বিভাগের অধ্যাপক মিশেল ম্যাককিনি বলেন, টেলিভিশন দর্শকদের জন্য বিতর্কটি স্মরণীয় করে রাখার মতো হলে তা নির্বাচনে ভালো প্রভাব ফেলে। এ জন্য বিতর্ক পর্বে প্রশ্নের উত্তর হতে হবে খুবই সাধারণ, সাবলীল ও সুস্পষ্ট। কারমিনে গ্যালো নামক আরেক বিশেষজ্ঞ বলেন, ভোটারদের আবেগকে আঘাত করে বিতর্কে এমন ইস্যুগুলো উপস্থাপন করাই জয়ের জন্য সহায়ক। গ্যালো আরও বলেন, আবেগের দিক দিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে তার ভোটারদের একটা দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে। এ বিতর্ক দুই প্রতিদ্বন্দ্ব^ীর মানুষের মন জিতে নেয়ার একটা বড় সুযোগ। তাদের শরীরের ভাষাও এখানে পুংখানুপুংখভাবে বিশ্লেষণ করবেন দর্শক তথা ভোটাররা। ব্রেট ও’ডোনেল নামের এক বিতর্ক প্রশিক্ষক বলেন, ‘উপস্থাপনার বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ২০০৪ সালের নির্বাচনে জর্জ ডব্লিউ বুশকে বিতর্কে প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন ব্রেট।
টেড ক্রুজের ইউটার্ন : যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার লড়াইয়ে হেরে গেলেও ডোনাল্ড ট্রাম্পকেই সমর্থন দিয়েছেন টেড ক্রুজ। মনোনয়নের প্রাইমারি লড়াইয়ের সময় বেফাঁস মন্তব্যের জন্য অসংখ্যবার সংবাদ শিরোনাম হওয়া ট্রাম্পের ব্যক্তিগত আক্রমণাÍক কথাবার্তায় নাজেহাল হতে হয়েছে টেক্সাসের সিনেটর ক্রুজকে। খবর বিবিসির ফেসবুক পাতায় প্রকাশিত লেখায় ক্রুজ জানিয়েছেন, রিপাবলিকান দল যাকেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মনোনয়ন দেবে তাকেই ভোট দেবেন বলে যে অঙ্গীকার করেছিলেন তিনি তা পূরণ করবেন তিনি। ফলে হিলারিকে বেছে নেয়া হবে ‘নিতান্তই অগ্রহণযোগ্য’। ক্রুজ বলেন, ‘আমাদের ইতিহাসে এ নির্বাচন অন্য যে কোনো সময়ের নির্বাচন থেকে ভিন্ন। অন্য অনেক ভোটারের মতো আমিও এই সাধারণ নির্বাচনে কাকে ভোট দেব তা নিয়ে দ্বিধান্বিত ছিলাম।

No comments:
Post a Comment