ঈদুল আযহা ও দুর্গাপূজার প্রাক্কালে বন্দর নগরী ও জেলায় তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেছেন, দেশে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে দু’টি বড় ধর্মীয় উৎসবের আগে ও পরে নগরী এবং জেলার উপজেলা সদরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করবে।
জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আজ জেলার আইন-শৃঙ্খলা পর্যালোচনা বৈঠকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) জেলা পুলিশ, র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সকল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ঈদ ও পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধিগণ বৈঠকে বক্তব্য রাখেন।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারি বাড়াবে এবং যেকোন অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়াতে সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
পাশাপাশি ঈদ ও পূজার দুইদিন আগে ও পরে নগরবাসীদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকিতে সিএমপি বিভিন্ন কৌশলগত অবস্থানে প্রায় ১০০ সিসিটিভি স্থাপন করবে।
সিএমপি ও জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, ঈদ ও পূজার দুইদিন আগে ও পরে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় থাকবে।
বাড়তি নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন ছাড়াও ব্যস্ততম এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে।
নগরীর শাহ আমানত ব্রিজ, সিটি গেট ও অক্সিজেন এলাকার মতো প্রবেশ পয়েন্ট সিসিটিভিতে নজরদারি ও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। এ সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হবে।
অপরদিকে, র্যাব-৭ উৎসব সফল করতে সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিন বলেছেন, দেশে সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলার প্রেক্ষিতে দু’টি বড় ধর্মীয় উৎসবের আগে ও পরে নগরী এবং জেলার উপজেলা সদরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করবে।
জেলা প্রশাসক মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আজ জেলার আইন-শৃঙ্খলা পর্যালোচনা বৈঠকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) জেলা পুলিশ, র্যাবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সকল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং ঈদ ও পূজা উদযাপন কমিটির প্রতিনিধিগণ বৈঠকে বক্তব্য রাখেন।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী নজরদারি বাড়াবে এবং যেকোন অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়াতে সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
পাশাপাশি ঈদ ও পূজার দুইদিন আগে ও পরে নগরবাসীদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকিতে সিএমপি বিভিন্ন কৌশলগত অবস্থানে প্রায় ১০০ সিসিটিভি স্থাপন করবে।
সিএমপি ও জেলা পুলিশ সূত্র জানায়, ঈদ ও পূজার দুইদিন আগে ও পরে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা বজায় থাকবে।
বাড়তি নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন ছাড়াও ব্যস্ততম এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে।
নগরীর শাহ আমানত ব্রিজ, সিটি গেট ও অক্সিজেন এলাকার মতো প্রবেশ পয়েন্ট সিসিটিভিতে নজরদারি ও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। এ সময় সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হবে।
অপরদিকে, র্যাব-৭ উৎসব সফল করতে সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

No comments:
Post a Comment