কোরবানির
বর্জ্য অপসারণে সিটি করপোরেশনের ঘোষিত ৪৮ ঘণ্টার অভিযান চলছে। যথাসময়ের
মধ্যেই বর্জ্য অপসারনের কাজ শেষ করতে সক্ষম হবেন বলে রাজধানীর উভয়
করপোরেশনের কর্তারা আশা করেছেন। তবে, নির্ধারিত স্থান ছাড়াও বিভিন্ন স্থানে
আলাদা আলাদা ভাবে কুরবানি দেয়ার কারনে বর্জ্য অপসারনে বড়তি পরিশ্রম করতে
হচ্ছে কর্মীদের। তাছাড়া, মালিবাগসহ অনেক এলাকায় অতিরিক্ত পানি থাকায়
যথাযথভাবে ব্যবস্থাপনা করা সম্ভব হয়নি বলে জানা গেছে। অনেক এলাকা অবশ্য
ঈদের পরের দিনই পরিচ্ছন্ন দেখা গেছে। রামপুরা, গুলশান, বনানি, মোহাম্মদপুর,
ফার্মগেইট, শ্যামলী, ধানমন্ডির অধিকাংশ আবাসিক এলাকা পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে
প্রথম দিনেই। ঢাকা সিটি উত্তরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা
কর্মকর্তা মো. আব্দুর রাজ্জাক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ঈদের দিন থেকে বুধবার
দুপুর ১টা পর্যন্ত ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকা থেকে পাঁচ হাজার টন
বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী
কর্মকর্তা খান মোহাম্মদ বেলাল জানিয়েছেন, বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকা
দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রায় ৯ হাজার টন কোরবানির বর্জ্য অপসারণ করেছে।
পরিচ্ছন্নতাকাজে নিয়মিত এবং অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় আট হাজার কর্মী নিয়োজিত
রয়েছেন বলে জানান দক্ষিণের এই কর্মকর্তা।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment