ভারতের কর্ণাটক ও তামিলনাড়ু রাজ্যের মধ্যে কাবেরী নদীর পানি নিয়ে জটিলতা কাটেনি। কাবেরীর পানিবণ্টন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশের পর কিংকর্তব্যবিমূঢ় কর্ণাটক সরকারকে প্রধান দুই বিরোধী দল পরামর্শ দিয়েছে তামিলনাড়ুকে পানি না দেওয়ার। এই প্রেক্ষাপটে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় কর্ণাটক মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে ঠিক হয়েছে, কেন্দ্রীয় পানি সম্পদমন্ত্রী উমা ভারতীর সঙ্গে বৈঠকের পরই করণীয় স্থির হবে। আজ বৃহস্পতিবার দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে বৈঠকে ডেকেছেন উমা ভারতী।
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গত মঙ্গলবার কর্ণাটককে নির্দেশ দেন তিন দিনের মধ্যে তামিলনাড়ুর জন্য ছয় হাজার কিউসেক পানি ছাড়তে। সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে কী করণীয় তা ঠিক করতে মুখ্যমন্ত্রী গতকাল বুধবার সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন। তাতে দুই প্রধান বিরোধী দল জনতা দল (ধর্মনিরপেক্ষ) ও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকারকে পানি না ছাড়ার পরামর্শ দেয়। বৈঠকের পর রাজ্যের পানিসম্পদমন্ত্রী এম বি পাটিল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সর্বদলীয় বৈঠকের সুপারিশ মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গতকাল সন্ধ্যাতেই মন্ত্রিসভার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। পানিবণ্টন নিয়ে এর আগে রাজ্য বিধানসভায় এক বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। সেখানে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত এক প্রস্তাবে পানি না ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। গতকালের বৈঠকে বিধানসভার বিরোধী নেতা জগদীশ শেখার বলেন,
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট গত মঙ্গলবার কর্ণাটককে নির্দেশ দেন তিন দিনের মধ্যে তামিলনাড়ুর জন্য ছয় হাজার কিউসেক পানি ছাড়তে। সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে কী করণীয় তা ঠিক করতে মুখ্যমন্ত্রী গতকাল বুধবার সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছিলেন। তাতে দুই প্রধান বিরোধী দল জনতা দল (ধর্মনিরপেক্ষ) ও ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) সরকারকে পানি না ছাড়ার পরামর্শ দেয়। বৈঠকের পর রাজ্যের পানিসম্পদমন্ত্রী এম বি পাটিল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, সর্বদলীয় বৈঠকের সুপারিশ মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। গতকাল সন্ধ্যাতেই মন্ত্রিসভার বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। পানিবণ্টন নিয়ে এর আগে রাজ্য বিধানসভায় এক বিশেষ অধিবেশন ডাকা হয়েছিল। সেখানে সর্বসম্মতভাবে গৃহীত এক প্রস্তাবে পানি না ছাড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। গতকালের বৈঠকে বিধানসভার বিরোধী নেতা জগদীশ শেখার বলেন,
বিশেষ অধিবেশনের সর্বসম্মত প্রস্তাব অনুযায়ীই সরকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। তিনি বলেন, আজ বৃহস্পতিবার দুই রাজ্যের কর্তাদের বৈঠক হওয়ার কথা। তার আগে রাজ্য যেন পানি না ছাড়ে। কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এর আগে আদালত অবমাননা না করার পক্ষে মত দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে জনমতের বিরুদ্ধে না গিয়ে তিনি পানি ছাড়া নিয়ে কঠোর মনোভাব গ্রহণ করেন। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া গত মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের কথা শুনেই আমরা পানি ছাড়তে পারি না। তা সম্ভব না। আগে পুরো রায় পড়ে নিই। তারপর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’ সোমবার আদালতের আদেশের পর আগামী জানুয়ারি পর্যন্ত সময় চায় কর্নাটক সরকার। এর কারণ হিসেবে তারা বলেছে, এই পানি দেওয়ার ফলে রাজ্যে সংকট সৃষ্টি হবে।
No comments:
Post a Comment