সিলেটে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের হামলায় আহত কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে
অস্ত্রোপচারের পর পর্যবেক্ষণ পর্ব শুক্রবার শেষ হয়েছে। খাদিজার সর্বশেষ
পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তার অবস্থা জানাবে স্কয়ার
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এদিকে শাবি ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের বিরুদ্ধে
খাদিজাকে হত্যাচেষ্টার মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের
উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সিলেটের জেলা প্রশাসক জয়নাল আবেদীন।
শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা জানান।
জেলা প্রশাসক বলেন, 'সিলেটে অত্যন্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে শিশু রাজন হত্যার বিচার হয়েছে। একইভাবে খাদিজা হত্যাচেষ্টার বিচারও দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে পুলিশ ও জেলা প্রশাসন সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে।' তিনি বলেন, 'তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দিবে। সেটি গৃহীত হলে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে।' উল্লেখ্য, গত সোমবার বিকালে সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে সরকারি মহিলা কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার নার্গিসের ওপর হামলা চালায় শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শেষবর্ষের ছাত্র ও শাবি ছাত্রলীগের সহসম্পাদক বদরুল আলম। এ সময় সে চাপাতি দিয়ে খাদিজার শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপাতে থাকে। এতে খাদিজা মাথা ও পায়ে গুরুতর আঘাত পান।
জেলা প্রশাসক বলেন, 'সিলেটে অত্যন্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে শিশু রাজন হত্যার বিচার হয়েছে। একইভাবে খাদিজা হত্যাচেষ্টার বিচারও দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে পুলিশ ও জেলা প্রশাসন সমন্বিত উদ্যোগ নিয়েছে।' তিনি বলেন, 'তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দিবে। সেটি গৃহীত হলে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের জন্য প্রস্তাব পাঠানো হবে।' উল্লেখ্য, গত সোমবার বিকালে সিলেটের এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে সরকারি মহিলা কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার নার্গিসের ওপর হামলা চালায় শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শেষবর্ষের ছাত্র ও শাবি ছাত্রলীগের সহসম্পাদক বদরুল আলম। এ সময় সে চাপাতি দিয়ে খাদিজার শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপাতে থাকে। এতে খাদিজা মাথা ও পায়ে গুরুতর আঘাত পান।
পরে খাদিজার সহপাঠী ও স্থানীয়রা ধাওয়া করে বদরুলকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে।
একই সঙ্গে স্থানীয়রা খাদিজাকে উদ্ধার করে ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে তার মাথায় অস্ত্রোপচার করে সেলাই দেয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে
মঙ্গলবার ভোরে খাদিজাকে রাজধানী ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে আরেক দফা তার মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়। বর্তমানে তাকে হাসপাতালের
আইসিইউতে রাখা হয়েছে। খাদিজার ওপর হামলার ঘটনায় বদরুলকে আসামি করে মামলা
দায়ের করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়া খাদিজাকে কোপানোর কথা স্বীকার করে গত বুধবার আদালতে
স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে বদরুল।

No comments:
Post a Comment