গোয়ায় নিজের বাড়ি থেকে সুগন্ধি বিশেষজ্ঞ
মনিকা ঘুর্দের (৩৯) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের সন্দেহ, ডাকাতি করতে এসে
মনিকাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। ক্যালাঙ্গুট সৈকতের কাছে সাঙ্গোলদা নামে
একটি গ্রামে মনিকার অ্যাপার্টমেন্ট। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি একাই
থাকতেন। স্থানীয় পরভরিম থানার ইনস্পেক্টর জানান, বৃহস্পতিবার রাতে ওই
অ্যাপার্টমেন্টে গিয়ে দেখা যায়, শোওয়ার ঘরে পড়ে রয়েছে মনিকার নগ্ন দেহ।
তার হাত ও পা দু'টি খাটের সঙ্গে বাঁধা। প্রাথমিকভাবে পুলিশের সন্দেহ, তাকে
ধর্ষণ করে খুন করেছে অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা।
গলার কাছে একটি দাগ দেখে মনে করা হচ্ছে, মনিকাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। গৃহপরিচারিকা এসে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের জানায়। তাদের একজনের কাছে মনিকা একটি বাড়তি চাবি রাখতেন। তিনিই ঘর খুলে ঢোকেন প্রথমে। এরপর খাটের ওপর দেখতে পান মনিকার নগ্ন দেহ। চিত্রগ্রাহক হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন মনিকা। তার তোলা ছবির সংকলন একাধিক বই হয়ে বেরিয়েছে। তারপর সুগন্ধি বিশেষজ্ঞ হিসেবেও বিশ্বজোড়া নাম কিনেছিলেন মনিকা। দেশে দেশে সুগন্ধি বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করতো তার গড়ে তোলা 'মো ল্যাবস'। বিশেষ করে জুঁই ফুল এবং তার সুবাস ছিল মনিকার আগ্রহের বিষয়। মানুষের মনের সঙ্গে গন্ধের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা ছিল তার। ইতিহাসবিদ উইলিয়াম ডালরিম্পলের সঙ্গে মিলে জুঁই ফুলের ইতিহাসও খুঁজতে শুরু করেছিলেন। প্রায়ই হেসে মনিকা বলতেন, 'আমি জুঁই ফুলকে অনুসরণ করি, না জুঁই ফুল আমাকে, বুঝতেই পারি না মাঝে মাঝে!' মনিকা মহারাষ্ট্রের নাগপুর থেকে চলতি বছরের জুলাইয়ে সাঙ্গোলদাতে বাসা নেন, যেটি গোয়ার রাজধানী পাঞ্জিম থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে।
তথ্যসূত্র- টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি, আনন্দবাজার
গলার কাছে একটি দাগ দেখে মনে করা হচ্ছে, মনিকাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। গৃহপরিচারিকা এসে সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের জানায়। তাদের একজনের কাছে মনিকা একটি বাড়তি চাবি রাখতেন। তিনিই ঘর খুলে ঢোকেন প্রথমে। এরপর খাটের ওপর দেখতে পান মনিকার নগ্ন দেহ। চিত্রগ্রাহক হিসেবে বিখ্যাত ছিলেন মনিকা। তার তোলা ছবির সংকলন একাধিক বই হয়ে বেরিয়েছে। তারপর সুগন্ধি বিশেষজ্ঞ হিসেবেও বিশ্বজোড়া নাম কিনেছিলেন মনিকা। দেশে দেশে সুগন্ধি বিষয়ক কর্মশালার আয়োজন করতো তার গড়ে তোলা 'মো ল্যাবস'। বিশেষ করে জুঁই ফুল এবং তার সুবাস ছিল মনিকার আগ্রহের বিষয়। মানুষের মনের সঙ্গে গন্ধের সম্পর্ক নিয়ে গবেষণা ছিল তার। ইতিহাসবিদ উইলিয়াম ডালরিম্পলের সঙ্গে মিলে জুঁই ফুলের ইতিহাসও খুঁজতে শুরু করেছিলেন। প্রায়ই হেসে মনিকা বলতেন, 'আমি জুঁই ফুলকে অনুসরণ করি, না জুঁই ফুল আমাকে, বুঝতেই পারি না মাঝে মাঝে!' মনিকা মহারাষ্ট্রের নাগপুর থেকে চলতি বছরের জুলাইয়ে সাঙ্গোলদাতে বাসা নেন, যেটি গোয়ার রাজধানী পাঞ্জিম থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে।
তথ্যসূত্র- টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি, আনন্দবাজার

No comments:
Post a Comment