ভারতের মধ্যপ্রদেশের ভোপাল জেলের নিরাপত্তারক্ষীকে গলাকেটে পালানো দেশটির নিষিদ্ধ ছাত্রসংগঠন স্টুডেন্টস ইসলামিক মুভমেন্ট অব ইন্ডিয়ার (সিমি) ৮ সদস্যই এনকাউন্টারে নিহত হয়েছেন। রোববার গভীর রাতে ওই বন্দিরা জেল থেকে পালিয়ে যান। এর আট ঘণ্টা পর সোমবার সকালে ভোপাল থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে এন্তেখেড়ি গ্রামের কাছে পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম গ্রুপের (সিটিজি) এনকাউন্টারে তারা মারা যান। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভির। নিহতদের সাতজন হলেন, মোহাম্মদ আকিল খিলজি ওরফে আবদুল্লাহ, মেহবুব গুড্ডু ওরফে মল্লিক, মোহাম্মদ খালিদ আহমাদ, মুজিব শেখ ওরফে আকরাম ওরফে ওয়াসিম, আমজাদ, জাকির হোসেন শেখ ওরফে ভিকি ডন, বিনয় কুমার ও আবদুল মজিদ। এদের মধ্যে জাকির, মেহবুব ও আমজাদ তিন বছর আগে অন্য একটি জেল থেকে পালিয়ে গিয়েছিল।
► কারারক্ষীর গলাকেটে ৮ বন্দির পলায়ন
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, আনুমানিক রাত ২টার দিকে তারা কারারক্ষীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গলাকেটে খুন করে। পরে বিছানার চাদরের সহায়তায় দেয়াল বেয়ে পালিয়ে যায় বন্দিরা। এরপর দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মধ্য প্রদেশ কর্তৃপক্ষকে প্রদেশজুড়ে সতর্কতা জারির নির্দেশনা দেয়। পাশাপাশি পুরো দেশেও পলাতক বন্দিদের ধরতে এই সতর্কবার্তা জারি করে ব্যাপক অভিযান শুরু করে। নিহত বন্দিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ এবং ডাকাতির বিচার চলছিল। জেল পলাতকরা ২০১৩ সালে ভোপাল থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরের কান্দোয়া জেল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময়ও একই পদ্ধতি অবলম্বন করেছিল। অভিযানে অংশ নেয়া আইজি যোগেশ চৌধুরী জানান, গানডা পুলিশ ফাঁড়ির নিকটবর্তী মানিখেদা এলাকায় তাদেরকে স্থানীয়রা ডাকাত ভেবে পুলিশে খবর দেয়। এ সময় পলাতক বন্দিরা স্থানীয়দের লক্ষ্য করে ইট-পাথরও ছুড়ে মারে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানালে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে বন্দিরা নিহত হয়। এ সময় দুই পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছে বলে জানান জোগেশ চৌধুরী।
► কারারক্ষীর গলাকেটে ৮ বন্দির পলায়ন
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, আনুমানিক রাত ২টার দিকে তারা কারারক্ষীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে গলাকেটে খুন করে। পরে বিছানার চাদরের সহায়তায় দেয়াল বেয়ে পালিয়ে যায় বন্দিরা। এরপর দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মধ্য প্রদেশ কর্তৃপক্ষকে প্রদেশজুড়ে সতর্কতা জারির নির্দেশনা দেয়। পাশাপাশি পুরো দেশেও পলাতক বন্দিদের ধরতে এই সতর্কবার্তা জারি করে ব্যাপক অভিযান শুরু করে। নিহত বন্দিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ এবং ডাকাতির বিচার চলছিল। জেল পলাতকরা ২০১৩ সালে ভোপাল থেকে ২৮০ কিলোমিটার দূরের কান্দোয়া জেল থেকে পালিয়ে যাওয়ার সময়ও একই পদ্ধতি অবলম্বন করেছিল। অভিযানে অংশ নেয়া আইজি যোগেশ চৌধুরী জানান, গানডা পুলিশ ফাঁড়ির নিকটবর্তী মানিখেদা এলাকায় তাদেরকে স্থানীয়রা ডাকাত ভেবে পুলিশে খবর দেয়। এ সময় পলাতক বন্দিরা স্থানীয়দের লক্ষ্য করে ইট-পাথরও ছুড়ে মারে। পরে পুলিশ গিয়ে তাদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানালে গুলি চালায়। পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে বন্দিরা নিহত হয়। এ সময় দুই পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছে বলে জানান জোগেশ চৌধুরী।

No comments:
Post a Comment