Sunday, October 9, 2016

অভিষিক্তদের প্রিয় প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ!

বাংলাদেশের বিপক্ষে আরও এক বোলারের অভিষেক, আরও একবার তার জ্বলে ওঠা! তিনি আনকোরা কানাডিয়ান অস্টিন কড্রিংটন হোন কিংবা তরুণ প্রতিভাবান প্রোটিয়া কাগিসো রাবাদা। তালিকায় নবতম সংযোজন জ্যাক বল। বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ইংল্যান্ডের জয়ের নায়ক অভিষিক্ত পেসার বল। তার খেলারই কথা ছিল না। কিন্তু ম্যাচের আগে বাঁ-পায়ের বুড়ো আঙুলের চোটে ছিটকে গেলেন লিয়াম প্লাংকেট। সুযোগ পেয়ে বল নাম লেখালেন ইতিহাসে। ৫১ রানে নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। এই প্রথম অভিষেক ওয়ানডেতে পাঁচ উইকেট পেলেন ইংল্যান্ডের কেউ। তবে নতুন বোলারের বিপক্ষে বাংলাদেশের দুর্দশা এটিই প্রথম নয়। ওয়ানডে অভিষেকে পাঁচ উইকেট নিয়েছেন এখন পর্যন্ত ১৩ জন বোলার। তাদের প্রথমজন, শ্রীলংকার শাউল কারনাইনের যখন অভিষেক, বাংলাদেশ তখনও পা রাখেনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। আরও দু’জন আছেন বাংলাদেশেরই- তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান। বাকি ১০ জনের চারজনই অভিষেকে পাঁচ উইকেট পেয়েছেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। প্রথম পেয়েছিলেন কড্রিংটন।
নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম বিব্রতকর হারের তিক্ত স্বাদ পেয়েছিল বাংলাদেশ কড্রিংটনের সৌজন্যেই। ২০০৩ বিশ্বকাপে কানাডার এই পেসার নিয়েছিলেন ২৭ রানে পাঁচ উইকেট। কানাডার ১৮০ রান তাড়ায় ৬০ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ! ২০১১ সালে এসে আবারও একই রকম অভিজ্ঞতা। ব্রায়ান ভিটরি নিলেন ৩০ রানে পাঁচ উইকেট। আট ওভারের প্রথম স্পেলেই নিয়েছিলেন পাঁচ উইকেট। পরে ফিরে আরেকটি। বাংলাদেশ হেরেছিল সেই ম্যাচ। গত বছর মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামেই গতি ও আগ্রাসনে বাংলাদেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছিলেন প্রোটিয়া পেসার রাবাদা। অভিষেকেই হ্যাটট্রিক করলেন, গড়লেন অভিষেকে সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। ১৬ রানে ছয় উইকেট! যথারীতি হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার অভিষেকে বাংলাদেশকে ভোগালেন বল। পাঁচ উইকেট ছাড়াও অভিষেকে বাংলাদেশের বিপক্ষে চার উইকেট পেয়েছেন ইংল্যান্ডের ক্রিস ট্রেমলেট, ওয়েস্ট ইন্ডিজের টিনো বেস্ট। এমনকি পাকিস্তানের ওয়াজাহাতুল্লাহ ওয়াস্তি, যিনি ছিলেন মূলত ব্যাটসম্যান, অভিষেকে তিনিও ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের বিপক্ষে বল হাতে পেয়েছিলেন তিন উইকেট! ওয়াস্তির তিন উইকেট নেয়ার মতো সেসব দিন বাংলাদেশের ক্রিকেটে এখন আর অবশ্যই নেই। তবে এখনও অভিষিক্তদের প্রিয় প্রতিপক্ষ বাংলাদেশ! বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

No comments:

Post a Comment