![]() |
| অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। ফাইল ফটো |
ভারতীয়
বাংলা ছবির জনপ্রিয় অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের বাবার অস্বাভাবিক মৃত্যু
হয়েছে। শনিবার পশ্চিমবঙ্গের পাঁশকুড়া রেল লাইনের পাশ থেকে রুদ্রনীলের বাবা
রবীন ঘোষের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে নিখোঁজ হন রবীন
ঘোষ। পরে থানায় খবর দিয়েছিলেন তার স্বজনরা। পুলিশের পাশাপাশি পরিবারের পক্ষ
থেকেও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নেয়া হয়েছিল। কিন্তু গত তিন দিন কোনো খোঁজ
পাওয়া যায়নি রবীন ঘোষের। শনিবার পাঁশকুড়া জিআরপি থেকে রুদ্রনীলকে ফোন করে
জানানো হয়, রেল লাইনের পাশ থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। তার ব্যাগ থেকে
পাওয়া কাগজপত্র দেখে অনুমান করা হয়, এটি রবীন ঘোষের মরদেহ।
খবর পেয়েই সংশ্লিষ্ট মর্গে পৌঁছান রুদ্রনীল। মৃতদেহটি তার বাবা রবীন ঘোষের বলেই শনাক্ত করেন তিনি। জানা গেছে, রাণিকুঠিতে থাকেন রুদ্রনীল ঘোষ। আর হাওড়ার বাড়িতে একাই থাকতেন তার বাবা রবীন ঘোষ। ২০১১ সালে রুদ্রনীলের মা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সে দিনও ছিল মহাসপ্তমী। ঘটনাচক্রে রুদ্রনীল ঘোষের বাবার মৃতদেহ যেদিন রেল লাইনের পাশ থেকে উদ্ধার করা হল, সে দিনও মহাসপ্তমী। রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, 'মর্গে বাবার ব্যাগ, উচ্চতা দেখে তাকে চিনতে পেরেছি। যদিও বাবাকে দেখে চেনার উপায় নেই।' রাত দেড়টার দিকে রবীন ঘোষের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে।
খবর পেয়েই সংশ্লিষ্ট মর্গে পৌঁছান রুদ্রনীল। মৃতদেহটি তার বাবা রবীন ঘোষের বলেই শনাক্ত করেন তিনি। জানা গেছে, রাণিকুঠিতে থাকেন রুদ্রনীল ঘোষ। আর হাওড়ার বাড়িতে একাই থাকতেন তার বাবা রবীন ঘোষ। ২০১১ সালে রুদ্রনীলের মা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সে দিনও ছিল মহাসপ্তমী। ঘটনাচক্রে রুদ্রনীল ঘোষের বাবার মৃতদেহ যেদিন রেল লাইনের পাশ থেকে উদ্ধার করা হল, সে দিনও মহাসপ্তমী। রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, 'মর্গে বাবার ব্যাগ, উচ্চতা দেখে তাকে চিনতে পেরেছি। যদিও বাবাকে দেখে চেনার উপায় নেই।' রাত দেড়টার দিকে রবীন ঘোষের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে।

No comments:
Post a Comment