খাকি পোশাক গায়ে চড়ান। পালন করেন
আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব। কিন্তু ব্যতিক্রমী ভূমিকায় নেমে আলোচনায়
এসেছেন। জনপ্রিয় একটি মিউজিক ভিডিওতে নেচেগেয়ে রীতিমতো তারকা বনে গেছেন
তিনি। নাম তাঁর স্যামুয়েল ওজোবিরা। উগান্ডার এই পুলিশ পরিদর্শক ‘ও.জে’
নামে পরিচিত হয়ে গেছেন। আর তাঁর যে গানটি জনপ্রিয় হয়েছে, তার শিরোনাম
‘ফিজিক্যালি ফিট’। এতে তিনি পুলিশ বাহিনীর নানা রকমের গুণের কথাই বর্ণনা
করেছেন।
গায়কের ভূমিকায় পুলিশকে দেখে উগান্ডার অনেকে খুশি, বিশেষ করে ও.জের সহকর্মীরা। কিন্তু বেরসিক কেউ কেউ যুক্তি দেখাচ্ছেন, গানবাজনা বাদ দিয়ে আইন প্রয়োগের দিকেই পুলিশের বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত। সে যা-ই হোক, এ রকম দু-একটা তির্যক মন্তব্যে ও.জের গানটার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি মোটেও। কী আছে ওই মিউজিক ভিডিওতে? তিনি র্যাপসংগীতের তালে তালে বলেছেন, ‘আজকের পুলিশ আগের দিনের মতো নয়।’ ও.জের সঙ্গে আকর্ষণীয় নাচে অংশ নেন ইউনিফর্মধারী আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য। একটা দৃশ্যে একদল সুদর্শনা নারীকেও দেখা যায়। তাঁরা একই রকমের পাজামা আর টুপি পরে নেচেছেন।
পুলিশের সংগীত, নৃত্য আর নাটক শাখার একজন সদস্য ও.জে। গেয়েছেন উগান্ডা ও ইংরেজি ভাষায়। মিউজিক ভিডিওতে একটা কাহিনিও আছে। তাতে দেখা যায়, একজন সাধারণ মানুষের কাছে খবর পেয়ে একদল পুলিশ সদস্য ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অভিযান চালিয়ে একটি অপহরণচেষ্টা বানচাল করে দেন। ও.জে বলেন, তিনি জনসাধারণ ও পুলিশের মধ্যে সেতুবন্ধ গড়তে চেষ্টা করেছেন। মানুষকে বলতে চেয়েছেন, পুলিশ এখন একটা পেশাদার বাহিনী। পাশাপাশি তিনি সহকর্মীদের সততা ও দেশপ্রেমের দিকটিও তুলে ধরেছেন, যাতে কঠিন পরিস্থিতিতেও পুলিশ সদস্যরা দেশের জন্য কাজ করার বাড়তি অনুপ্রেরণা পান।
উগান্ডার প্রেসিডেন্ট এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক ওই গানের প্রশংসা করেছেন। ও.জে বললেন, এই গান করার ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বুঝিয়ে অনুমতি আদায় করতে যথেষ্ট কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। ও.জে বলেন, মিউজিক ভিডিওটি দেখে অনেকে অবাক হয়েছেন। কারণ, তাঁদের ধারণা, পুলিশ বুঝি কাঁদানে গ্যাস ছোড়া আর লাঠিপেটা করা ছাড়া তেমন কিছু জানে না। উগান্ডার পুলিশপ্রধান কালে কায়িহুরা ওই মিউজিক ভিডিওর সাফল্যে সন্তোষ জানিয়ে বলেছেন, ‘আমরা ওজোবিরাকে নিয়ে গর্বিত। গানের মাধ্যমে সে একটা বাহিনীর সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ গড়ে দিতে পেরেছে।’
গায়কের ভূমিকায় পুলিশকে দেখে উগান্ডার অনেকে খুশি, বিশেষ করে ও.জের সহকর্মীরা। কিন্তু বেরসিক কেউ কেউ যুক্তি দেখাচ্ছেন, গানবাজনা বাদ দিয়ে আইন প্রয়োগের দিকেই পুলিশের বেশি মনোযোগী হওয়া উচিত। সে যা-ই হোক, এ রকম দু-একটা তির্যক মন্তব্যে ও.জের গানটার জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি মোটেও। কী আছে ওই মিউজিক ভিডিওতে? তিনি র্যাপসংগীতের তালে তালে বলেছেন, ‘আজকের পুলিশ আগের দিনের মতো নয়।’ ও.জের সঙ্গে আকর্ষণীয় নাচে অংশ নেন ইউনিফর্মধারী আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য। একটা দৃশ্যে একদল সুদর্শনা নারীকেও দেখা যায়। তাঁরা একই রকমের পাজামা আর টুপি পরে নেচেছেন।
পুলিশের সংগীত, নৃত্য আর নাটক শাখার একজন সদস্য ও.জে। গেয়েছেন উগান্ডা ও ইংরেজি ভাষায়। মিউজিক ভিডিওতে একটা কাহিনিও আছে। তাতে দেখা যায়, একজন সাধারণ মানুষের কাছে খবর পেয়ে একদল পুলিশ সদস্য ভারী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অভিযান চালিয়ে একটি অপহরণচেষ্টা বানচাল করে দেন। ও.জে বলেন, তিনি জনসাধারণ ও পুলিশের মধ্যে সেতুবন্ধ গড়তে চেষ্টা করেছেন। মানুষকে বলতে চেয়েছেন, পুলিশ এখন একটা পেশাদার বাহিনী। পাশাপাশি তিনি সহকর্মীদের সততা ও দেশপ্রেমের দিকটিও তুলে ধরেছেন, যাতে কঠিন পরিস্থিতিতেও পুলিশ সদস্যরা দেশের জন্য কাজ করার বাড়তি অনুপ্রেরণা পান।
উগান্ডার প্রেসিডেন্ট এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক ওই গানের প্রশংসা করেছেন। ও.জে বললেন, এই গান করার ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বুঝিয়ে অনুমতি আদায় করতে যথেষ্ট কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে। ও.জে বলেন, মিউজিক ভিডিওটি দেখে অনেকে অবাক হয়েছেন। কারণ, তাঁদের ধারণা, পুলিশ বুঝি কাঁদানে গ্যাস ছোড়া আর লাঠিপেটা করা ছাড়া তেমন কিছু জানে না। উগান্ডার পুলিশপ্রধান কালে কায়িহুরা ওই মিউজিক ভিডিওর সাফল্যে সন্তোষ জানিয়ে বলেছেন, ‘আমরা ওজোবিরাকে নিয়ে গর্বিত। গানের মাধ্যমে সে একটা বাহিনীর সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ গড়ে দিতে পেরেছে।’

No comments:
Post a Comment