দিনাজপুরের
পার্বতীপুরে ধর্ষণের শিকার পাঁচ বছরের শিশুটির অব্স্থা এখন উন্নতির দিকে।
শিশুটি শারীরিকভাবে খুব দুর্বল হওয়ায় তাকে উচ্চমাত্রায় এন্টিবায়োটিক দেয়া
হয়েছে। শিশুটির ক্ষত হাড় পর্যন্ত পৌঁছেছে, পুরোপুরি সুস্থ হতে এখনও এক-দুই
মাস সময় লাগবে। বৃহস্পতিবার বেলা ১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের
ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) এক সংবাদ সম্মেলনে ঢামেক হাসপাতালের
পরিচালক ব্রিগেডিয়ায় জেনারেল মো. মিজানুর রহমান এ কথা জানান। তিনি বলেন,
শিশুটিকে উচ্চমাত্রায় এন্টিবায়োটিক দেয়া হয়েছে। শারীরিকভাবে দুর্বল থাকায়
শিশুটির হাই-প্রোটিন ডায়েট চলছে। শিশুটির গায়ে হাত দিলে আঁৎকে উঠছে। এখনও
আতংক কাটেনি তার। শিশুটি পুরোপুরি সুস্থ হতে এক-দুই মাস সময় লাগবে। এরপরই
বোঝা যাবে তার অপারেশন লাগবে কি না। তবে ক্ষত হাড় পর্যন্ত পৌঁছেছে।
পোস্ট
অপারেটিভ ওয়ার্ডে শিশুটির চিকিৎসা চলছে। তার চিকিৎসার পুরো খরচ হাসপাতাল
কতৃপক্ষ বহন করবে বলেও জানান মিজানুর রহমান। এদিকে দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর
বিশেষ সহকারী মাহাবুবুল হক শাকিল মেয়েটির পরিবারের ও হাসপাতাল পরিচালকের
সঙ্গে দেখা করেন। এসময় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারিভাবে ওই
শিশুটির সব চিকিৎসা চলবে। এরআগে ওসিসি সেন্টারের সমন্বয়কারী ডা. বিলকিস
বেগম জানান, ধর্ষণের শিকার শিশুটির যৌনাঙ্গ খুবই আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে। বুধবার
সকালে তাকে অপারেশন করার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু যৌনাঙ্গ সংক্রমণ
থাকায় অপারেশনের সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়। এদিকে শিশুটিকে ধর্ষণের ঘটনায়
অভিযুক্ত সাইফলুকে গ্রেফতার করেছে পার্বতীপুর থানার পুলিশ। উল্লেখ্য, গত ১৮
অক্টোবর জমিরহাট তকেয়াপাড়া গ্রামের বাড়ির পাশে খেলা করছিল পাঁচ বছরের
কন্যাশিশুটি। এ সময় তার জেঠা বলে পরিচিত সাইফুল (৩৮) চকলেট ও সন্দেশের
প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। পরদিন ভোরে বাড়ির পাশে হলুদক্ষেতে
অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে পাওয়া যায় বলে জানান তার বাবা পিকআপভ্যানের চালক।

No comments:
Post a Comment