বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় 'কায়ান্ট' দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে।
আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায়
অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘কায়ান্ট’ আরও পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিম দিকে অগ্রসর এবং
দুর্বল হয়ে একই এলাকায় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর ফলে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হচ্ছে।
হঠাৎই দিনের শুরুতে বৃষ্টিতে কর্মমুখী মানুষ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগামী
শিক্ষার্থীরা পড়েছেন দুর্ভোগে। বিশেষ করে রাজধানীর মানুষ সাতসকালে কাকভেঁজা
হয়েই গন্তব্যে ছুটেন। বৃষ্টিতে সকালের প্রথম দিকে যানবাহন কম থাকায়
গন্তব্যমুখীদের দুর্ভোগের মাত্রা ছিল একটু বেশিই। আবহাওয়ার বুলেটিনে বলা
হয়েছে, গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা
সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘন্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৬০
কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী
এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। বুলেটিনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা
সমুদ্র বন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুশিয়ারি সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১
নম্বর পুনঃ ১ নম্বর দূরবর্তী সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। আবহাওয়ার
সর্বশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর
থেকে ৯৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্র বন্দর থেকে ৯৩০
কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ৮৫৫ কিলোমিটার
দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্র বন্দর থেকে ৮৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে
ঘূণিঝড় 'কায়ান্ট' অবস্থান করছিল। এটি আরও পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিম দিকে অগ্রসর
হতে পারে।

No comments:
Post a Comment