নেশার
জন্য মাত্র পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে এক পাষণ্ড অপহরণ করে ফুটফুটে
শিশুটিকে। শেষ পর্যন্ত প্রাণে বাঁচেনি চার বছরের জান্নাতুল। ১৬ দিন পর
মিলেছে তার গলিত লাশ। কামারখন্দ উপজেলায় পরিত্যক্ত একটি কূপ থেকে
জান্নাতুলের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রিমান্ডে আসামি মঞ্জুর স্বীকারোক্তি
অনুযায়ী শনিবার সকাল ৯টার দিকে জামতৈল এলাকায় উপজেলার প্রধান ডাকঘরের পাশের
জঙ্গলে পরিত্যক্ত কূপ থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। জান্নাতুল উপজেলার জামতৈল
রেলস্টেশনের কুলি সর্দার আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। ৭ অক্টোবর বিকালে শিশুটি
অপহরণের শিকার হয়।
ওই দিন রাতেই
শিশুর বাবা বাদী হয়ে কামারখন্দ থানায় একটি মামলা করেন। এর আগে সন্ধ্যায়
জান্নাতুলকে অপহরণে জড়িত সন্দেহে ওই গ্রামের মৃত আবদুল হামিদের ছেলে মো.
মঞ্জুকে আটক করে পুলিশে দেন এলাকাবাসী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মঞ্জু নেশার
টাকা জোগাড় করতে ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে জান্নাতুলকে অপহরণের কথা স্বীকার
করে। সে জানায়, শিশুটিকে নাজমুল নামে এক যুবকের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। এ
তথ্যের ভিত্তিতে ২০ অক্টোবর উল্লাপাড়া উপজেলার কাওয়াক গ্রামের মৃত লিটনের
ছেলে নাজমুলকে আটক করে পুলিশ। কামারখন্দ থানার ওসি বাবুল উদ্দীন সরদার
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মঞ্জুকে আটকের পর আদালতে হাজির করে
দু’দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুক্রবার রাতে
রিমান্ডে তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার সকাল ৯টার দিকে শিশুটির লাশ
উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী হত্যাকারীদের ফাঁসির দাবিতে
একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে।

No comments:
Post a Comment