জাপানের
জাইকা’র অর্থায়নে সিটি গভর্নেন্স প্রকল্পের অধীনে চট্টগ্রাম সিটি
কর্পোরেশন এলাকায় চলমান উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং অবকাঠামো উন্নয়ন ও
ইনক্লুসিভ নগর পরিচালনা কর্মসূচী সঠিকভাবে বাস্তবায়নের লক্ষে চট্টগ্রাম
সিটি কর্পোরেশন এলাকার জন্য বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশার প্রতিনিধিদের নিয়ে
গঠিত ১০৩ সদস্য বিশিষ্ট সিভিল সোসাইটি কো-অর্ডিনেশন কমিটির ৫ম সভা ২
অক্টোবর ২০১৬ খ্রিঃ রবিবার, দুপুরে কে বি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে কমিটির
সভাপতি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন এর
সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কমিটির সদস্য সচিব ও সিটি কর্পোরেশনের
ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল হোসেন, কমিটির সদস্য
কাউন্সিলর, সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর,চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি কলিম
সরওয়ার, সাবেক সভাপতি আলী আব্বাস, সুপ্রভাত বাংলাদেশের সহযোগী সম্পাদক এম
নাসিরুল হক, বিজিএমইএ’র প্রথম সহ সভাপতি মঈন উদ্দিন আহমদ মিন্টু, আই ই বি’র
সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন, আইইবি’র চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ভাইস
চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এম এ রশিদ, সনাক সভাপতি প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন
মজুমদার, চেম্বার পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, অহিদ সিরাজ স্বপন, বিএমএ যুগ্ম
সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, এডিশনাল পিপি মিলি চৌধুরী,
সিডিসি’র টাউন ফেডারেশনের চেয়ারপার্সন ঊষা দে, ওমেন চেম্বার পরিচালক রেখা
আলম চৌধুরী, শামীমা হারুন লুবনা সহ কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভার
সভাপতির বক্তব্যে সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, জাইকার
অবকাঠামোগত উন্নয়ন কাজে সিটি কর্পোরেশনের কোন বিনিয়োগ নেই। জাইকা’র
অর্থায়নে চলছে অবকাঠামোগত উন্নয়ন। ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে প্রথম ধাপে ১৯টি
প্রকল্পের অধীনে প্রায় ১৮৭ কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করছে জাইকা। মেয়র বলেন,
দ্বিতীয় ধাপে জাইকার অর্থায়নে প্রায় ৫৮৭ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গৃহিত
হয়েছে। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী’র আগ্রহের
কারনে জাইকা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে উন্নয়নের আওতায় নিয়েছে।
প্রসঙ্গক্রমে মেয়র কমিটির অবগতির জন্য বলেন, তিন অর্থ বছরের মধ্যে নগরীর ৪১
টি ওয়ার্ডের সবগুলো সড়ক, রাস্তা ও বাইলেইন কার্পেটিং করা হবে। নগরীর
সবগুলো খাল ও নালার মাটি উত্তোলন করা হবে। শহরকে এলইডি, সোলারের আওতায় এনে
শতভাগ আলোকিত করা হবে। নগরীর ফুটপাত,মিডআইল্যান্ড ও গোলচত্বর বিউটিফিকেশনের
আওতায় দৃষ্টি নন্দন ও গ্রীন করা হবে। নগরীর যানজট নিরসন সহ ট্রাফিক
সিষ্টেমকে আধুনিকায়ন করা হবে। মেয়র বলেন, নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডকে জরিপ করে
ভিডিও করা হয়েছে। ভিডিও ফুটেজ দেখে দেখে অবৈধ স্থাপনা অপসারন করার
কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, নগরীর
সৌন্দর্য রক্ষা ও বৃদ্ধির স্বার্থে এবং যানজট নিরসন ও জনসাধারনের চলাচলের
স্বার্থে রাস্তাগুলোকে অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার করা হবে। হকারদের স্বার্থে
হকারদেরকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা হবে। নিরপেক্ষ ও গোপনীয়তা রক্ষা করে হকার
পরিসংখ্যান করা হবে। প্রকৃত হকারদের পরিচয় পত্র সরবরাহ করা হবে। সিটি
কর্পোরেশন ফুটপাত চিহ্নিত করে চলাচলের জন্য ৩/২ অংশ বাদ দিয়ে ৩/১ অংশের
মধ্যে সু-শৃঙ্খলভাবে হকারদের ব্যবসার সুযোগ দেয়া হবে। তবে সন্ধ্যা ৬ টা
থেকে রাত ১১টার মধ্যে হকার’রা ব্যবসা করতে পারবে। মেয়র বলেন, দিনের বেলার
বাকী সময়ে হাকরগণ ভিন্ন ভিন্ন পেশায় নিয়োজিত থেকে আয়ের সুযোগ পাবে। তিনি
বলেন, হকার সংগঠন সহ হকারদের সাথে বৈঠক করে হকারদের বিষয়ে চূড়ান্ত
সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। সিটি মেয়র বলেন, সিভিল সোসাইটি কো-অর্ডিনেশন কমিটির
সদস্যদের সু-চিন্তিত প্রস্তাব ও পরামর্শকে নাগরিক স্বার্থে কাজে লাগানো
হবে। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বেশকিছু উন্নয়ন প্রকল্প একনেকের অনুমোদনের
অপেক্ষায় আছে। প্রসঙ্গক্রমে আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশন শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
সেবায় বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
শিক্ষার আলোতে আলোকিত নাগরিক গড়ার লক্ষে বছরে প্রায় ৪২ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, লেখা পড়ার অধিকার সুরক্ষায় কর্পোরেশন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি করছে এবং শিক্ষার্থীর সুবিধার্থে ডাবল শিফট চালু করবে, প্রয়োজনে আসন সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে। মেয়র সেবার স্বার্থে হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়মিত পরিশোধ করতে নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বলেন, শতশত কোটি টাকার দায় দেনা, দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করার পরও বিগত ১৪ মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে নিয়ম শৃংখলার মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি বলেন, আন্তরিকতা, সঠিক পরিকল্পনা ও দৃঢ়তা থাকলে কঠিনকে জয় করা যায়। তার প্রমান স্বরূপ মেয়র বলেন, বিলবোর্ড উচ্ছেদ একটি জলন্ত প্রমান। তিনি বলেন, রাতে বর্জ্য অপসারনের কাজ চলছে তা অব্যাহত থাকবে। ডোর টু ডোর আবর্জনা সংগ্রহ করার পাইলট প্রকল্প চলমান আছে। ব্যয় বহুল এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরীর পরিবেশ অনেক উন্নত হবে। তিনি বলেন, আগামী ৩ বছরের মধ্যে চট্টগ্রামে দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে। তিনি তাঁর ভিশন বাস্তবায়নে সিভিল সোসাইটি সহ নগরীর সর্বস্তরের নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে কৃষি অধিদপ্তরের সহযোগীতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সকল স্থাপনা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্থাপনায় শাক সবজি, ফল-মূল চাষের কর্মসূচি গ্রহণের কথা সভাকে অবহিত করেন। সিভিল সোসাইটি কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভায় কমিটির সদস্য বিজিএমইএ’র প্রথম সহ সভাপতি মঈন উদ্দিন আহমদ মিন্টু, বিএমএ চট্টগ্রামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এম এ রশিদ, চেম্বারের সাবেক পরিচালক সৈয়দ ছগির আহমদ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আলী আব্বাস, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ার, চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, সিডিসি নেত্রী গীতা রানী দাশ আলোচ্যসূচির উপর আলোকপাত করে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। তারা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন এর বলিষ্ট নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এর মর্যাদা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে প্রদানের প্রস্তাব করেন। তারা বলেন, বিগত কোরবানীর ঈদে পশু বর্জ্য অপসারনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাফল্য অতিতের রেকডকে ভঙ্গ করেছে। তারা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাতে সরকারের মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ প্রদান, পৌরকর আদায়ের ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ প্রয়োগ, সেবা খাতে ওয়াসা, সিডিএ ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে সমন্বয়ের প্রস্তাব করেন। অভিজাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের জন্য গাড়ী পার্কিং ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের বহন করার জন্য স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা করা, যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত করা, হকার সমস্যা সমাধান করা, রিক্সা লাইসেন্স প্রদান করা, বিধি মোতাবেক দোকান প্রতিষ্ঠান সমূহের সাইন বোর্ড ট্রাক্স ধার্য্য করা, বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা সমূহ সংস্কার করা, ভারী পরিবহন চলাচলে আইন মেনে চলা, নতুন ভবন নির্মাণে ভবনের ছাদে কৃষি কাজের ব্যবস্থা রাখা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন কল্পে আইন প্রণয়ন করা, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা এবং চট্টগ্রামের স্বার্থে উন্নয়ন কাজ ফলাও করে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ করা সহ নানামুখী প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
শিক্ষার আলোতে আলোকিত নাগরিক গড়ার লক্ষে বছরে প্রায় ৪২ কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছে। তিনি বলেন, লেখা পড়ার অধিকার সুরক্ষায় কর্পোরেশন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি করছে এবং শিক্ষার্থীর সুবিধার্থে ডাবল শিফট চালু করবে, প্রয়োজনে আসন সংখ্যা আরো বাড়ানো হবে। মেয়র সেবার স্বার্থে হোল্ডিং ট্যাক্স নিয়মিত পরিশোধ করতে নগরবাসীর প্রতি আহবান জানান। প্রসঙ্গক্রমে মেয়র বলেন, শতশত কোটি টাকার দায় দেনা, দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করার পরও বিগত ১৪ মাসের মধ্যে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে নিয়ম শৃংখলার মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। তিনি বলেন, আন্তরিকতা, সঠিক পরিকল্পনা ও দৃঢ়তা থাকলে কঠিনকে জয় করা যায়। তার প্রমান স্বরূপ মেয়র বলেন, বিলবোর্ড উচ্ছেদ একটি জলন্ত প্রমান। তিনি বলেন, রাতে বর্জ্য অপসারনের কাজ চলছে তা অব্যাহত থাকবে। ডোর টু ডোর আবর্জনা সংগ্রহ করার পাইলট প্রকল্প চলমান আছে। ব্যয় বহুল এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নগরীর পরিবেশ অনেক উন্নত হবে। তিনি বলেন, আগামী ৩ বছরের মধ্যে চট্টগ্রামে দৃশ্যমান পরিবর্তন হবে। তিনি তাঁর ভিশন বাস্তবায়নে সিভিল সোসাইটি সহ নগরীর সর্বস্তরের নগরবাসীর সহযোগিতা কামনা করে কৃষি অধিদপ্তরের সহযোগীতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সকল স্থাপনা, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্থাপনায় শাক সবজি, ফল-মূল চাষের কর্মসূচি গ্রহণের কথা সভাকে অবহিত করেন। সিভিল সোসাইটি কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভায় কমিটির সদস্য বিজিএমইএ’র প্রথম সহ সভাপতি মঈন উদ্দিন আহমদ মিন্টু, বিএমএ চট্টগ্রামের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মোহাম্মদ ফয়সাল ইকবাল চৌধুরী, আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাবেক চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন, ভাইস চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এম এ রশিদ, চেম্বারের সাবেক পরিচালক সৈয়দ ছগির আহমদ, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আলী আব্বাস, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সভাপতি কলিম সরওয়ার, চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ আজম, সিডিসি নেত্রী গীতা রানী দাশ আলোচ্যসূচির উপর আলোকপাত করে তাদের মতামত ব্যক্ত করেন। তারা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন এর বলিষ্ট নেতৃত্বের প্রশংসা করে বলেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এর মর্যাদা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে প্রদানের প্রস্তাব করেন। তারা বলেন, বিগত কোরবানীর ঈদে পশু বর্জ্য অপসারনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাফল্য অতিতের রেকডকে ভঙ্গ করেছে। তারা চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাতে সরকারের মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ প্রদান, পৌরকর আদায়ের ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ প্রয়োগ, সেবা খাতে ওয়াসা, সিডিএ ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে সমন্বয়ের প্রস্তাব করেন। অভিজাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহের জন্য গাড়ী পার্কিং ব্যবস্থা এবং শিক্ষার্থীদের বহন করার জন্য স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিজস্ব পরিবহন ব্যবস্থা করা, যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা উন্নত করা, হকার সমস্যা সমাধান করা, রিক্সা লাইসেন্স প্রদান করা, বিধি মোতাবেক দোকান প্রতিষ্ঠান সমূহের সাইন বোর্ড ট্রাক্স ধার্য্য করা, বর্ষায় ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা সমূহ সংস্কার করা, ভারী পরিবহন চলাচলে আইন মেনে চলা, নতুন ভবন নির্মাণে ভবনের ছাদে কৃষি কাজের ব্যবস্থা রাখা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন কল্পে আইন প্রণয়ন করা, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ করা এবং চট্টগ্রামের স্বার্থে উন্নয়ন কাজ ফলাও করে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ করা সহ নানামুখী প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
>>>চিটাগং ডেইলি ডটকম

No comments:
Post a Comment