লাস
ভেগাসের ইউনিভার্সিটি অব নেভাডায় অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও সর্বশেষ
প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে স্পষ্টত বিজয়ী হয়েছেন ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী
হিলারি ক্লিনটন। বিতর্ক চলাকালীন সিএনএন এর তাৎক্ষণিক জরিপে ৫২ শতাংশ দর্শক
এ রায় দিয়েছেন। ওদিকে, মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে বিশ্লেষকরাও হিলারির পাল্লা
ভারী বলে অভিমত দিয়েছেন। অর্থাৎ, তৃতীয় সর্বশেষ প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কেও
পরাজিত হলেন রিবপালিকান দলের প্রার্থী ডনাল্ড ট্রাম্প। পুরো বিতর্কের
চুম্বক অংশগুলো সংক্ষেপে দেখে নেয়া যাক।
নির্বাচনে ফল মেনে নেয়ার প্রসঙ্গ: মার্কিন গণতন্ত্রের ইতিহাসে এমন কখনও হয় নি যে কোন প্রার্থী নির্বাচনের ফল মেনে নেবেন কিনা তা নিয়ে নিশ্চিত নন। কিন্তু ট্রাম্প যখন প্রার্থী তখন মনে হয় সবকিছুই সম্ভব। বিতর্কের সঞ্চালক ক্রিস ওয়ালেস তার প্রশ্নে একথাও উল্লেখ করেছিলেন যে, ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর এ দেশের অন্যমত একটি গর্বের বিষয়। ট্রাম্প বললেন, নির্বাচনের ফল এলেই দেখা যাবে তিনি তা মানবেন কি না। বিতর্ক শেষে তার এ মন্তব্যই ছিল শীর্ষস্থানীয় সকল মার্কিন গণমাধ্যমের শিরোনাম। নিউ ইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটনটন পোস্ট থেকে শুরু করে সিএনএন, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পর্যন্ত। ট্রাম্পের এ মন্তব্যকে ‘ভয়ঙ্কর’ আখ্যা দেন হিলারি।
জাতীয় ঋণ প্রসঙ্গ: বিতর্কের সঞ্চালক দুই প্রার্থীর অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে বিশ্লেষকদের অভিমতের উদ্বৃত করেন যে তা জাতীয় ঋণ বৃদ্ধি করবে। ট্রাম্প সরাসরি ওই বিশ্লেষণ প্রত্যাখ্যান করেন। বলেন তিনি ‘অসাধারণ সব চাকুরি সৃষ্টি করবেন’ আর শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির জন্য ‘অর্থনৈতিক যন্ত্র’ গড়বেন। পক্ষান্তরে হিলারি ক্লিনটন বলেন, তিনি বিদ্যমান জাতীয় ঋণে এক পয়সাও যোগ করবেন না। ট্রাম্প এক পর্যায়ে মূল প্রশ্ন থেকে আলোচনা নিয়ে যান অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট বিষয়ে যেটা তিনি বাতিল করতে চান। এরপর হিলারি যখন ট্রাম্পের করফাঁকির প্রসঙ্গ তুলে আনেন তখনই ট্রাম্প ক্ষেপে গিয়ে তাকে ‘ন্যাস্টি ওম্যান’ বলে ওঠেন।
সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা: সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা নিয়ে করা প্রশ্নে হিলারি বলেন, তার প্রত্যাশা হলো আদালক সকল জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে। একই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে ট্রাম্প বলেন, হিলারি চান আদালতকে সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট থেকে দুরে সরিয়ে নিতে।
অভিবাসন: ট্রাম্প মন্তব্য করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে তৈরি মাদক সঙ্কটের পেছনে অপর্যাপ্ত সীমান্ত নিরাপত্তা দায়ী। অবৈধ অভিবাসীদের বের করে দেয়া আর সীমান্তে দেয়াল নির্মানের কথা ফের উল্লেখ করেন তিনি। হিলারি ক্লিনটন এ প্রসঙ্গ বলেন, তার অভিবাসন পরিকল্পনায় নিশ্চিতভাবে সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টি আছে। তবে অভিবাসীদের হটিয়ে দেয়ার জন্য যে পরিকল্পনা ট্রাম্প করেছেন তিনি সেটা দেখতে চান না। তিনি আরও বলেন, অভিবাসন ইস্যুতে ট্রাম্পের অবস্থা দ্বৈতনীতির সামিল। ট্রাম্প টাওয়ার নির্মানে ট্রাম্প অনিবন্ধিত শ্রমিক কাজে লাগিয়েছেন বলে মনে করিয়ে দেন হিলারি।
রাশিয়া ও পুতিন প্রসঙ্গ: সর্বশেষ বিতর্কেও একটি অংশ জুড়ে ছিল রাশিয়া এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন প্রসঙ্গ। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি পুতিনকে চিনি না। সে আমাকে নিয়ে ভালো ভালো কথা বলেছে। আমাদের মধ্যে যদি ভালো বোঝাপড়া হয় সেটা ভালো হবে। রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যদি বোঝাপড়া ভালো হয় তারা যদি আইসিসের বিরুদ্ধে একত্রে অভিযানে নামে সেটা দারুণ হবে।’ হিলারি ও প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রতি পুতিনের কোন শ্রদ্ধা নেই বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। এর উত্তরে হিলারি বলেন, কেননা, পুতিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে একজন পাপেটকেই পছন্দ করবেন। ট্রাম্প সঙ্গে সঙ্গে বলতে থাকেন, ‘নো পাপেট, নো পাপেট, ইউ আর দ্যা পাপেট।’ ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে হিলারি আরও বলেন, ‘রাশিয়ানরা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সাইবার হামলায় লিপ্ত যেটা করতে আপনি তাদের অনুপ্রাণিত করেছিলেন। আমাদের জনগনের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি চালানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। এটা স্পষ্ট যে আপনি তা স্বীকার করবেন না।’ এবারের মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্প পুতিনের প্রিয় প্রার্থী বলেও ইঙ্গিত করেন হিলারি।
নির্বাচনে ফল মেনে নেয়ার প্রসঙ্গ: মার্কিন গণতন্ত্রের ইতিহাসে এমন কখনও হয় নি যে কোন প্রার্থী নির্বাচনের ফল মেনে নেবেন কিনা তা নিয়ে নিশ্চিত নন। কিন্তু ট্রাম্প যখন প্রার্থী তখন মনে হয় সবকিছুই সম্ভব। বিতর্কের সঞ্চালক ক্রিস ওয়ালেস তার প্রশ্নে একথাও উল্লেখ করেছিলেন যে, ক্ষমতার শান্তিপূর্ণ হস্তান্তর এ দেশের অন্যমত একটি গর্বের বিষয়। ট্রাম্প বললেন, নির্বাচনের ফল এলেই দেখা যাবে তিনি তা মানবেন কি না। বিতর্ক শেষে তার এ মন্তব্যই ছিল শীর্ষস্থানীয় সকল মার্কিন গণমাধ্যমের শিরোনাম। নিউ ইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটনটন পোস্ট থেকে শুরু করে সিএনএন, ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পর্যন্ত। ট্রাম্পের এ মন্তব্যকে ‘ভয়ঙ্কর’ আখ্যা দেন হিলারি।
জাতীয় ঋণ প্রসঙ্গ: বিতর্কের সঞ্চালক দুই প্রার্থীর অর্থনৈতিক পরিকল্পনা নিয়ে বিশ্লেষকদের অভিমতের উদ্বৃত করেন যে তা জাতীয় ঋণ বৃদ্ধি করবে। ট্রাম্প সরাসরি ওই বিশ্লেষণ প্রত্যাখ্যান করেন। বলেন তিনি ‘অসাধারণ সব চাকুরি সৃষ্টি করবেন’ আর শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির জন্য ‘অর্থনৈতিক যন্ত্র’ গড়বেন। পক্ষান্তরে হিলারি ক্লিনটন বলেন, তিনি বিদ্যমান জাতীয় ঋণে এক পয়সাও যোগ করবেন না। ট্রাম্প এক পর্যায়ে মূল প্রশ্ন থেকে আলোচনা নিয়ে যান অ্যাফোর্ডেবল কেয়ার অ্যাক্ট বিষয়ে যেটা তিনি বাতিল করতে চান। এরপর হিলারি যখন ট্রাম্পের করফাঁকির প্রসঙ্গ তুলে আনেন তখনই ট্রাম্প ক্ষেপে গিয়ে তাকে ‘ন্যাস্টি ওম্যান’ বলে ওঠেন।
সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা: সুপ্রিম কোর্টের ভূমিকা নিয়ে করা প্রশ্নে হিলারি বলেন, তার প্রত্যাশা হলো আদালক সকল জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে। একই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না দিয়ে ট্রাম্প বলেন, হিলারি চান আদালতকে সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট থেকে দুরে সরিয়ে নিতে।
অভিবাসন: ট্রাম্প মন্তব্য করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে তৈরি মাদক সঙ্কটের পেছনে অপর্যাপ্ত সীমান্ত নিরাপত্তা দায়ী। অবৈধ অভিবাসীদের বের করে দেয়া আর সীমান্তে দেয়াল নির্মানের কথা ফের উল্লেখ করেন তিনি। হিলারি ক্লিনটন এ প্রসঙ্গ বলেন, তার অভিবাসন পরিকল্পনায় নিশ্চিতভাবে সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টি আছে। তবে অভিবাসীদের হটিয়ে দেয়ার জন্য যে পরিকল্পনা ট্রাম্প করেছেন তিনি সেটা দেখতে চান না। তিনি আরও বলেন, অভিবাসন ইস্যুতে ট্রাম্পের অবস্থা দ্বৈতনীতির সামিল। ট্রাম্প টাওয়ার নির্মানে ট্রাম্প অনিবন্ধিত শ্রমিক কাজে লাগিয়েছেন বলে মনে করিয়ে দেন হিলারি।
রাশিয়া ও পুতিন প্রসঙ্গ: সর্বশেষ বিতর্কেও একটি অংশ জুড়ে ছিল রাশিয়া এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন প্রসঙ্গ। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি পুতিনকে চিনি না। সে আমাকে নিয়ে ভালো ভালো কথা বলেছে। আমাদের মধ্যে যদি ভালো বোঝাপড়া হয় সেটা ভালো হবে। রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যদি বোঝাপড়া ভালো হয় তারা যদি আইসিসের বিরুদ্ধে একত্রে অভিযানে নামে সেটা দারুণ হবে।’ হিলারি ও প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রতি পুতিনের কোন শ্রদ্ধা নেই বলে উল্লেখ করেন ট্রাম্প। এর উত্তরে হিলারি বলেন, কেননা, পুতিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে একজন পাপেটকেই পছন্দ করবেন। ট্রাম্প সঙ্গে সঙ্গে বলতে থাকেন, ‘নো পাপেট, নো পাপেট, ইউ আর দ্যা পাপেট।’ ট্রাম্পকে উদ্দেশ্য করে হিলারি আরও বলেন, ‘রাশিয়ানরা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সাইবার হামলায় লিপ্ত যেটা করতে আপনি তাদের অনুপ্রাণিত করেছিলেন। আমাদের জনগনের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি চালানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। এটা স্পষ্ট যে আপনি তা স্বীকার করবেন না।’ এবারের মার্কিন নির্বাচনে ট্রাম্প পুতিনের প্রিয় প্রার্থী বলেও ইঙ্গিত করেন হিলারি।
>>>মানবজমিন

No comments:
Post a Comment