![]() |
| আরেকটি উইকেট। আবারও জ্যাক বলের উল্লাস। কাল মিরপুরে। প্রথম আলো |
কখনো এদিকে তো কখনো ওদিকে—এই করতে করতে
শেষ পর্যন্ত ম্যাচ হাসছিল বাংলাদেশের দিকে তাকিয়েই। কিন্তু ৪ উইকেটে ২৭১
করেও পারল না জিততে বাংলাদেশ। কাল মিরপুরে অনিশ্চয়তা পেরিয়ে জিতল ৩০৯ করা
ইংল্যান্ড। সব জয়েই তৃপ্তি থাকে। তবে এমন জয়ে সেটা যেন একটু বেশি। কাল রাতে
ম্যাচ শেষের সংবাদ সম্মেলনে ইংল্যান্ড অধিনায়ক জস বাটলারের কথায়ও খুঁজে
পাওয়া গেল তা, ‘ম্যাচের প্রথমার্ধটা আমাদের জন্য ছিল দারুণ। খুব ভালো একটা
জুটি হয়েছে। ডাকেট অনেক ধীরস্থির ছিল। এটা ভালো লক্ষণ। আর বেন স্টোকস আবারও
দেখিয়েছে, সে অনেক পরিণত।’
স্টোকসের সেঞ্চুরির সঙ্গে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা ডাকেট আর অধিনায়ক বাটলারের ঝোড়ো ফিফটিতে বাংলাদেশের সামনে ৩১০ রানের লক্ষ্য দেয় ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ যে সেই লক্ষ্য পার হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেও তা পারেনি, সেটার কৃতিত্ব আবার জ্যাক বলের। অভিষেক ম্যাচেই ৫১ রানে ৫ উইকেট। এর মধ্যে আছে বাংলাদেশকে জয়ের স্বপ্ন দেখানো সাকিব আল হাসানের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটিও। ইংলিশ অধিনায়ক প্রশংসায় ভাসালেন ২৫ বছর বয়সী এই পেসারকে, ‘অসাধারণ বোলিং করেছে বল। দুটি বলেই সে আমাদের ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। আমাদের পুরো বোলিংটাই হয়েছে খুব ভালো।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে এ বছরই খেলা অভিষেক টেস্টে মাত্র এক উইকেট পেয়েছিলেন বল। সে তুলনায় ওয়ানডে অভিষেকটা হয়ে থাকবে অনেক বেশি উজ্জ্বল। কোনো ইংলিশ বোলারের এটাই অভিষেকে ৫ উইকেট পাওয়ার প্রথম ঘটনা। ম্যান অব দ্য ম্যাচ বলের কথাতেই বোঝা গেল, এমন অভিষেক তাঁর নিজের কাছেও একটা চমক, ‘অভিষেকে ৫ উইকেট পাওয়া অবশ্যই দারুণ কিছু। এটা স্বপ্নের মতোই এক অভিষেক।’ ৫ উইকেট পাওয়ার কথা না ভাবলেও সুযোগ পেলে তা কাজে লাগানোর অপেক্ষায় ছিলেন বল, ‘এ রকম অভিষেক আসলেই ভোলার নয়। আমি শুধু চেয়েছিলাম সুযোগ পেলে আমি কী পারি, তা করে দেখাতে। আশা করি, আমি দেখাতে পেরেছি যে, এই পর্যায়ে খেলার সামর্থ্য আমার আছে।’
এমন জয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন ইংলিশ অধিনায়ক বাটলার, ‘আমার বিশ্বাস, আমরা যেভাবে খেলেছি, সেটা থেকে সবাই আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে। এই কন্ডিশনে কীভাবে খেলতে হয়, তা আমরা করে দেখিয়েছি। এটাই সবচেয়ে আনন্দের।’ তবে ইমরুল আর সাকিবের ব্যাটিং যে ইংল্যান্ড শিবিরে যথেষ্টই আতঙ্ক ছড়িয়েছে, সেটাও বোঝা গেছে তাঁর কথায়, ‘ওরা দুজনই খুব ভালো খেলেছে। ইমরুল আমাদের বিপক্ষে আগেও খেলেছে এবং আমরা ওর সামর্থ্য সম্পর্কে জানি। ভালো ফর্মে আছে সে। আজ (গতকাল) তো তাদের জুটিটা আমাদের হাত থেকে ম্যাচটা নিয়েই যাচ্ছিল।’ ইমরুল-সাকিব শেষ পর্যন্ত তা পারেননি। উত্থান-পতনের প্রথম ওয়ানডেতে তাই শেষ হাসিটা বাটলার-বলদেরই।
স্টোকসের সেঞ্চুরির সঙ্গে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা ডাকেট আর অধিনায়ক বাটলারের ঝোড়ো ফিফটিতে বাংলাদেশের সামনে ৩১০ রানের লক্ষ্য দেয় ইংল্যান্ড। বাংলাদেশ যে সেই লক্ষ্য পার হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেও তা পারেনি, সেটার কৃতিত্ব আবার জ্যাক বলের। অভিষেক ম্যাচেই ৫১ রানে ৫ উইকেট। এর মধ্যে আছে বাংলাদেশকে জয়ের স্বপ্ন দেখানো সাকিব আল হাসানের গুরুত্বপূর্ণ উইকেটটিও। ইংলিশ অধিনায়ক প্রশংসায় ভাসালেন ২৫ বছর বয়সী এই পেসারকে, ‘অসাধারণ বোলিং করেছে বল। দুটি বলেই সে আমাদের ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। আমাদের পুরো বোলিংটাই হয়েছে খুব ভালো।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে এ বছরই খেলা অভিষেক টেস্টে মাত্র এক উইকেট পেয়েছিলেন বল। সে তুলনায় ওয়ানডে অভিষেকটা হয়ে থাকবে অনেক বেশি উজ্জ্বল। কোনো ইংলিশ বোলারের এটাই অভিষেকে ৫ উইকেট পাওয়ার প্রথম ঘটনা। ম্যান অব দ্য ম্যাচ বলের কথাতেই বোঝা গেল, এমন অভিষেক তাঁর নিজের কাছেও একটা চমক, ‘অভিষেকে ৫ উইকেট পাওয়া অবশ্যই দারুণ কিছু। এটা স্বপ্নের মতোই এক অভিষেক।’ ৫ উইকেট পাওয়ার কথা না ভাবলেও সুযোগ পেলে তা কাজে লাগানোর অপেক্ষায় ছিলেন বল, ‘এ রকম অভিষেক আসলেই ভোলার নয়। আমি শুধু চেয়েছিলাম সুযোগ পেলে আমি কী পারি, তা করে দেখাতে। আশা করি, আমি দেখাতে পেরেছি যে, এই পর্যায়ে খেলার সামর্থ্য আমার আছে।’
এমন জয়ে আরও আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছেন ইংলিশ অধিনায়ক বাটলার, ‘আমার বিশ্বাস, আমরা যেভাবে খেলেছি, সেটা থেকে সবাই আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে। এই কন্ডিশনে কীভাবে খেলতে হয়, তা আমরা করে দেখিয়েছি। এটাই সবচেয়ে আনন্দের।’ তবে ইমরুল আর সাকিবের ব্যাটিং যে ইংল্যান্ড শিবিরে যথেষ্টই আতঙ্ক ছড়িয়েছে, সেটাও বোঝা গেছে তাঁর কথায়, ‘ওরা দুজনই খুব ভালো খেলেছে। ইমরুল আমাদের বিপক্ষে আগেও খেলেছে এবং আমরা ওর সামর্থ্য সম্পর্কে জানি। ভালো ফর্মে আছে সে। আজ (গতকাল) তো তাদের জুটিটা আমাদের হাত থেকে ম্যাচটা নিয়েই যাচ্ছিল।’ ইমরুল-সাকিব শেষ পর্যন্ত তা পারেননি। উত্থান-পতনের প্রথম ওয়ানডেতে তাই শেষ হাসিটা বাটলার-বলদেরই।

No comments:
Post a Comment