সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার চাপাতির কোপে
গুরুতর আহত হয়ে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খাদিজা বেগম মঙ্গলবার
তার বাবাকে ‘আব্বু’ বলে ডেকেছেন। এছাড়া তিনি বাবা-মাকে চিনতে পেরেছেন।
খাদিজার বাবা মাশুক মিয়া সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন,
‘খাদিজা খুব আস্তে কথা বলেছে। আমি নিজে শুনেছি। আমার মনে হল ও আমাকে, ওর
মাকে এবং আমাদের আত্মীয়স্বজনকেও চিনতে পারছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দু’চার
দিনের মধ্যেই ওকে কেবিনে দিয়ে দেবেন।’ তিনি জানান, ‘খাদিজা এখন কোনো
কৃত্রিম যন্ত্রের সাহায্য ছাড়াই অল্পস্বল্প খাওয়া-দাওয়া করছে। বেশির ভাগ
সময়ই তাকে তরল খাবার দেয়া হচ্ছে।’
সৌদি প্রবাসী মাশুক মিয়া মেয়ের ওপর হামলার খবর পেয়ে ৬ অক্টোবর দেশে আসেন। একইদিনে দেশে আসেন খাদিজার ভাই শাহীন আহমেদ। চীনের একটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী শাহীন। তিনি সোমবার চীন ফিরে গেছেন। ানা গেছে, খাদিজা এখন হাসপাতালের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে আছেন। তার শরীর থেকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের যন্ত্রপাতি ও খাওয়ানোর জন্য যন্ত্রপাতি খুলে নেয়া হয়েছে। শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হওয়ায় হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট থেকে খাদিজাকে কেবিনে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা। ১৭ অক্টোবর তার ডান হাতে অস্ত্রোপচার হয়। বাঁ হাতটি এখনও নাড়াতে পারছেন না। এই হাতে অনুভূতি ফিরে এলে আরও এক দফা অস্ত্রোপচার করা হবে।
উল্লেখ্য, ৩ অক্টোবর সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের (ডিগ্রি) ছাত্রী খাদিজা বেগম পরীক্ষা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম খাদিজাকে চাপাতি দিয়ে কোপায়। খাদিজার অপরাধ ছিল তিনি বদরুলের প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া দেননি।
সৌদি প্রবাসী মাশুক মিয়া মেয়ের ওপর হামলার খবর পেয়ে ৬ অক্টোবর দেশে আসেন। একইদিনে দেশে আসেন খাদিজার ভাই শাহীন আহমেদ। চীনের একটি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী শাহীন। তিনি সোমবার চীন ফিরে গেছেন। ানা গেছে, খাদিজা এখন হাসপাতালের হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিটে আছেন। তার শরীর থেকে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের যন্ত্রপাতি ও খাওয়ানোর জন্য যন্ত্রপাতি খুলে নেয়া হয়েছে। শারীরিক অবস্থার আরও উন্নতি হওয়ায় হাই ডিপেনডেন্সি ইউনিট থেকে খাদিজাকে কেবিনে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা। ১৭ অক্টোবর তার ডান হাতে অস্ত্রোপচার হয়। বাঁ হাতটি এখনও নাড়াতে পারছেন না। এই হাতে অনুভূতি ফিরে এলে আরও এক দফা অস্ত্রোপচার করা হবে।
উল্লেখ্য, ৩ অক্টোবর সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের (ডিগ্রি) ছাত্রী খাদিজা বেগম পরীক্ষা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম খাদিজাকে চাপাতি দিয়ে কোপায়। খাদিজার অপরাধ ছিল তিনি বদরুলের প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া দেননি।

No comments:
Post a Comment