![]() |
| রাজধানীর সায়েদাবাদ এলাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ -যুগান্তর |
অবশেষে রাজধানীর সায়েদাবাদের অবৈধ
ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদ করল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)। সোমবার
এক সফল অভিযানের মধ্য দিয়ে মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের নিচের সড়কটি পুরোপুরি
দখলমুক্ত হয়েছে। একইসঙ্গে সড়ক সংলগ্ন ডিএসসিসির ৫০ শতাংশ জমিও দখলমুক্ত
হয়েছে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে সায়েদাবাদের অবৈধ ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদ
অভিযান শুরু করে ডিএসসিসি। অভিযান চলে বিকাল ৩টা পর্যন্ত। এ সময় অবৈধভাবে
রাখা ট্রাকগুলো সরিয়ে নেয় মালিকরা। বুলডোজার দিয়ে ওই জায়গার অবৈধ স্থাপনা
এবং মালিক সমিতির অফিস ভেঙে দেয়া হয়। ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা ও
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খালিদ আহমেদের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযানে অংশ নেন
ডিএসসিসির আরও তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। ওয়ারী পুলিশের ডিসির নেতৃত্বে
ওই অভিযানের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল ২শ’ পুলিশ সদস্য। এছাড়া আশপাশের
এলাকায় ছিল র্যাবের টহল টিমের সদস্যরা।
প্রসঙ্গত, ১ সেপ্টেম্বর ওই অবৈধ ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদে গেলে উচ্ছেদ টিমকে বাধা দেয় ডিএসসিসির ৫১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী হাবিবুর রহমান হাবুর নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ। এ ঘটনায় মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন এ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে ওই মাসের ৭ তারিখে ওই ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে সাময়িক বরখাস্ত করে আদেশ জারি করে মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে উচ্ছেদ টিমের নেতৃত্বদানকারী ডিএসসিসি কর্মকর্তা খালিদ আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, সোমবার উচ্ছেদ অভিযানের খবর পেয়ে বেশিরভাগ ট্রাকমালিক তাদের ট্রাক আগেই সরিয়ে নেন। আমরা গিয়ে কিছু ট্রাক সরিয়ে অবৈধ স্ট্রাকচার ভেঙে দিয়েছি। অভিযানে কোনো বাধা আসেনি। তিনি বলেন, দখলমুক্ত জায়গা আপাতত বাউন্ডারি দিয়ে রাখা হবে। পরবর্তীতে এ জায়গায় মার্কেট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। রাজউক-ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান : এদিকে রাজধানীর উত্তরা, লালমাটিয়া ও মোহাম্মদপুরের শ্যামলী-কাটাসুর এলাকায় অবৈধ স্থাপনা অপসারণে অভিযান চালিয়েছে রাজউক ও ডিএনসিসি। এ সময় একাধিক অবৈধ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অপসারণ এবং জরিমানা করেছে রাজউক।
প্রসঙ্গত, ১ সেপ্টেম্বর ওই অবৈধ ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদে গেলে উচ্ছেদ টিমকে বাধা দেয় ডিএসসিসির ৫১ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাজী হাবিবুর রহমান হাবুর নেতৃত্বাধীন একটি গ্রুপ। এ ঘটনায় মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন এ কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে। ওই সুপারিশের ভিত্তিতে ওই মাসের ৭ তারিখে ওই ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে সাময়িক বরখাস্ত করে আদেশ জারি করে মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে উচ্ছেদ টিমের নেতৃত্বদানকারী ডিএসসিসি কর্মকর্তা খালিদ আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, সোমবার উচ্ছেদ অভিযানের খবর পেয়ে বেশিরভাগ ট্রাকমালিক তাদের ট্রাক আগেই সরিয়ে নেন। আমরা গিয়ে কিছু ট্রাক সরিয়ে অবৈধ স্ট্রাকচার ভেঙে দিয়েছি। অভিযানে কোনো বাধা আসেনি। তিনি বলেন, দখলমুক্ত জায়গা আপাতত বাউন্ডারি দিয়ে রাখা হবে। পরবর্তীতে এ জায়গায় মার্কেট তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। রাজউক-ডিএনসিসির উচ্ছেদ অভিযান : এদিকে রাজধানীর উত্তরা, লালমাটিয়া ও মোহাম্মদপুরের শ্যামলী-কাটাসুর এলাকায় অবৈধ স্থাপনা অপসারণে অভিযান চালিয়েছে রাজউক ও ডিএনসিসি। এ সময় একাধিক অবৈধ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান অপসারণ এবং জরিমানা করেছে রাজউক।
আর সড়ক ও ফুটপাতের ৭০টির বেশি অবৈধ স্থাপনা অপসারণসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা এবং মামলা দায়ের করেছে ডিএনসিসি।
উত্তরায় পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা উত্তরার অবৈধ বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান
উচ্ছেদের লক্ষ্যে সোমবার চারটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালায় রাজউকের জোন-২। এ
সময় ২টি প্রতিষ্ঠানকে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ভেঙে ফেলা হয়
পাঁচটি দোকান। লালমাটিয়ায় অভিযান চালিয়ে ব্লক-ডি এর ৪/৪ নম্বর ভবনে
নির্মাণাধীন একটি দোকানের সেট-ব্যাকের অবৈধ স্থাপনার কিছু অংশ ভেঙে দেয়
রাজউক। ব্লক-ই এর ১/৯ নম্বর ভবনের ‘আল নূর’ নামক একটি চক্ষু হাসপাতালের
ভূতলের পার্কিংয়ের জায়গায় অভ্যর্থনা কক্ষ এবং চশমার দোকান গড়ে তোলায় দুই
লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ব্লক-এফ এর ৩/১ নম্বর ভবনে অবৈধভাবে
পরিচালিত রেস্টুরেন্ট ‘কাবাব ও বিরিয়ানি’র অবৈধ অংশ ভেঙে ফেলা হয়। এছাড়া
মোহাম্মদপুরের শ্যামলী এবং কাটাসুর এলাকায় অভিযানে ফুটপাত দখলকারী ৭০টির
অধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। উচ্ছেদকালে ১ জনকে ৫ হাজার টাকা এবং ৪
জনকে ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলাও
করা হয়।

No comments:
Post a Comment