কর
ফাঁকির মামলায় ২১ মাসের কারাদণ্ড হয়েছিল লিওনেল মেসির। যদিও স্পেনের আইন
অনুযায়ী, প্রথম অপরাধের কারণে জেলে যেতে হয়নি আর্জেন্টাইন তারকাকে।
বার্সেলোনায় তার আক্রমণভাগের সঙ্গী নেইমারেরও একই শাস্তির জন্য অনুরোধ করা
হয়েছে। দলবদলে ‘মিথ্যা’ তথ্য এবং কর ফাঁকি দেয়ার মামলা রয়েছে ব্রাজিলিয়ান
ফরোয়ার্ডের বিরুদ্ধে। স্পেনের সরকারপক্ষের আইনজীবীরা নেইমারের দু’বছরের
জেলের জন্য আবেদন করেছেন বার্সেলোনার আদালতে। তবে নেইমারকে জেলে যেতে হবে
না। কারণ, স্পেনের আইনে অভিযুক্ত কেউ যদি আগে সাজা ভোগ না করেন, তাহলে তাকে
জেলে যেতে হয় না।
সান্তোস থেকে ২০১৩ সালে নেইমার যোগ দিয়েছেন বার্সেলোনায়। তার
ট্রান্সফার ফি নিয়েই যত ঝামেলা। বার্সেলোনা তার ট্রান্সফার ফি’র অংক ৫৭.১
মিলিয়ন ইউরো বললেও স্পেনের সরকারপক্ষের আইনজীবীদের দাবি, অংকটা ছিল ৮৭
মিলিয়ন ইউরো। মামলার সূত্রপাত সান্তোসে থাকতে নেইমারের স্বত্বের ৪০ শতাংশ
থাকা ‘ডিআইএস’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান প্রতারণার অভিযোগ তুললে। ওই
প্রতিষ্ঠানটির দাবি, নেইমার ও তার বাবা ট্রান্সফার ফি’র অংক কমিয়ে অর্থ
হাতিয়ে নিয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে বার্সেলোনার বিরুদ্ধেও। প্রায় ৪০ মিলিয়ন ইউরো
কম দেখিয়ে কর ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। অনেক দিন ধরেই চলছে
মামলা। এজন্য আদালতে যেতে হয়েছে নেইমার ও তার বাবাকে। দীর্ঘ শুনানি শেষে
এখন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা নেইমারকে দু’বছর কারাদণ্ড দেয়ার অনুরোধ করেছেন
আদালতের কাছে। এই মামলার জের ধরে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তখনকার
বার্সেলোনা সভাপতি সান্দ্রো রসেল। দায়িত্ব ছেড়ে দিলেও রক্ষা পাচ্ছেন না
তিনি। রসেলের জন্য পাঁচ বছরের জেল চান সরকারপক্ষের আইনজীবীরা। ওয়েবসাইট।

No comments:
Post a Comment