গুলশানের
হলি আর্টিজান রেস্তরাঁয় সন্ত্রাসী হামলার সময় বন্ধুদের জন্য
প্রাণোৎসর্গকারী ফারাজ হোসেনকে মরণোত্তর মাদার তেরেসা পুরস্কার দেয়া
হয়েছে। মুম্বইভিত্তিক হারমনি ফাউন্ডেশন ফারাজকে তার সাহসিকতার
স্বীকৃতিস্বরূপ মাদার তেরেসা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফর সোশ্যাল জাস্টিস
পুরস্কারে ভূষিত করে। গতকাল ফারাজ হোসেনের মা সিমিন হোসেন এ পুরস্কার
গ্রহণ করেন। গত পহেলা জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তরাঁয় জঙ্গি
হামলার সময় বন্ধুদের জন্য ফারাজ নিজের জীবন উৎসর্গ করেন। আটলান্টার ইমোরি
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ফারাজ হোসেনকে জঙ্গিরা ছেড়ে দিলেও বন্ধুদের ফেলে
আসতে রাজি হননি। পরিণতিতে জঙ্গিরা তাকে হত্যা করে। এই জঙ্গি হামলায় ২২ জন
প্রাণ হারান। তাদের বেশির ভাগই ছিলেন বিদেশি। হারমনি ফাউন্ডেশনের
কর্মকর্তারা বলেছেন, সাহসী ভূমিকার জন্য ফারাজকে এ বছর মাদার তেরেসা
পুরস্কারের জন্য বাছাই করা হয়েছে। এর আগে তিব্বতের ধর্মীয় নেতা দালাইলামা,
আধুনিক মালয়েশিয়ার জনক মাহাথির মোহাম্মদ, মানবাধিকার কর্মী ব্যারোনেস
ক্যারোলিন কক্স, নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই ও বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকদের নিয়ে
গড়া মানবিক সহায়তা সংগঠন ডক্টরর্স উইদাউট বর্ডার্সকে এই পুরস্কার দেয়া হয়।
২০০৫ সাল থেকে এ পুরস্কার দিয়ে আসছে হারমনি ফাউন্ডেশন।
এদিকে ফারাজের এ পুরস্কারপ্রাপ্তি নিয়ে ভারতের শীর্ষ পত্রিকা দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো।
দুই সন্তান জারাইফ ও ফারাজকে ছোটবেলাতেই তাদের মা সিমিন হোসেন বলেছিলেন, ‘জীবনে যাই হও না কেন, প্রথমে একজন ভালো মানুষ হবে।’ ১লা জুলাইয়ের কালো রাতে গুলশানের হোলি আর্টিজান ক্যাফেতে ফারাজ তার মায়ের সেই কথাই পালন করেছে। তার দুই বন্ধু তারিশি জেইন ও অবিন্তা কবীরকে সন্ত্রাসীরা বন্দি করে রেখেছিল। তাদের সঙ্গে থাকা ফারাজ মুসলিম বলে তাকে চলে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছিল তারা। কিন্তু বন্ধুদের ছেড়ে পালিয়ে আসেনি ফারাজ। বরং দুই বন্ধুকে রক্ষা করার জন্য সন্ত্রাসীদের মুখোমুখি হয় সে। অন্য সবাইকে গুলি করে হত্যা করলেও ফারাজের ঘাড়ের রগ কেটে তার জীবনাবসান ঘটায় জঙ্গিরা। ২০ বছর বয়সী ফারাজের এই সাহসিকতা ও অন্যদের প্রতি সমবেদনার গাঁথা তার পরিবারের গৌরবের কারণ হয়েছে। বাংলাদেশের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে তার এই বীরত্বগাঁথা। ফারাজের মা সিমিন হোসেনও গর্ববোধ করেন সন্তানের এই সাহসিকতায়। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে সন্তানকে নিয়ে তার আবেগ-অনুভূতির কথা। সাক্ষাৎকারে সিমিন হোসেন বলেন, ‘আমার সন্তান যখন তার বন্ধুদের পাশে দাঁড়িয়েছে, সে প্রকৃত ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করেছে। আর যারা তাদের হত্যা করেছে তারা সব দানব। ওই সন্ত্রাসীরা মুসলিম ছিল বলে আমার মনে হয় না।’ তার চোখে তখন ঝরছিল অশ্রুর ধারা। সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য হারমোনি ফাউন্ডেশন এ বছর মাদার তেরেসা মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে প্রয়াত ফারাজকে। সেই পুরস্কার গ্রহণ করতেই বড় সন্তান জারাইফ ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে সিমিন হোসেন এখন অবস্থান করছেন ভারতের মুম্বইয়ে। হারমোনি ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট আব্রাহামস মাথাই বলেন, ‘ফারাজ একজন হিরো এবং তাকে সম্মানিত করতে পেরে আমরা গর্বিত।’
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকায় পড়ালেখা করার সময় থেকেই ফারাজ, তারিশি ও অবিন্তার মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। পরে ফারাজ ও অবিন্তা ভর্তি হয় জর্জিয়ার আটলান্টায় ইমোরি ইউনিভার্সিটিতে, আর তারিশি ভর্তি হয় ইউনিভার্সিট অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলেতে। তবে তাদের বন্ধুত্বে ছেদ পড়েনি। হোলি আর্টিজানে হামলার সন্ধ্যায় তারিশি ও অবিন্তার সঙ্গে আড্ডা দিতে ক্যাফেতে হাজির হয় ফারাজ। তাদের সঙ্গে দেখা করতে মিরাজ আল-হক নামে আরো এক বন্ধু পৌঁছায় সেখানে। তবে ক্যাফেতে ঢোকার মুখেই বোমার বিস্ফোরণ হয় এবং সে আর প্রবেশ করতে পারেনি ক্যাফেতে। ভেতরে তখন জঙ্গিরা রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছে। সিমিন জানান, তার সন্তান যে তার বন্ধুদের ছেড়ে যেতে রাজি হয়নি তার সাক্ষ্য দিয়েছেন আরো তিন জন। এর মধ্যে রয়েছেন স্কার্ফ পরা একজন নারী ও এক দম্পতি। তারা ক্যাফের ওয়াশরুমের দরজার পেছনে লুকিয়ে ছিলেন। সিমিন বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা সবাইকে বন্দি করে সূরা বা কোরআন থেকে কোনো আয়াত তেলাওয়াত করতে বলে। যারা তা করতে পারে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু আমি নিশ্চিত, ওই হত্যাকারীরা নিজেরাও এসব সূরা জানতো না।’ তিনি বলেন, ওই রাতে ফারাজ যেন ছিল ‘কৌতুক অভিনেতা’ যে তার বন্ধুদের জন্য ভেবেছে। অথচ বিত্ত-বৈভবে কোনো দিক থেকেই পিছিয়ে ছিল না সে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি প্রচারিত বাংলা সংবাদপত্র প্রথম আলো ও বহুল প্রচারিত ইংরেজি সংবাদপত্র দ্য ডেইলি স্টার ছাড়াও তার পারিবারিক প্রতিষ্ঠান পেপসিকো ফ্রাঞ্চাইজির মালিক। তা সত্ত্বেও কখনোই ফারাজ সুবিধাবঞ্চিতদের নিয়ে ভাবনা ছেড়ে দেয়নি। জারাইফ ও ফারাজ নিষ্ঠা ও সততার মতো গুণাবলী ধারণ করেছে এবং যেখানেই গেছে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে।
ভাইকে হারানোর শোকের মধ্যেও জারাইফ বলেন, ১লা জুলাইয়ের ওই মর্মান্তিক রাত বাংলাদেশের মানুষকে একত্রিত করেছে। তিনি বলেন, ‘১লা জুলাইয়ের পর বাংলাদেশ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে। বিজ্ঞ ব্যক্তিরা ও ভাষ্যকাররাও ফারাজের অকুতোভয় আচরণকে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে বলে আসছেন।’ এখন ফারাজের নামে তৈরি হয়েছে সড়ক, পাঠাগার; তাকে দেয়া হচ্ছে নানা পুরস্কার। পেপসিকোর পক্ষ থেকে এ বছর ফারাজ হোসেন সাহসিকতা পুরস্কারও দেয়া হবে। এভাবেই সবার মধ্যে বেঁচে থাকবে ফারাজ। তবে ফারাজকে সবচেয়ে ভালোভাবে সম্মান জানিয়েছেন সম্ভবত বাংলাদেশি কবি কবির বকুল। তিনি লিখেছেন, ‘কে বলেছে তুমি মরে গেছো... তুমি লড়াই শুরু করেছো, আর আমরা সেটা শেষ করব।’ সিমিন এখনো হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ রেখে চলেছেন অবিন্তা ও তারিশির মায়ের সঙ্গে। তিনি ফারাজের প্রতি নিবেদিত পঙ্ক্তিমালাগুলো প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার কাছে ফারাজ একটি শিশু। কিন্তু সে একজন নায়ক, সে সারাবিশ্বের হাজার মানুষের আইকন। সে যে লড়াই শুরু করেছে তাতে আমরা সবাই যোগ দিয়েছি।’
এদিকে ফারাজের এ পুরস্কারপ্রাপ্তি নিয়ে ভারতের শীর্ষ পত্রিকা দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনটি হুবহু নিচে তুলে ধরা হলো।
দুই সন্তান জারাইফ ও ফারাজকে ছোটবেলাতেই তাদের মা সিমিন হোসেন বলেছিলেন, ‘জীবনে যাই হও না কেন, প্রথমে একজন ভালো মানুষ হবে।’ ১লা জুলাইয়ের কালো রাতে গুলশানের হোলি আর্টিজান ক্যাফেতে ফারাজ তার মায়ের সেই কথাই পালন করেছে। তার দুই বন্ধু তারিশি জেইন ও অবিন্তা কবীরকে সন্ত্রাসীরা বন্দি করে রেখেছিল। তাদের সঙ্গে থাকা ফারাজ মুসলিম বলে তাকে চলে যাওয়ার সুযোগ দিয়েছিল তারা। কিন্তু বন্ধুদের ছেড়ে পালিয়ে আসেনি ফারাজ। বরং দুই বন্ধুকে রক্ষা করার জন্য সন্ত্রাসীদের মুখোমুখি হয় সে। অন্য সবাইকে গুলি করে হত্যা করলেও ফারাজের ঘাড়ের রগ কেটে তার জীবনাবসান ঘটায় জঙ্গিরা। ২০ বছর বয়সী ফারাজের এই সাহসিকতা ও অন্যদের প্রতি সমবেদনার গাঁথা তার পরিবারের গৌরবের কারণ হয়েছে। বাংলাদেশের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে তার এই বীরত্বগাঁথা। ফারাজের মা সিমিন হোসেনও গর্ববোধ করেন সন্তানের এই সাহসিকতায়। টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে সন্তানকে নিয়ে তার আবেগ-অনুভূতির কথা। সাক্ষাৎকারে সিমিন হোসেন বলেন, ‘আমার সন্তান যখন তার বন্ধুদের পাশে দাঁড়িয়েছে, সে প্রকৃত ইসলামের প্রতিনিধিত্ব করেছে। আর যারা তাদের হত্যা করেছে তারা সব দানব। ওই সন্ত্রাসীরা মুসলিম ছিল বলে আমার মনে হয় না।’ তার চোখে তখন ঝরছিল অশ্রুর ধারা। সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য হারমোনি ফাউন্ডেশন এ বছর মাদার তেরেসা মেমোরিয়াল অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে প্রয়াত ফারাজকে। সেই পুরস্কার গ্রহণ করতেই বড় সন্তান জারাইফ ও পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে সিমিন হোসেন এখন অবস্থান করছেন ভারতের মুম্বইয়ে। হারমোনি ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট আব্রাহামস মাথাই বলেন, ‘ফারাজ একজন হিরো এবং তাকে সম্মানিত করতে পেরে আমরা গর্বিত।’
আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকায় পড়ালেখা করার সময় থেকেই ফারাজ, তারিশি ও অবিন্তার মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। পরে ফারাজ ও অবিন্তা ভর্তি হয় জর্জিয়ার আটলান্টায় ইমোরি ইউনিভার্সিটিতে, আর তারিশি ভর্তি হয় ইউনিভার্সিট অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলেতে। তবে তাদের বন্ধুত্বে ছেদ পড়েনি। হোলি আর্টিজানে হামলার সন্ধ্যায় তারিশি ও অবিন্তার সঙ্গে আড্ডা দিতে ক্যাফেতে হাজির হয় ফারাজ। তাদের সঙ্গে দেখা করতে মিরাজ আল-হক নামে আরো এক বন্ধু পৌঁছায় সেখানে। তবে ক্যাফেতে ঢোকার মুখেই বোমার বিস্ফোরণ হয় এবং সে আর প্রবেশ করতে পারেনি ক্যাফেতে। ভেতরে তখন জঙ্গিরা রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছে। সিমিন জানান, তার সন্তান যে তার বন্ধুদের ছেড়ে যেতে রাজি হয়নি তার সাক্ষ্য দিয়েছেন আরো তিন জন। এর মধ্যে রয়েছেন স্কার্ফ পরা একজন নারী ও এক দম্পতি। তারা ক্যাফের ওয়াশরুমের দরজার পেছনে লুকিয়ে ছিলেন। সিমিন বলেন, ‘সন্ত্রাসীরা সবাইকে বন্দি করে সূরা বা কোরআন থেকে কোনো আয়াত তেলাওয়াত করতে বলে। যারা তা করতে পারে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। কিন্তু আমি নিশ্চিত, ওই হত্যাকারীরা নিজেরাও এসব সূরা জানতো না।’ তিনি বলেন, ওই রাতে ফারাজ যেন ছিল ‘কৌতুক অভিনেতা’ যে তার বন্ধুদের জন্য ভেবেছে। অথচ বিত্ত-বৈভবে কোনো দিক থেকেই পিছিয়ে ছিল না সে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি প্রচারিত বাংলা সংবাদপত্র প্রথম আলো ও বহুল প্রচারিত ইংরেজি সংবাদপত্র দ্য ডেইলি স্টার ছাড়াও তার পারিবারিক প্রতিষ্ঠান পেপসিকো ফ্রাঞ্চাইজির মালিক। তা সত্ত্বেও কখনোই ফারাজ সুবিধাবঞ্চিতদের নিয়ে ভাবনা ছেড়ে দেয়নি। জারাইফ ও ফারাজ নিষ্ঠা ও সততার মতো গুণাবলী ধারণ করেছে এবং যেখানেই গেছে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে।
ভাইকে হারানোর শোকের মধ্যেও জারাইফ বলেন, ১লা জুলাইয়ের ওই মর্মান্তিক রাত বাংলাদেশের মানুষকে একত্রিত করেছে। তিনি বলেন, ‘১লা জুলাইয়ের পর বাংলাদেশ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে একত্রিত হয়েছে। বিজ্ঞ ব্যক্তিরা ও ভাষ্যকাররাও ফারাজের অকুতোভয় আচরণকে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর আমাদের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হিসেবে বলে আসছেন।’ এখন ফারাজের নামে তৈরি হয়েছে সড়ক, পাঠাগার; তাকে দেয়া হচ্ছে নানা পুরস্কার। পেপসিকোর পক্ষ থেকে এ বছর ফারাজ হোসেন সাহসিকতা পুরস্কারও দেয়া হবে। এভাবেই সবার মধ্যে বেঁচে থাকবে ফারাজ। তবে ফারাজকে সবচেয়ে ভালোভাবে সম্মান জানিয়েছেন সম্ভবত বাংলাদেশি কবি কবির বকুল। তিনি লিখেছেন, ‘কে বলেছে তুমি মরে গেছো... তুমি লড়াই শুরু করেছো, আর আমরা সেটা শেষ করব।’ সিমিন এখনো হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ রেখে চলেছেন অবিন্তা ও তারিশির মায়ের সঙ্গে। তিনি ফারাজের প্রতি নিবেদিত পঙ্ক্তিমালাগুলো প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমার কাছে ফারাজ একটি শিশু। কিন্তু সে একজন নায়ক, সে সারাবিশ্বের হাজার মানুষের আইকন। সে যে লড়াই শুরু করেছে তাতে আমরা সবাই যোগ দিয়েছি।’
>>>মানবজমিন

No comments:
Post a Comment