ধুলাবালি
এমনই একটি পদার্থ যাকে এড়িয়ে চলা যায় না। বাসা, অফিস, রাস্তা সর্বত্রই এর
মুখোমুখি হতে হয়। সব ধুলাই কি খারাপ? রাস্তার ধুলা অজৈব পদার্থ তাতে হাঁচি,
কাশি বা হাঁপানির কষ্ট এতটা হয় না। ঘরের মধ্যে অনেকদিন ধরে জমে থাকা ধুলায়
মাইট নামের অটোপড থাকে যা অ্যালার্জিক অ্যাজমার অন্যতম কারণ। এতে ফুলের
রেণু, পোষা জন্তুর লোম, ফাঙ্গাস, ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে। মাউট, বিছানা,
বালিশ, কার্পেটে বেড়ে ওঠে। মাইটের শরীর থেকে নিঃসৃত লালা ও মল অ্যালার্জির
সৃষ্টি করে। শহরাঞ্চলের গাড়ির ধোঁয়া অ্যালার্জি ও অ্যাজমার অন্যতম কারণ।
প্রতিকার-
বাসা থেকে কার্পেট ও মোটা পর্দা সরিয়ে ফেলতে হবে। তোষক-বালিশে চেন টানা
ধুলা প্রতিরোধক ঢাকনা ব্যবহার করতে হবে। এ রোগী যেন ঘরের ঝুল-ঝাল বা ময়লা
পরিষ্কার না করে। যদি করতেই হয় তবে মুখে ফিল্টার মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
ওষুধ প্রয়োগ- এন্টিহিস্টামিন, ইনহেলার স্টেরয়েড ব্যবহার করে সাময়িকভাবে
অ্যালার্জি কমিয়ে রাখা যায়, তবে এদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে, তাই বেশিদিন
ব্যবহার করা উচিত নয়। অ্যালার্জি ভ্যাকসিন বা ইমিউনো থেরাপি বিশ্বব্যাপী
ভালো থাকার অন্যতম চিকিৎসা পদ্ধতি। অনেকের ধারণা, অ্যালার্জি একবার হলে আর
সারে না, বর্তমানে চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নতির সঙ্গে এ রোগ নিরাময় করা সহজ।
ডা. অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দাস
অ্যালার্জি ও অ্যাজমা রোগ বিশেষজ্ঞ
দি অ্যালার্জি ও অ্যাজমা সেন্টার পান্থপথ, ঢাকা।
ডা. অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দাস
অ্যালার্জি ও অ্যাজমা রোগ বিশেষজ্ঞ
দি অ্যালার্জি ও অ্যাজমা সেন্টার পান্থপথ, ঢাকা।

No comments:
Post a Comment