Tuesday, November 8, 2016

দীর্ঘ দুই বছরের তিক্ত লড়াইয়ের সমাপ্তি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দীর্ঘ দুই বছরের লড়াইয়ের সমাপ্তি হচ্ছে আজ। হোয়াইট হাউসের দীর্ঘ এ পথে কেউ হয়েছেন আলোচিত আবার কেউ সমালোচিত। ভয়াবহ সব ‘সারপ্রাইজে’র মুখোমুখি হয়েছেন প্রার্থীরা। হিলারি ও ট্রাম্পের মধ্যে চূড়ান্ত লড়াইয়ে পৌঁছানোর বিভিন্ন উত্থান-পতনের চিত্র তৈরি করেছে এএফপি।
২০১৪
১৬ ডিসেম্বর : অন্য আরেকটি বুশ-ক্লিনটনের মধ্যে হোয়াইট হাউস লড়াইয়ের আভাস। বিল ক্লিনটনের স্ত্রী হিলারি এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের ছেলে ও আরেক প্রেসিডেন্টের ভাই জেব বুশের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
২০১৫
২ মার্চ : নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে প্রকাশ করা হয়, ২০০৯-১৩ সাল পর্যন্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন ব্যক্তিগত ই-মেইল সার্ভার ব্যবহার করেন হিলারি।
১২ এপ্রিল : আনুষ্ঠানিকভাবে হিলারি তার প্রার্থিতা ঘোষণা করেন। এ সময়ের মধ্যে ট্রাম্পের নামগন্ধও ছিল না। তবে রিপাবলিকান দলের হয়ে টেড ক্রুজ, মার্কো রুবিও, জেব বুশ এবং বেন কার্সন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছিলেন।
১৬ জুন : ট্রাম্প টাওয়ারে এক জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে রিপাবলিকান দলের প্রার্থিতার ঘোষণা দেন ট্রাম্প। তিনি ঘোষণা দেন, এখন থেকে রাজনীতির খাতায় নাম লেখালাম।
১৪ জুলাই : প্রাইমারি নির্বাচনে সামনের কাতারে উঠে আসেন তিনি। ৭২ বছর বয়সী এক ট্রাম্প সমর্থক অ্যালিস বাটলার সর্ট বলেছিলেন, তিনি রোনাল্ড রিগ্যানের চেয়ে অধিক যোগ্য।
৭ ডিসেম্বর : যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এতে তিনি সমালোচিত হলেও অধিকাংশ রিপাবলিকানই তাকে স্বাগত জানিয়েছিলেন।
২০১৬
১ ফেব্রুয়ারি : রিপাবলিকান দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা জমে ওঠে। ট্রাম্প নিউ হ্যাম্পশায়ার, সাউথ ক্যারোলিনায় প্রথম ককাস বা প্রাক-নির্বাচন ও আইওয়াতে দ্বিতীয় ককাস শেষ করেন।
২০ ফেব্রুয়ারি : মনোনয়ন থেকে সরে দাঁড়ান রিপাবলিকান দলের জেব বুশ।
৩-৪ মে : ট্রাম্পের শেষ প্রতিদ্বন্দ্বী টেড ক্রুজ ও জন কাসিছও রণে ভঙ্গ দেন। হিলারিই হন তার প্রধান প্রতিপক্ষ। ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলন শুরু করেন রিপাবলিকানরা।
৭ জুন : বার্নি স্যান্ডার্সকে হারিয়ে মনোনয়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রাইমারি প্রতিনিধিদের সমর্থন পেয়ে যান হিলারি।
৫ জুলাই : হিলারির বিরুদ্ধে ই-মেইল ব্যবহার ইস্যুতে কোনো চার্জ গঠন করা হবে না বলে এফবিআইয়ের ঘোষণা।
১৮-২১ জুলাই : ক্লিভল্যান্ডে রিপাবলিকান দলের জাতীয় কনভেনশনে ট্রাম্প মনোনয়ন লাভ করেন।
২৫-২৮ জুলাই : ফিলাডেলফিয়ায় ডেমোক্রেটিক দলের জাতীয় কনভেনশনে হিলারির মনোনয়ন লাভ।
আগস্ট : ট্রাম্পের জন্য খারাপ একটি মাস। ইরাক যুদ্ধের সময় শহীদ মার্কিন মুসলিম সৈন্য ক্যাপ্টেন হুমায়ন খানকে নিয়ে মন্তব্য করায় সমালোচিত হন তিনি।
২৬ সেপ্টেম্বর : ৮ কোটি ৪০ লাখ দর্শকের দেখা দুই প্রার্থীর মধ্যে প্রথম টেলিভিশন বিতর্ক অনুষ্ঠিত।
৭ অক্টোবর : নারী কেলেংকারিতে ফেঁসে যান ট্রাম্প। একে একে ফাঁস হতে থাকে নারীদের সঙ্গে তার অশালীন আচরণের খবর।
২৮ অক্টোবর : এফবিআই পুনরায় হিলারির ই-মেইল ইস্যু তদন্তের ঘোষণা দেয়। ট্রাম্প বলেন, ওয়াটারগেট কেলেংকারির পর এটাই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক কেলেংকারি।
>>>যুগান্তর

No comments:

Post a Comment