ভারতীয়
রুপি সংকটের প্রভাব পড়েছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে। বর্তমানে যেসব
বাংলাদেশী বিভিন্ন কারণে ভারতে যাচ্ছে, তারা রুপির পরিবর্তে মার্কিন ডলার
নিচ্ছেন। এ কারণে বুধবার বিভিন্ন মানি এক্সচেঞ্জে প্রতি ডলার ২ টাকা বেড়ে
৮৪ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। তবে বিভিন্ন হাউসে ৫শ’ ও হাজারের নোট না
চললেও ১শ’ রুপির নোটের আরও সংকট তৈরি হয়েছে। ১শ’ রুপির নোট বুধবার ২শ’ টাকা
করে বিক্রি হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে এর দাম থাকে ১২০ টাকার নিচে। এদিকে দেশে
রুপি লেনদেন করে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের দায় নেবে না
বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কারণে এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোও বিপদে পড়েছে।
জানতে চাইলে বিজয় মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাফিজুর রশিদ ফকির যুগান্তরকে বলেন, রুপির কারণে গত কয়েক দিনে ডলারের দাম ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তার মতে, এখন যারা ভারতে যায়, তারা সবাই ডলার নিয়ে যাচ্ছে। এতে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। ফলে দামও বেড়েছে। তিনি বলেন, ৫শ’ ও ১ হাজার রুপির নোট অচল। কিন্তু ১শ’ ও তার নিচের নোটের আরও সংকট তৈরি হয়েছে দেশের মুদ্রাবাজারে। বর্তমানে ১শ’ রুপির নোট কিনতে ২শ’ টাকা লাগে। বড় কয়েকটি হাউসে তা পাওয়া যায়। জানা গেছে, দেশের ব্যাংকগুলোতে এলসি খোলার ক্ষেত্রে প্রতি মার্কিন ডলার ৭৮ থেকে ৭৯ টাকা লেনদেন হয়। আর বিভিন্ন মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানে খুচরা গ্রাহককে ৮১ থেকে ৮২ টাকায় কিনতে হয়। গত কয়েক মাস থেকে এই রেট চলে আসছে। কিন্তু রুপির সংকটে বুধবার বিভিন্ন মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানে ডলার ৮৪ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি ডলারে ২ টাকার মতো দাম বেড়েছে। তবে ব্যাংকাররা বলছেন, এলসি খোলার ক্ষেত্রে ডলারের দামের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
জানা গেছে, অবৈধ অর্থপ্রবাহ বন্ধ করতে গত ৮ নভেম্বর ৫শ’ ও ১ হাজার রুপির নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। বিপরীতে নতুন করে বাজারে ৫শ’ ও ২ হাজার রুপির নোট ছাড়বে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরবিআই। আর পুরনো ৫শ’ ও ১ হাজার রুপির নোট ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পোস্ট অফিস ও ব্যাংকে গিয়ে পরিবর্তন করা যাবে। যারা এ সময়ের মধ্যে বিশেষ কোনো কারণে পুরনো নোট জমা দিতে পারবেন না, তারা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এসব নোট জমা দিতে পারবেন। এরপর ভারতের মুদ্রার বাজারে সংকট তৈরি হয়। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে দেশের খুচরা বাজারে রুপির লেনদেন একেবারে অবৈধ।
ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক, মানিচেঞ্জার ও ব্যক্তি পর্যায়ে থাকা ৫শ’ ও ১ হাজার নোটের কয়েক কোটি রুপি শুধু কাগজে পরিণত হয়েছে। কোনোভাবেই এগুলো আর ব্যবহারের সুযোগ নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকও এ বিষয়ে দায় নিতে নেবে না। জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পাল বলেন, মুদ্রা বাতিল হওয়ায় এখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায়-দায়িত্ব নেই। বিষয়টি আর আমাদের পর্যায়ে নেই। এখন এর দায়-দায়িত্ব নেবে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। তবে সংকটের মধ্যেও রুপি নিয়ে একটি চক্র সক্রিয়। তারা ৫শ’ ও ১ হাজার রুপির নোট নামমাত্র মূল্যে কিনে নিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ৫শ’ রুপির নোট কিনছে মাত্র ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়। অন্যান্য সময় এই নোটের দাম ছিল ৬শ’ টাকা। এরপর এই নোট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করছে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
জানতে চাইলে বিজয় মানি এক্সচেঞ্জের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাফিজুর রশিদ ফকির যুগান্তরকে বলেন, রুপির কারণে গত কয়েক দিনে ডলারের দাম ১ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তার মতে, এখন যারা ভারতে যায়, তারা সবাই ডলার নিয়ে যাচ্ছে। এতে ডলারের চাহিদা বেড়েছে। ফলে দামও বেড়েছে। তিনি বলেন, ৫শ’ ও ১ হাজার রুপির নোট অচল। কিন্তু ১শ’ ও তার নিচের নোটের আরও সংকট তৈরি হয়েছে দেশের মুদ্রাবাজারে। বর্তমানে ১শ’ রুপির নোট কিনতে ২শ’ টাকা লাগে। বড় কয়েকটি হাউসে তা পাওয়া যায়। জানা গেছে, দেশের ব্যাংকগুলোতে এলসি খোলার ক্ষেত্রে প্রতি মার্কিন ডলার ৭৮ থেকে ৭৯ টাকা লেনদেন হয়। আর বিভিন্ন মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানে খুচরা গ্রাহককে ৮১ থেকে ৮২ টাকায় কিনতে হয়। গত কয়েক মাস থেকে এই রেট চলে আসছে। কিন্তু রুপির সংকটে বুধবার বিভিন্ন মানিচেঞ্জার প্রতিষ্ঠানে ডলার ৮৪ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে দেখা গেছে। এ ক্ষেত্রে প্রতি ডলারে ২ টাকার মতো দাম বেড়েছে। তবে ব্যাংকাররা বলছেন, এলসি খোলার ক্ষেত্রে ডলারের দামের কোনো পরিবর্তন হয়নি।
জানা গেছে, অবৈধ অর্থপ্রবাহ বন্ধ করতে গত ৮ নভেম্বর ৫শ’ ও ১ হাজার রুপির নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। বিপরীতে নতুন করে বাজারে ৫শ’ ও ২ হাজার রুপির নোট ছাড়বে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরবিআই। আর পুরনো ৫শ’ ও ১ হাজার রুপির নোট ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পোস্ট অফিস ও ব্যাংকে গিয়ে পরিবর্তন করা যাবে। যারা এ সময়ের মধ্যে বিশেষ কোনো কারণে পুরনো নোট জমা দিতে পারবেন না, তারা জাতীয় পরিচয়পত্র দেখিয়ে আগামী বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এসব নোট জমা দিতে পারবেন। এরপর ভারতের মুদ্রার বাজারে সংকট তৈরি হয়। এর প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে দেশের খুচরা বাজারে রুপির লেনদেন একেবারে অবৈধ।
ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক, মানিচেঞ্জার ও ব্যক্তি পর্যায়ে থাকা ৫শ’ ও ১ হাজার নোটের কয়েক কোটি রুপি শুধু কাগজে পরিণত হয়েছে। কোনোভাবেই এগুলো আর ব্যবহারের সুযোগ নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকও এ বিষয়ে দায় নিতে নেবে না। জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. বিরূপাক্ষ পাল বলেন, মুদ্রা বাতিল হওয়ায় এখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের কোনো দায়-দায়িত্ব নেই। বিষয়টি আর আমাদের পর্যায়ে নেই। এখন এর দায়-দায়িত্ব নেবে স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া। তবে সংকটের মধ্যেও রুপি নিয়ে একটি চক্র সক্রিয়। তারা ৫শ’ ও ১ হাজার রুপির নোট নামমাত্র মূল্যে কিনে নিচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ৫শ’ রুপির নোট কিনছে মাত্র ২০০ থেকে ২৫০ টাকায়। অন্যান্য সময় এই নোটের দাম ছিল ৬শ’ টাকা। এরপর এই নোট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচার করছে সূত্র নিশ্চিত করেছে।

No comments:
Post a Comment