মহেশখালীতে ভ্রাম্যমান আদালতে বালি ব্যবসায়ীকে জরিমানা
স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরী ঃ
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ মহেশখালীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে পাহাড় ধ্বংশকারী অবৈধ বালির ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এলাকাবাসি জানান ধৃত বালি ব্যাবসায়ীগন অনেকদিন ধরে বর্ষা মৌসুমে পাহাড় কেটে বৃষ্টির ছড়ার পানি দিয়ে বালি নামিয়ে পাহাড় ধ্বংশ ও পরিবেশের ক্ষতি করে আসছিল । জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা মৌজার বি.এস ১নং খতিয়ানের সরকারী জায়গার বালি স্থানীয় বালির ব্যবসায়ী বদি আলম, ইসমাইল ও মফজল হোসেন এর ছেলে আবুল হাসেম অবধৈভাবে উত্তোলন করে আসছিল। কোন প্রকার সরকারী অনুমতি বিহীন সরকারী জায়গার বালি উত্তোলনের ফলে মোটা অংকের রাজস্ব বঞ্চিত হয় সরকার। প্রতিদিনের ন্যায় গত কাল সোমবার সকাল দশঘটিকার সময় উত্তর নলবিলা চালিয়াতলী এলাকার মৃত মুহাম্মদ নছিম এর ছেলে বালি ব্যবসায়ী বদি আলম চালিয়াতলী শাহ আমিন কাউন্টার সংলগ্ন ২৩৩৪ নং বি.এস দাগের ১নং খাস খতিয়ানের জায়গা থেকে অবধৈভাবে বালি উত্তোলনের সময় কালারমারছড়া ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহশীলদার পূর্নেন্দু বিকাশ তালুকদার বালি ভর্তি ডাম্পারটি আটক করেন। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মহেশখালী“ বিভীষণ কান্তি দাশ” ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অবধৈভাবে বালি উত্তোলনের অভিযোগে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ প্রদান করেন। স্থানীয়রা জানান, চালিয়াতলী এলাকার বালি ব্যবসায়ী বদি আলম , ইসমাইল ও আবুল হাসেম স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন থেকে সরকারী ১নং খাস খতিয়ানের জায়গা ও ১২ নং পাহাড় মৌজার বালি কেটে অবধৈভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তহশীলদার পূর্নেন্দ বিকাশ তালুকদার জানান, সরকারী জায়গার বালি অবধৈভাবে উত্তোলনে জড়িত ইসমাইল ও আবুল হাসেম”কে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, সরকারী জায়গার বালি দিন দুপুরে লুটপাট হওয়ার অবস্থা দেখে উপজেলা প্রশাসনের উপর অনেকটা আস্থাহীন হয়ে পড়েছিল এলাকার লোকজন। গত কাল উপজেলা ভূমি অফিসের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অবধৈ বালি ব্যবসায়ী বদি আলমকে আর্থিক জরিমানা প্রদান করায় সরকারী সম্পদ লুটপাট অনেকটা কমে আসবে বলে মন্তব্য করেন সচেতন মহল। জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মহেশখালী বিভীষণ কান্তি দাশ জানান, উত্তর নলবিলা মৌজার ১নং খতিয়ানের সরকারী জায়গার বালি উত্তোলনের অভিযোগে স্থানীয় মুহাম্মদ নছিম এর ছেলে অবৈধ বালি ব্যবসায়ী বদি আলমকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। সরকারী সম্পদ লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে আগামীতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এদিকে এলকাবাসি জানা , শুধু বালি ব্যাবসায়ীকে জরিমানা করলে হবেনা , অবৈধ ডাম্পারগুলো জব্ধ করে এ দেশ বিরোধী কর্মকান্ড বন্ধ করতে হবে। সচেতন মহল এ অভিযানকে সাধুবাদ জানান।
স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরী ঃ
বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ মহেশখালীতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে পাহাড় ধ্বংশকারী অবৈধ বালির ব্যবসায়ীর কাছ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এলাকাবাসি জানান ধৃত বালি ব্যাবসায়ীগন অনেকদিন ধরে বর্ষা মৌসুমে পাহাড় কেটে বৃষ্টির ছড়ার পানি দিয়ে বালি নামিয়ে পাহাড় ধ্বংশ ও পরিবেশের ক্ষতি করে আসছিল । জানা যায়, দীর্ঘদিন যাবৎ মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা মৌজার বি.এস ১নং খতিয়ানের সরকারী জায়গার বালি স্থানীয় বালির ব্যবসায়ী বদি আলম, ইসমাইল ও মফজল হোসেন এর ছেলে আবুল হাসেম অবধৈভাবে উত্তোলন করে আসছিল। কোন প্রকার সরকারী অনুমতি বিহীন সরকারী জায়গার বালি উত্তোলনের ফলে মোটা অংকের রাজস্ব বঞ্চিত হয় সরকার। প্রতিদিনের ন্যায় গত কাল সোমবার সকাল দশঘটিকার সময় উত্তর নলবিলা চালিয়াতলী এলাকার মৃত মুহাম্মদ নছিম এর ছেলে বালি ব্যবসায়ী বদি আলম চালিয়াতলী শাহ আমিন কাউন্টার সংলগ্ন ২৩৩৪ নং বি.এস দাগের ১নং খাস খতিয়ানের জায়গা থেকে অবধৈভাবে বালি উত্তোলনের সময় কালারমারছড়া ইউনিয়ন ভুমি অফিসের তহশীলদার পূর্নেন্দু বিকাশ তালুকদার বালি ভর্তি ডাম্পারটি আটক করেন। পরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মহেশখালী“ বিভীষণ কান্তি দাশ” ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার মাধ্যমে অবধৈভাবে বালি উত্তোলনের অভিযোগে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ প্রদান করেন। স্থানীয়রা জানান, চালিয়াতলী এলাকার বালি ব্যবসায়ী বদি আলম , ইসমাইল ও আবুল হাসেম স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন থেকে সরকারী ১নং খাস খতিয়ানের জায়গা ও ১২ নং পাহাড় মৌজার বালি কেটে অবধৈভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল। তহশীলদার পূর্নেন্দ বিকাশ তালুকদার জানান, সরকারী জায়গার বালি অবধৈভাবে উত্তোলনে জড়িত ইসমাইল ও আবুল হাসেম”কে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, সরকারী জায়গার বালি দিন দুপুরে লুটপাট হওয়ার অবস্থা দেখে উপজেলা প্রশাসনের উপর অনেকটা আস্থাহীন হয়ে পড়েছিল এলাকার লোকজন। গত কাল উপজেলা ভূমি অফিসের আন্তরিক প্রচেষ্টায় অবধৈ বালি ব্যবসায়ী বদি আলমকে আর্থিক জরিমানা প্রদান করায় সরকারী সম্পদ লুটপাট অনেকটা কমে আসবে বলে মন্তব্য করেন সচেতন মহল। জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মহেশখালী বিভীষণ কান্তি দাশ জানান, উত্তর নলবিলা মৌজার ১নং খতিয়ানের সরকারী জায়গার বালি উত্তোলনের অভিযোগে স্থানীয় মুহাম্মদ নছিম এর ছেলে অবৈধ বালি ব্যবসায়ী বদি আলমকে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা প্রদান করা হয়েছে। সরকারী সম্পদ লুটপাটকারীদের বিরুদ্ধে আগামীতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। এদিকে এলকাবাসি জানা , শুধু বালি ব্যাবসায়ীকে জরিমানা করলে হবেনা , অবৈধ ডাম্পারগুলো জব্ধ করে এ দেশ বিরোধী কর্মকান্ড বন্ধ করতে হবে। সচেতন মহল এ অভিযানকে সাধুবাদ জানান।

No comments:
Post a Comment