‘আমার
বাবা ক্রিকেট খেলার পক্ষে ছিলেন না। কিন্তু শৈশব থেকেই ক্রিকেটের প্রতি
আমার টান ও ভালোবাসা ছিল। বিশেষ করে খুলনার বিএল কলেজে কোচ আল মাহমুদ
ভাইয়ের সহযোগিতা কখনোই ভুলব না।’ খুলনার খালিশপুরের বিএডিসি রোডস্থ মেহেদী
হাসান মিরাজের বাড়িতে মঙ্গলবার বিকালে ম্যাজিক-বয়ের একান্ত সাক্ষাৎকার
নিয়েছেন যুগান্তরের নূর ইসলাম রকি।
প্রশ্ন : ইংল্যান্ডকে হারিয়ে খুলনায় আসার পর অনুভূতি কেমন?
মিরাজ : এবার খুলনায় আসার পর অনুভূতি একদম অন্যরকম। বাড়িতে আসার পর থেকে অচেনা অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচয় হচ্ছে। অনেকে ফুল, মিষ্টি নিয়ে বাসায় আসছেন। কেউবা সেলফি তোলার জন্য অনুরোধ করছেন। সত্যিই খুলনাবাসীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ তাদের এ ভালোবাসার জন্য।
প্রশ্ন : আপনার সাফল্যের পেছনে কাদের অনুপ্রেরণা ছিল?
মিরাজ : আমার বাবা ক্রিকেট খেলার পক্ষে ছিলেন না। কিন্তু শৈশব থেকেই ক্রিকেটের প্রতি আমার টান ও ভালোবাসা ছিল। খুলনার বিএল কলেজে কোচ আল মাহমুদ ভাইয়ের সহযোগিতা কখনোই ভুলব না। তাছাড়া দিপু রায় চৌধুরী, সোহেল, বাবুল, আমার কাছের বন্ধু ও ছোট বোন আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
প্রশ্ন : সামনের লক্ষ্য কী?
মিরাজ : আসন্ন বিপিএল আমার চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশের মানুষকে নতুন কিছু উপহার দেয়ার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ ইংল্যান্ড ম্যাচের চেয়ে ভালো কিছু করে দেশের মুখ উজ্জ্বল করব ।
প্রশ্ন : প্রিয় খেলোয়াড় কারা?
মিরাজ : দেশের মধ্যে মুশফিকুর রহিম, আশরাফুল ও সাকিব ভাইয়ের খেলা ভালো লাগে। বিদেশী খেলোয়াড়ের মধ্যে রমেশ পাওয়ার পছন্দের।
প্রশ্ন : পরিবারের পক্ষ থেকে এখন কেমন প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন?
মিরাজ : সত্যিই কিছু বলার নেই। বাবা জালাল হোসেন, মা মিনারা বেগম ও ছোট বোন রুমানা আক্তার মিম্মাসহ সব আত্মীয়স্বজন খুব আনন্দিত। বাংলাদেশের এত বড় সাফল্যের সঙ্গে আমার নাম জড়িয়ে আছে। তাই তারা আমার থেকে কম খুশি নন। মিডিয়া ও এলাকাবাসীর ভালোবাসায় মায়ের কাছে যাওয়ার সময় তেমন পাচ্ছি না। সব সময় বাবা আমাকে সাপোর্ট দিচ্ছেন
প্রশ্ন : ইংল্যান্ডকে হারিয়ে খুলনায় আসার পর অনুভূতি কেমন?
মিরাজ : এবার খুলনায় আসার পর অনুভূতি একদম অন্যরকম। বাড়িতে আসার পর থেকে অচেনা অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচয় হচ্ছে। অনেকে ফুল, মিষ্টি নিয়ে বাসায় আসছেন। কেউবা সেলফি তোলার জন্য অনুরোধ করছেন। সত্যিই খুলনাবাসীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ তাদের এ ভালোবাসার জন্য।
প্রশ্ন : আপনার সাফল্যের পেছনে কাদের অনুপ্রেরণা ছিল?
মিরাজ : আমার বাবা ক্রিকেট খেলার পক্ষে ছিলেন না। কিন্তু শৈশব থেকেই ক্রিকেটের প্রতি আমার টান ও ভালোবাসা ছিল। খুলনার বিএল কলেজে কোচ আল মাহমুদ ভাইয়ের সহযোগিতা কখনোই ভুলব না। তাছাড়া দিপু রায় চৌধুরী, সোহেল, বাবুল, আমার কাছের বন্ধু ও ছোট বোন আমাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে।
প্রশ্ন : সামনের লক্ষ্য কী?
মিরাজ : আসন্ন বিপিএল আমার চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশের মানুষকে নতুন কিছু উপহার দেয়ার চেষ্টা করব। ইনশাআল্লাহ ইংল্যান্ড ম্যাচের চেয়ে ভালো কিছু করে দেশের মুখ উজ্জ্বল করব ।
প্রশ্ন : প্রিয় খেলোয়াড় কারা?
মিরাজ : দেশের মধ্যে মুশফিকুর রহিম, আশরাফুল ও সাকিব ভাইয়ের খেলা ভালো লাগে। বিদেশী খেলোয়াড়ের মধ্যে রমেশ পাওয়ার পছন্দের।
প্রশ্ন : পরিবারের পক্ষ থেকে এখন কেমন প্রতিক্রিয়া পাচ্ছেন?
মিরাজ : সত্যিই কিছু বলার নেই। বাবা জালাল হোসেন, মা মিনারা বেগম ও ছোট বোন রুমানা আক্তার মিম্মাসহ সব আত্মীয়স্বজন খুব আনন্দিত। বাংলাদেশের এত বড় সাফল্যের সঙ্গে আমার নাম জড়িয়ে আছে। তাই তারা আমার থেকে কম খুশি নন। মিডিয়া ও এলাকাবাসীর ভালোবাসায় মায়ের কাছে যাওয়ার সময় তেমন পাচ্ছি না। সব সময় বাবা আমাকে সাপোর্ট দিচ্ছেন

No comments:
Post a Comment