আর
মাত্র কয়েক দিন পর সন্তানের বার্ষিক পরীক্ষা। তাই প্রস্তুতিও চলছে
জোরেসোরে, কিন্তু তার পড়ায় বাধ সেধেছে মাথা ব্যথা। সন্ধ্যায় পড়তে বসলেই সে
মাথা ব্যথার কথা বলছে। প্রথমে পড়ার সময় সে মাথা ব্যথার কথা বললে আমলে নিতাম
না, ভাবতাম পড়ার ভয়ে বা বাড়ির কাজে ফাঁকি দিতে সে মাথা ব্যথার অজুহাত
করছে।
কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি? এখন তার মাথা ব্যথ্যাটা আমাকে ভাবাচ্ছে
এমনটাই বললেন ব্যংক কর্মকর্তা রাবেয়া। চিকিৎসকের মতে, বড়দের ক্ষেত্রে মাথা
ব্যথার যে কারণগুলো প্রযোজ্য, শিশুদের ক্ষেত্রেও মোটামুটি একই কারণ থাকে।
আবার পরিবারে কারও মাথা ব্যথার সমস্যা থাকলে, বাচ্চার মধ্যে এই সমস্যা দেখা
দিয়ে পারে। কেমিক্যাল বা ব্লাড ভেসেলে কোনও পরিবর্তন হলে, ব্রেনের কাছে তা
‘পেইন সিগনাল’ হিসেবে পৌঁছে যায় এবং মাথা ব্যথার মাধ্যমে প্রকাশ পায়।
মাথা ব্যথার কারণ : ভাইরাল ইনফেকশন, সাইনোসাইটিস, ঠাণ্ডা লাগলে, প্রচণ্ড সর্দি-কাশি হলে মাথায় ব্যথা হতে পারে। সাইকোলজিক্যাল সমস্যা স্ট্রেস, পড়াশোনার অত্যাধিক চাপ, বাড়িতে নতুন শিশুর জন্ম হলে বা পরীক্ষার ভয় বাচ্চাদের মনের ওপর গভীর প্রভাব পড়ে। এসব মানসিক সমস্যার কথা তারা বলতে পারে না এবং এই সমস্যাগুলো শারীরিক উপসর্গ হিসেবে প্রকাশ পায়। তাছাড়া চোখের সমস্যা থেকেও মাথা ব্যথা হয়। কোনও বিশেষ ওষুধ খেলে, ঘুম কম হলে, ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া না করলে, মাথায় ছোট খাটো চোট লাগলে, দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করলে বা টিভি দেখলে সোনামনিদের মাথা ব্যথা হতে পারে। শারীরিক কারণ ছাড়া দু’ধরণের মাথাব্যথা বাচ্চাদের বিব্রত করে। যেমন :
(১) টেনশন হেডেক : পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি অনেক সময় বাচ্চাদের মনে প্রভাব ফেলে, যা হয়তো বয়স্করা বুঝে উঠতে পারেন না। স্কুলের পরিবেশ, বন্ধুদের মতো হওয়ার চেষ্টা, পড়াশোনার, চাপ, বাবা-মায়ের প্রত্যাশা ইত্যাদি বাচ্চারা অনেক সময় নিতে পারে না। অনেক সময় তারা অতিরিক্ত আবেগ প্রবণ হয়ে পড়ে, এর থেকেও মাথা ব্যথা হতে পারে। সাধারণত টেনশন হেডেকে মাথার সামনে এবং কপালের দু’পাশে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয়।
(২) মাইগ্রেন : বড়দের মতো, শিশুদেরও মাইগ্রেন হওয়ার আশংকা অতটা না থাকলেও একেবারেই অবহেলা করা ঠিক নয়। মাইগ্রেনের মাথা ব্যথা সাধারণত মাথার একপাশে হয়। পরিবারে কারও মাইগ্রেন থাকলে বাচ্চার মাইগ্রেন হতে পারে। মাইগ্রেনে শিশুরা মাথা ব্যথার সঙ্গে বমি বমি ভাব, মাথা ঝিম ঝিম করা, তীব্র আলো, আওয়াজ, গন্ধ সহ্য করতে পারে না।
চিকিৎসা
সাধারণ মাথা ব্যথায় তাৎক্ষণিক বাম মালিশ করা যেতে পারে। তবে সব থেকে জরুরি মাথা ব্যথার কারণটা অনুধাবন করা। শিশুর বার বার মাথা ব্যথা হলে অবশ্যই অবহেলা করা যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
শিশু হাসপাতাল, শ্যামলী, ঢাকা
মাথা ব্যথার কারণ : ভাইরাল ইনফেকশন, সাইনোসাইটিস, ঠাণ্ডা লাগলে, প্রচণ্ড সর্দি-কাশি হলে মাথায় ব্যথা হতে পারে। সাইকোলজিক্যাল সমস্যা স্ট্রেস, পড়াশোনার অত্যাধিক চাপ, বাড়িতে নতুন শিশুর জন্ম হলে বা পরীক্ষার ভয় বাচ্চাদের মনের ওপর গভীর প্রভাব পড়ে। এসব মানসিক সমস্যার কথা তারা বলতে পারে না এবং এই সমস্যাগুলো শারীরিক উপসর্গ হিসেবে প্রকাশ পায়। তাছাড়া চোখের সমস্যা থেকেও মাথা ব্যথা হয়। কোনও বিশেষ ওষুধ খেলে, ঘুম কম হলে, ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া না করলে, মাথায় ছোট খাটো চোট লাগলে, দীর্ঘক্ষণ কম্পিউটারে কাজ করলে বা টিভি দেখলে সোনামনিদের মাথা ব্যথা হতে পারে। শারীরিক কারণ ছাড়া দু’ধরণের মাথাব্যথা বাচ্চাদের বিব্রত করে। যেমন :
(১) টেনশন হেডেক : পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি অনেক সময় বাচ্চাদের মনে প্রভাব ফেলে, যা হয়তো বয়স্করা বুঝে উঠতে পারেন না। স্কুলের পরিবেশ, বন্ধুদের মতো হওয়ার চেষ্টা, পড়াশোনার, চাপ, বাবা-মায়ের প্রত্যাশা ইত্যাদি বাচ্চারা অনেক সময় নিতে পারে না। অনেক সময় তারা অতিরিক্ত আবেগ প্রবণ হয়ে পড়ে, এর থেকেও মাথা ব্যথা হতে পারে। সাধারণত টেনশন হেডেকে মাথার সামনে এবং কপালের দু’পাশে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয়।
(২) মাইগ্রেন : বড়দের মতো, শিশুদেরও মাইগ্রেন হওয়ার আশংকা অতটা না থাকলেও একেবারেই অবহেলা করা ঠিক নয়। মাইগ্রেনের মাথা ব্যথা সাধারণত মাথার একপাশে হয়। পরিবারে কারও মাইগ্রেন থাকলে বাচ্চার মাইগ্রেন হতে পারে। মাইগ্রেনে শিশুরা মাথা ব্যথার সঙ্গে বমি বমি ভাব, মাথা ঝিম ঝিম করা, তীব্র আলো, আওয়াজ, গন্ধ সহ্য করতে পারে না।
চিকিৎসা
সাধারণ মাথা ব্যথায় তাৎক্ষণিক বাম মালিশ করা যেতে পারে। তবে সব থেকে জরুরি মাথা ব্যথার কারণটা অনুধাবন করা। শিশুর বার বার মাথা ব্যথা হলে অবশ্যই অবহেলা করা যাবে না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
শিশু হাসপাতাল, শ্যামলী, ঢাকা

No comments:
Post a Comment