প্রেসিডেন্ট
নির্বাচনে হ্যাকিংয়ের জন্য রাশিয়াকে শাস্তি দেয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে
যুক্তরাষ্ট্র। কী কী শাস্তি দেয়া হচ্ছে শিগগিরই তা ঘোষণা করবে হোয়াইট হাউস।
এক সপ্তাহের মধ্যে শাস্তি ঘোষণা করতে পারে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়।
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, হ্যাকিংয়ের জন্য শাস্তি হিসেবে
অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন বাধানিষেধ আরোপ করতে
পারে যুক্তরাষ্ট্র। প্রকাশ্যে ‘শাস্তি’ দেয়া ছাড়াও গোপনেও বেশকিছু
গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিতে পারে ওবামা প্রশাসন। ক্রেমলিনের বিরুদ্ধে অতিশয়
গোপনে সাইবার হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পেন্টাগন। এর জন্য মাঠে নামানো হবে
অভিজ্ঞ মার্কিন হ্যাকারদের।
প্রয়োজনমাফিক তাদের নির্দেশ দেবেন মার্কিন
গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তরা। তবে এ বিষয়ে এখনও মার্কিন প্রেসিডেন্টের
চূড়ান্ত অনুমতি মেলেনি। প্রশাসনের সর্বোচ্চ স্তর থেকে অনুমতি না এলে
রাষ্ট্রের বাইরে কোথাও সাইবার হামলা চালাতে পারবেন না গোয়েন্দারা। পেন্টাগন
জানিয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে কোনোরকম আপস করা হবে না। মার্কিন
কম্পিউটার সিস্টেমে বহিরাগতরা হামলা চালালে তাকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে
ষড়যন্ত্র বলে গণ্য করা হবে- ২০১৫'র এপ্রিল মাসে ওবামা এ মর্মে একটি নির্দেশ
জারি করেছিলেন। সেই নির্দেশনা অনুসারে মার্কিন গোয়েন্দারা চান, যে রুশ
হ্যাকাররা ট্রাম্পকে জেতাতে সাহায্য করেছিলেন, তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
‘ফ্রিজ’ করে দিতে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার চলার সময় ডেমোক্রেটিক
পার্টির ওয়েবসাইট ও হিলারির প্রচার শিবিরের ম্যানেজার জন পোডেস্টার ই-মেইল
হ্যাক হয়। এর জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

No comments:
Post a Comment